ঢাকা ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

কুয়াকাটায় ধানকাটা মেশিনের সিন্ডিকেটে বিপর্যস্ত কৃষকরা

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৭১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুয়াকাটা অঞ্চলে ধানকাটা মেশিনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে শক্তিশালী একটি সিন্ডিকেট। প্রতি কানিতে ২,০০০ টাকা বাধ্যতামূলকভাবে দিতে হচ্ছে—এমন অভিযোগে ফুঁসছে ভুক্তভোগী কৃষকরা। স্থানীয়ভাবে নির্দিষ্ট একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির মেশিন ছাড়া অন্য কোনো মেশিন দিয়ে ধান কাটতে দেয়া হয় না বলেও জানাচ্ছেন তারা।
অভিযোগ অনুযায়ী, সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এক এলাকার ধান কাটা শেষ না হলে অন্য এলাকায় মেশিন যেতে পারে না। ফলে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছাতে দীর্ঘসময় লেগে যাচ্ছে। এদিকে সময়মতো ধান না কাটতে পারায় কৃষকদের ক্ষেতজুড়ে পাকা ধান মাটিতে পড়ে নষ্ট হচ্ছে। কুয়াশা পড়ে ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় কৃষক হাফেজ মজনু গাজী বলেন, “আমাদের ধান পাকলেও মেশিন আসে না। দিনে দিনে ধান পড়ে নষ্ট হচ্ছে। বললে উল্টো সিন্ডিকেটের লোকজন হুমকি দেয়। আমরা বাধ্য হয়ে ২ হাজার টাকা দিয়ে ধান কাটাচ্ছি।”
আরেক কৃষক নাসির ফকির বলেন, “ধান কাটার সময় খুব কম। কিন্তু মেশিন দেরিতে এলে সব মাটিতে পরে যাইতেছে। আমাদের কষ্টের ফসল এভাবেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।”
কৃষকদের দাবি, এভাবে জোরপূর্বক নির্দিষ্ট মেশিন চাপিয়ে দেয়া এবং অতিরিক্ত টাকা আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি। তারা বলেন, দ্রুত প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ না হলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে এবং কৃষকদের জীবন-জীবিকা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়বে।
এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়ে কৃষকরা বলেছেন “এই সিন্ডিকেটের দাপট বন্ধ না হলে আমরা বাঁচব না, আমাদের ধানও বাঁচবে না।”

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কুয়াকাটায় ধানকাটা মেশিনের সিন্ডিকেটে বিপর্যস্ত কৃষকরা

আপডেট সময় :

কুয়াকাটা অঞ্চলে ধানকাটা মেশিনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে শক্তিশালী একটি সিন্ডিকেট। প্রতি কানিতে ২,০০০ টাকা বাধ্যতামূলকভাবে দিতে হচ্ছে—এমন অভিযোগে ফুঁসছে ভুক্তভোগী কৃষকরা। স্থানীয়ভাবে নির্দিষ্ট একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির মেশিন ছাড়া অন্য কোনো মেশিন দিয়ে ধান কাটতে দেয়া হয় না বলেও জানাচ্ছেন তারা।
অভিযোগ অনুযায়ী, সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এক এলাকার ধান কাটা শেষ না হলে অন্য এলাকায় মেশিন যেতে পারে না। ফলে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছাতে দীর্ঘসময় লেগে যাচ্ছে। এদিকে সময়মতো ধান না কাটতে পারায় কৃষকদের ক্ষেতজুড়ে পাকা ধান মাটিতে পড়ে নষ্ট হচ্ছে। কুয়াশা পড়ে ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় কৃষক হাফেজ মজনু গাজী বলেন, “আমাদের ধান পাকলেও মেশিন আসে না। দিনে দিনে ধান পড়ে নষ্ট হচ্ছে। বললে উল্টো সিন্ডিকেটের লোকজন হুমকি দেয়। আমরা বাধ্য হয়ে ২ হাজার টাকা দিয়ে ধান কাটাচ্ছি।”
আরেক কৃষক নাসির ফকির বলেন, “ধান কাটার সময় খুব কম। কিন্তু মেশিন দেরিতে এলে সব মাটিতে পরে যাইতেছে। আমাদের কষ্টের ফসল এভাবেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।”
কৃষকদের দাবি, এভাবে জোরপূর্বক নির্দিষ্ট মেশিন চাপিয়ে দেয়া এবং অতিরিক্ত টাকা আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি। তারা বলেন, দ্রুত প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ না হলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে এবং কৃষকদের জীবন-জীবিকা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়বে।
এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়ে কৃষকরা বলেছেন “এই সিন্ডিকেটের দাপট বন্ধ না হলে আমরা বাঁচব না, আমাদের ধানও বাঁচবে না।”