ঢাকা ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‘ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করবো’

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “আমাকে হিন্দু ও আওয়ামী লীগের দালাল বলা হয়। যে যাই বলুক, আমি বলবো—ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার।” বিএনপি ক্ষমতায় গেলে হিন্দু-মুসলমানসহ সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণে সৌহার্দ্যপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
গত শনিবার ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মুন্সিপাড়া ইউনুসের মিলচাতাল, ঢোলর হাট ইউনিয়নের বড়ধাম এলাকা, আকচা ইউনিয়ন, চিলারং ইউনিয়নের মানু বাবুর মন্দির ও আখানগর ইউনিয়নের পাহাড়ভাঙ্গা হাই স্কুল মাঠে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আয়োজিত একাধিক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে কোনো হিন্দু ভাইয়ের ক্ষতি হতে দেওয়া হবে না এবং কোনো নিরপরাধ আওয়ামী লীগ কর্মী হয়রানির শিকার হবে না। তিনি অভিযোগ করে বলেন, জামায়াতে ইসলামী ধর্মকে পুঁজি করে জান্নাতের লোভ দেখিয়ে ভোট চাইছে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছে। তবে ইসলাম কোনো দলের একার সম্পত্তি নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর দেখানো পথে ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করবে।
অর্থনৈতিক প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে একাধিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে যেসব কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ রয়েছে, তা সুদসহ মওকুফ করা হবে। পাশাপাশি গ্রামীণ মা-বোনদের এনজিও ঋণও মওকুফ করার ঘোষণা দেন তিনি।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ইঙ্গিত করে মির্জা ফখরুল বলেন, “আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীকে পছন্দ করেন না। তারা সীমা অতিক্রম করেছিল। বলেছিল দেশ ছেড়ে পালাবে না, অথচ আজ তাকেই দেশ ছাড়তে হয়েছে।”
এটি তার শেষ নির্বাচন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বহু বছর ধরে তিনি ভোটারদের সঙ্গে আছেন—কখনো জিতেছেন, কখনো হেরেছেন; কিন্তু এলাকা ছাড়েননি, কারও কাছ থেকে বিনিময় নেননি। বাবার জমি বিক্রি করে রাজনীতি করেছেন দাবি করে শেষবারের মতো সমর্থন ও ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন তিনি।
পথসভায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

‘ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করবো’

আপডেট সময় :

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “আমাকে হিন্দু ও আওয়ামী লীগের দালাল বলা হয়। যে যাই বলুক, আমি বলবো—ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার।” বিএনপি ক্ষমতায় গেলে হিন্দু-মুসলমানসহ সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণে সৌহার্দ্যপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
গত শনিবার ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মুন্সিপাড়া ইউনুসের মিলচাতাল, ঢোলর হাট ইউনিয়নের বড়ধাম এলাকা, আকচা ইউনিয়ন, চিলারং ইউনিয়নের মানু বাবুর মন্দির ও আখানগর ইউনিয়নের পাহাড়ভাঙ্গা হাই স্কুল মাঠে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আয়োজিত একাধিক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে কোনো হিন্দু ভাইয়ের ক্ষতি হতে দেওয়া হবে না এবং কোনো নিরপরাধ আওয়ামী লীগ কর্মী হয়রানির শিকার হবে না। তিনি অভিযোগ করে বলেন, জামায়াতে ইসলামী ধর্মকে পুঁজি করে জান্নাতের লোভ দেখিয়ে ভোট চাইছে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছে। তবে ইসলাম কোনো দলের একার সম্পত্তি নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর দেখানো পথে ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করবে।
অর্থনৈতিক প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে একাধিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে যেসব কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ রয়েছে, তা সুদসহ মওকুফ করা হবে। পাশাপাশি গ্রামীণ মা-বোনদের এনজিও ঋণও মওকুফ করার ঘোষণা দেন তিনি।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ইঙ্গিত করে মির্জা ফখরুল বলেন, “আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীকে পছন্দ করেন না। তারা সীমা অতিক্রম করেছিল। বলেছিল দেশ ছেড়ে পালাবে না, অথচ আজ তাকেই দেশ ছাড়তে হয়েছে।”
এটি তার শেষ নির্বাচন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বহু বছর ধরে তিনি ভোটারদের সঙ্গে আছেন—কখনো জিতেছেন, কখনো হেরেছেন; কিন্তু এলাকা ছাড়েননি, কারও কাছ থেকে বিনিময় নেননি। বাবার জমি বিক্রি করে রাজনীতি করেছেন দাবি করে শেষবারের মতো সমর্থন ও ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন তিনি।
পথসভায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।