মুকসুদপুর ক্রীড়াঙ্গনের প্রাণ ফেরাতে মাহফুজ হাসানই ভরসা
- আপডেট সময় : ১৭ বার পড়া হয়েছে
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ক্রীড়াঙ্গন আজ এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। সম্ভাবনা আছে, প্রতিভা আছে—কিন্তু নেই সেই প্রাণবন্ত নেতৃত্ব, যা এই ক্রীড়াঙ্গনকে নতুন করে জাগিয়ে তুলতে পারে। ঠিক এমন সময়েই স্থানীয় ক্রীড়ামোদী, সচেতন মহল ও তরুণ সমাজ এককভাবে যাঁর নাম উচ্চারণ করছেন, তিনি হলেন—মাহফুজ হাসান।
স্থানীয়দের জোরালো দাবি, মুকসুদপুর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক পদে এমন একজন নেতৃত্ব প্রয়োজন, যিনি শুধু কাগজে-কলমে নন, বরং মাঠে-ঘাটে প্রমাণিত—আর সেই যোগ্যতায় সবার আগে উঠে এসেছে মাহফুজ হাসানের নাম।
গোপালগঞ্জ-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব সেলিমুজ্জামান সেলিম-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্থানীয়রা বলেন,
“মাহফুজ হাসান কেবল একজন খেলোয়াড় নন—তিনি মুকসুদপুর ক্রীড়াঙ্গনের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।”
একজন জনপ্রিয় ফুটবলার হিসেবে তিনি মাঠে যেমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন, তেমনি একজন সংগঠক হিসেবে তরুণদের একত্রিত করে ক্রীড়াঙ্গনে প্রাণ সঞ্চার করেছেন। উপজেলা যুবদলের বিপ্লবী সদস্য সচিব হিসেবে তাঁর নেতৃত্ব, সাহসিকতা ও কর্মস্পৃহা ইতোমধ্যেই সর্বমহলে প্রশংসিত।
স্থানীয়দের ভাষায়, “মাহফুজ হাসান মানেই উদ্যম, মানেই নেতৃত্ব, মানেই সংগ্রাম করে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা।”
দীর্ঘদিন ধরে তিনি মুকসুদপুরের ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত থেকে খেলোয়াড় তৈরি, টুর্নামেন্ট আয়োজন এবং তরুণদের ক্রীড়ামুখী করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর হাতে গড়া অনেক খেলোয়াড় আজ বিভিন্ন পর্যায়ে সাফল্যের স্বাক্ষর রাখছে—যা তাঁর দূরদর্শিতা ও দক্ষতারই প্রমাণ।
বর্তমানে মুকসুদপুর ক্রীড়াঙ্গনে যে স্থবিরতা বিরাজ করছে—পরিকল্পনার অভাব, সঠিক নেতৃত্বের সংকট এবং প্রতিভা বিকাশে অনিশ্চয়তা—এসব কাটিয়ে উঠতে একজন মাঠপর্যায়ের বাস্তবমুখী নেতার প্রয়োজন। আর সেই জায়গায় স্থানীয়দের বিশ্বাস, মাহফুজ হাসানই হতে পারেন সেই পরিবর্তনের কারিগর।
তারা দৃঢ়ভাবে বলেন, “মাহফুজ হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করা হলে মুকসুদপুর ক্রীড়াঙ্গনে নতুন জোয়ার বইবে। উপজেলা পেরিয়ে জেলা, এমনকি জাতীয় পর্যায়েও ক্রীড়াঙ্গন মাথা তুলে দাঁড়াবে—ইনশাআল্লাহ।”
মুকসুদপুরের তরুণ সমাজ ও ক্রীড়াপ্রেমীদের একটাই প্রত্যাশা—যোগ্যতার স্বীকৃতি পাক, মাঠের মানুষ নেতৃত্বে আসুক। তারা মাননীয় সংসদ সদস্যের কাছে আন্তরিক আহ্বান জানিয়েছেন, যেন এই সম্ভাবনাময় নেতৃত্বকে যথাযথ মূল্যায়ন করে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
কারণ, একজন মাহফুজ হাসান মানেই একটি জাগ্রত ক্রীড়াঙ্গন, একটি সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ।


















