মানিকগঞ্জে পেটে লাথি মেরে ভ্রূণ হত্যার অভিযোগ
- আপডেট সময় : ২৬ বার পড়া হয়েছে
মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার জিয়নপুর ইউনিয়নের বৈন্যা গ্রামে জোর করে অন্যর জমি দখল করতে গিয়ে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ চারজনকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে।মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায়, ডাক্তার কর্তৃক জানা যায় নাসরিন আক্তার নারীর গর্ভের ভ্রূণ নষ্ট হয়েছে ।নাসরিন আক্তার ঈদ উপলক্ষে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসলে সন্ত্রাসীরা পেটে লাথি মেরে গর্ভে থাকা তিন মাসের ভ্রুণ নষ্ট করে ফেলেন। আহত ব্যক্তিরা হলেন আলমগীর, নাসরিন আক্তার, সাথী আক্তার ও লতিফা। তাঁদের দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বরিবার আনুমানিক ৯ ঘটিকার সময় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে রুপচান ও তাঁর ভাইদের বসতবাড়িতে প্রতিপক্ষের লোকজন জোরপূর্বক প্রবেশ করে হামলা চালায়। হামলাকারীরা লোহার রড, ধারালো অস্ত্র, চাপাতি ও লাঠিসোঁটা দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে চারজন গুরুতর আহত হন।
অভিযোগে যাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁরা হলেন, কালামের ছেলে মো. ইয়াসিন আলী(৪১), মো. শাকিল রানা (ওরফে ইয়াদ আলী (৩২),মো. ইয়াকুব আলী(৩০), আলামিন (৩৫), মোঃ জুলহাস মিয়া (৩০), উভয় পিতা আদারী শেখ, মোঃ মনির হোসেন (৩৬), মুক্তার হোসেন( ৩৪) উভয় পিতা আঃ গনি, আদারী শেখ(৬০) পিতা মৃত কফিল উদ্দিন শেখ, মোঃ আবুল কালাম (৬০), শাহাজাহান আলী (৫৫) উভয় পিতা মৃত আরদোশ শেখ, শিবলু হোসেন সাইদুর (৩৫, পিতা ইউনুছ আলী, আখি আক্তার (৩৩) স্বামী আঃ লতিফ, নজিরন(৫৫) স্বামী মোঃ আবুল কালাম, বায়লা বেগম (৫৫) স্বামী মোঃ আদারী শেখ, মিনা বেগম (৩০) স্বামী মোঃ ইয়াছিন, মাছুমা(২৫) স্বামী শাকিল রানা ওরফে ইয়াদ আলী, আঃ লতিফ (৫০) পিতা আঃ মালেক, জবেদা খাতুন (৫০) স্বামী মৃত আঃ গনি, ইউনুছ (৫০) পিতা মৃত আঃ ছামাদ, হাফিজুর ওরফে ভিক্ষে (৩৫) পিতা মৃত নুর মুহাম্মদ, মোসা মোল্লা (৪৬) পিতা সোহরাব মোল্লা, সর্বসাং বন্যা অজ্ঞাতনামা কয়েকজন।
পরিবারের অভিযোগ, হামলার সময় তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা নাসরিন আক্তারের পেটে লাথি মারা হয়, এতে তাঁর গর্ভের ভ্রূণ নষ্ট হয়।
এ ঘটনায় দৌলতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, হামলার সময় নগদ এক লাখ ২৫ হাজার টাকা, একটি মোবাইল ফোন ও স্বর্ণালংকার লুট করা হয়েছে এবং বসতঘরে ভাঙচুর চালিয়ে প্রায় ৮০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করা হয়েছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পলাতক থাকায় তাঁদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কমর উদ্দিন বলেন, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



















