তালতলীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের
পুলিশ সদস্যসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা
- আপডেট সময় : ৩২ বার পড়া হয়েছে
বরগুনার তালতলীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে পুলিশ সদস্য সহ ৫ জনকে বিবাদী করে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এক নারী। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ওসি তালতলী থানাকে এজাহার হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেয়। এদিকে এ ঘটনা মিথ্যা বলে দাবি করছেন এলাকাবাসী। একই সাক্ষী দিয়ে একাধিক মিথ্যা মামলা দেওয়ায় নারীর বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি স্থায়ীদের।
জানা যায়, ঈদের ছুটি কাটাতে বাড়িতে আসেন এএসআই খলিল। তার পিতা আব্দুল হামিদ ঘরামির সাথে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে কহিনুর বেগম নামক নারীর সাথে। গত শনিবার সকালে ছুটি শেষে চাকরিতে যোগদানের উদ্দেশ্যে যায় খলিল। এদিকে সেইদিন ভোর ৬ টা ২৫ মিনিটের সময় মারামারির ঘটনা উল্লেখ করে ২ জুন ২০২৬ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।
স্থানীয়রা জানান, অত্র এলাকায় ওই দিন থেকে এখন পর্যন্ত কোন মারামারির ঘটনা ঘটেনি। মাথা ফাটার যে চিত্র ধারণ করা হয়েছে তা দেখে যে কেউ বুজবে ওটা ব্লেড ধরা কাটা হয়েছে। জমিজমা বিরোধের জের ধরে তাদের বিরুদ্ধে চলমান মামলা সহ আরও একাধিক মামলা দেওয়া হয়েছে। ওই নারী অত্র এলাকায় বসবাস করেননা। তিনি তালতলীর একটি আবাসনে বসবাস করেন। সেখানে বসে নামে বেনামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ওই নারীর শাস্তি দাবি করেন তারা।
এদিকে মামলার বাদী কহিনুর বেগমকে মারধরের বিষয়ে অস্বীকার করে অভিযুক্ত প্রধান আসামি (পুলিশ সদস্য) মো. খলিল বলেন, জমিজমা বিরোধের জের ধরে আমাকে সহ পরিবারের অন্য সদস্যদের মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। তারা একই সাক্ষী দিয়ে একাধিকবার মিথ্যা মামলা দিয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে ওই নারীর ৬-৭ টা মামলা দেওয়া আছে। আমি এই মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
এদিকে কহিনুর বেগমের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে, কিংবা খুদে বার্তা পাঠিয়েও তার সারা মেলেনি।
তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত আদালতের কোন নির্দেশ আসেনি। আদালতের নির্দেশনা পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
















