ঢাকা ০১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

নওগাঁ-১ আসনের ভোটাররা মোস্তাফিজুর রহমানকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চায়

নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৮৫ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিয়ামতপুর পোরসা সাপাহার ৪৬ নওগাঁ -১ আসন থেকে ২০ হাজার ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়ী সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান আসন্ন মন্ত্রিসভায় দেখতে চায় সাধারণ মানুষ। ঐতিহাসিক এই বিজয়ের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তাকে মন্ত্রী করার জোর দাবি উঠেছে।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মোট ১৬৬টি কেন্দ্রের এই আসনে তিনি বড় ব্যবধানে জয় লাভ করেন। বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রে তার এই অগ্রগামিতা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে জনআস্থার সুস্পষ্ট প্রতিফলন।
বিশ হাজার ভোটের ব্যবধান নওগাঁ -১ আসনের রাজনৈতিক ইতিহাসে অন্যতম বড় জয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জানা গেছে, দীর্ঘদিনের আন্দোলন- সংগ্রামে সক্রিয় একজন সৎ, পরিশ্রমী মেধাবী ও আপোষহীন হিসেবে তিন থানা তথা গোটা নওগাঁ জেলা জুড়ে তার ভূমিকা ছিল অগ্রণী। বিভিন্ন রাজনৈতিক সংকটময় সময়ে মাঠে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য— তার আপসহীন ও দৃঢ় অবস্থান তৃণমূল পর্যায়ে কর্মীদের মধ্যে সাহস ও আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে, যা নির্বাচনী ফলাফলেও প্রতিফলিত হয়েছে।
এদিকে, ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই নিয়ামতপুর উপজেলাসহ বাকি দুই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আনন্দ মিছিল ও শুভেচ্ছা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা—মন্ত্রীত্ব পেলে নির্বাচনী এলাকার অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন গতি আসবে। বিশেষ করে পোরশা ও সাপাহাড় উপজেলা আমের জন্য বিখ্যাত। তাই আম সংরক্ষণের জন্য একটি হিমাগার স্থাপন, নিয়ামতপুর উপজেলা মাছের জন্য বিখ্যাত। এই উপজেলায় প্রায় ৫ হাজারের অধিক সরকার এবং বেসরকারি পুকুর রয়েছে। অথচ মৎস্য চাষিরা মাছ বিক্রি করার জন্য কোন আড়ত নেই। তাই নিয়ামতপুর উপজেলা সদরে একটি মাছের আড়ত তৈরি করা হবে। আধুনিক সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং কৃষি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে তার কার্যকর উদ্যোগ দেখতে চান তারা।
তবে এখনো দলীয় উচ্চপর্যায় থেকে মন্ত্রিসভা নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন নেতাকর্মীরা।
নিয়ামতপুর পোরশা এবং সাপাহার বাসীর বিশ্বাস— এই বিপুল জনসমর্থনের যথাযথ মূল্যায়ন করে জেলার এই জনপ্রতিনিধিকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হলে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নওগাঁ-১ আসনের ভোটাররা মোস্তাফিজুর রহমানকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চায়

আপডেট সময় :

নিয়ামতপুর পোরসা সাপাহার ৪৬ নওগাঁ -১ আসন থেকে ২০ হাজার ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়ী সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান আসন্ন মন্ত্রিসভায় দেখতে চায় সাধারণ মানুষ। ঐতিহাসিক এই বিজয়ের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তাকে মন্ত্রী করার জোর দাবি উঠেছে।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মোট ১৬৬টি কেন্দ্রের এই আসনে তিনি বড় ব্যবধানে জয় লাভ করেন। বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রে তার এই অগ্রগামিতা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে জনআস্থার সুস্পষ্ট প্রতিফলন।
বিশ হাজার ভোটের ব্যবধান নওগাঁ -১ আসনের রাজনৈতিক ইতিহাসে অন্যতম বড় জয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জানা গেছে, দীর্ঘদিনের আন্দোলন- সংগ্রামে সক্রিয় একজন সৎ, পরিশ্রমী মেধাবী ও আপোষহীন হিসেবে তিন থানা তথা গোটা নওগাঁ জেলা জুড়ে তার ভূমিকা ছিল অগ্রণী। বিভিন্ন রাজনৈতিক সংকটময় সময়ে মাঠে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য— তার আপসহীন ও দৃঢ় অবস্থান তৃণমূল পর্যায়ে কর্মীদের মধ্যে সাহস ও আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে, যা নির্বাচনী ফলাফলেও প্রতিফলিত হয়েছে।
এদিকে, ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই নিয়ামতপুর উপজেলাসহ বাকি দুই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আনন্দ মিছিল ও শুভেচ্ছা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা—মন্ত্রীত্ব পেলে নির্বাচনী এলাকার অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন গতি আসবে। বিশেষ করে পোরশা ও সাপাহাড় উপজেলা আমের জন্য বিখ্যাত। তাই আম সংরক্ষণের জন্য একটি হিমাগার স্থাপন, নিয়ামতপুর উপজেলা মাছের জন্য বিখ্যাত। এই উপজেলায় প্রায় ৫ হাজারের অধিক সরকার এবং বেসরকারি পুকুর রয়েছে। অথচ মৎস্য চাষিরা মাছ বিক্রি করার জন্য কোন আড়ত নেই। তাই নিয়ামতপুর উপজেলা সদরে একটি মাছের আড়ত তৈরি করা হবে। আধুনিক সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং কৃষি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে তার কার্যকর উদ্যোগ দেখতে চান তারা।
তবে এখনো দলীয় উচ্চপর্যায় থেকে মন্ত্রিসভা নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন নেতাকর্মীরা।
নিয়ামতপুর পোরশা এবং সাপাহার বাসীর বিশ্বাস— এই বিপুল জনসমর্থনের যথাযথ মূল্যায়ন করে জেলার এই জনপ্রতিনিধিকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হলে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।