তারাকান্দায় বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র রফিক বিশ্বাস
- আপডেট সময় : ৫৭ বার পড়া হয়েছে
ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার সংবাদ জগতে রফিক বিশ্বাস একটি অতি পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় নাম। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং এলাকার সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরার মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন নির্ভীক ও আপসহীন ‘কলম সৈনিক’ হিসেবে। বর্তমানে তিনি তারাকান্দা প্রেসক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
১৯৬৮ সালে তারাকান্দা উপজেলার পশ্চিম তালদিঘি গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন রফিক বিশ্বাস। তিনি ওই এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব মরহুম গিয়াস উদ্দিন বিশ্বাসের সুযোগ্য সন্তান। পারিবারিক মূল্যবোধ আর সততার শিক্ষা নিয়ে ১৯৯১ সালে সাংবাদিকতা পেশায় তাঁর হাতেখড়ি হয়।
দীর্ঘ ৩৬ বছরের সাংবাদিকতা জীবনে রফিক বিশ্বাস অসংখ্য জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিকে কাজ করেছেন। মরহুম মোহাম্মদ আবুল হোসেন সম্পাদিত ‘দৈনিক আজকের স্মৃতি’ পত্রিকার মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু। এরপর একে একে দৈনিক মুক্ত কণ্ঠ, আজকের আওয়াজ ও ভোরের ডাক-এ কাজ করেছেন। বিশেষ করে কাজী শাহেদ আহমদ সম্পাদিত ‘দৈনিক আজকের কাগজ’ পত্রিকায় দীর্ঘ ১০ বছর কাজ করার অভিজ্ঞতা তাঁর রয়েছে। বর্তমানে তিনি মতিউর রহমান চৌধুরী সম্পাদিত ‘দৈনিক মানবজমিন’ ও ‘দৈনিক স্বজন’ পত্রিকায় অত্যন্ত দক্ষতার সাথে কর্মরত আছেন।
রফিক বিশ্বাস কেবল নিজেই সাংবাদিকতা করেননি, বরং দীর্ঘ কর্মজীবনে অসংখ্য তরুণকে হাতে-কলমে সাংবাদিকতা শিখিয়ে দক্ষ সংবাদকর্মী হিসেবে গড়ে তুলেছেন। মাঠ পর্যায়ের সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ করতে অনন্য ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি তারাকান্দা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সফলভাবে তিনবার দায়িত্ব পালন করেন এবং বর্তমানে দ্বিতীয় মেয়াদে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, রফিক বিশ্বাস কেবল একজন সংবাদকর্মী নন, বরং তিনি সমাজ পরিবর্তনের অন্যতম কারিগর। তারাকান্দা উপজেলার উন্নয়ন, দুর্নীতি ও জনদুর্ভোগের খবর সাহসের সাথে তুলে ধরে তিনি স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছেন। তাঁর লেখনীর মাধ্যমেই উপজেলার অনেক অবহেলিত ও জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যু জাতীয় পর্যায়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে।
দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসমৃদ্ধ এই গুণী সাংবাদিক এখন উপজেলার উদীয়মান ও তরুণ সংবাদকর্মীদের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাকে একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। আজও তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, যার মূল লক্ষ্য— অন্যায়ের প্রতিবাদ আর সত্যের প্রকাশ|



















