ঢাকা ০৯:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ঝিনাইদহে সংরক্ষিত নারী আসনে তহুরা  খাতুনকে ঘিরে তৃণমূলের প্রত্যাশা Logo নওগাঁর ঠাকুরমান্দার ২শ বছরের পূরনো রাজখাড়া দেবত্তোর ষ্টেটের শ্রী শ্রী জয় কালি মাতা মন্দির ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের পরিদর্শন Logo সদর মডেল থানা ও রামু থানায় ১৪ ছিনতাইকারী গ্রেফতার Logo এপেক্স বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন নুরুল আমিন চৌধুরী Logo জনভোগান্তি কমাতে প্রশাসনের জোর তৎপরতা, সচেতনতার আহ্বান Logo ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে জাতীয় ঐকমত্যের ডাক দিলেন তানিয়া রব Logo মানিকগঞ্জে পেটে লাথি মেরে ভ্রূণ হত্যার অভিযোগ Logo তারাকান্দায় বসতবাড়ি সংলগ্ন মাটি খনন করায় বসতবাড়ি ধসে যাওয়ার শঙ্কা Logo বলাৎকারের খবর প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের নামে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের মামলা Logo তারাকান্দায় ফখরুদ্দিন হত্যার জেরে ধরে বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট

মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

গণমুক্তি ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ৩১৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিতে হবে। যেসব মুক্তিযোদ্ধা অন্য দলে গেছে সেটি বিবেচ্য নয়, তাদের সম্মান দিতে হবে। যে যে দলই করুক না কেন মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান নিশ্চিত করতে হবে। লাখো শহীদের রক্তে কেনা বাংলাদেশ কখনও ব্যর্থ হবে না।

মঙ্গলবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‌‘প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপ ২০২৪-২৫’ এর নির্বাচিত ফেলোদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ফেলোশিপ চালু করলেও বিএনপি ক্ষমতায় এসে সেটি বন্ধ করে দেয়। যারা ফেলোশিপ নিয়ে বিদেশে গিয়েছিলো ২০০১ এ সরকার পরিবর্তনের কারণে বিএনপি ফেলোশিপ বন্ধ করে দিয়েছিলো। এতে অনেকে বিপদে পড়েছিলো। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ছিলো অন্ধকার সময়।

শেখ হাসিনা বলেন, ফেলোশিপকে ট্রাস্ট ফান্ড হিসেবে তৈরি করে দেয়া হবে, যাতে কেউ এসে সেটি বন্ধ করে দিতে না পারে। ফেলোশিপের জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকার ফান্ড তৈরি করা হবে। কারণ, যারা বিদেশে উন্নত শিক্ষার জন্য যাবে তাদের গবেষণা দেশের কাজে লাগবে।

তিনি বলেন, ফেলোশিপেরর মাধ্যমে উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবেন, গবেষণা দেশের কাজে লাগাতে হবে। মনে রাখতে হবে, জনগণের টাকায় ফেলোশিপ। গবেষণার সুফল যেন জনগণ পায়, সেটি মাথায় রাখতে হবে।

বাংলাদেশের ছেলেমেয়েরা অনেক বেশি মেধাবী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার তাদের মেধাবিকাশের সুযোগ তৈরি করে দিতে চায়।

দেশের কোনো নাগরিক অবহেলিত থাকবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষা-দীক্ষায় যা যা প্রয়োজন সরকার তার সব করবে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম স্বাধীনতার সুফল ভোগ করবেন। যারা উন্নত শিক্ষার জন্য বিদেশ যাচ্ছেন তাদের দেশের দায়িত্ব নিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল নির্দিষ্ট করেছি। ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ব। আমাদের জনশক্তি স্মার্ট জনশক্তি হবে। আমাদেরকে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় :

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিতে হবে। যেসব মুক্তিযোদ্ধা অন্য দলে গেছে সেটি বিবেচ্য নয়, তাদের সম্মান দিতে হবে। যে যে দলই করুক না কেন মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান নিশ্চিত করতে হবে। লাখো শহীদের রক্তে কেনা বাংলাদেশ কখনও ব্যর্থ হবে না।

মঙ্গলবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‌‘প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপ ২০২৪-২৫’ এর নির্বাচিত ফেলোদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ফেলোশিপ চালু করলেও বিএনপি ক্ষমতায় এসে সেটি বন্ধ করে দেয়। যারা ফেলোশিপ নিয়ে বিদেশে গিয়েছিলো ২০০১ এ সরকার পরিবর্তনের কারণে বিএনপি ফেলোশিপ বন্ধ করে দিয়েছিলো। এতে অনেকে বিপদে পড়েছিলো। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ছিলো অন্ধকার সময়।

শেখ হাসিনা বলেন, ফেলোশিপকে ট্রাস্ট ফান্ড হিসেবে তৈরি করে দেয়া হবে, যাতে কেউ এসে সেটি বন্ধ করে দিতে না পারে। ফেলোশিপের জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকার ফান্ড তৈরি করা হবে। কারণ, যারা বিদেশে উন্নত শিক্ষার জন্য যাবে তাদের গবেষণা দেশের কাজে লাগবে।

তিনি বলেন, ফেলোশিপেরর মাধ্যমে উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবেন, গবেষণা দেশের কাজে লাগাতে হবে। মনে রাখতে হবে, জনগণের টাকায় ফেলোশিপ। গবেষণার সুফল যেন জনগণ পায়, সেটি মাথায় রাখতে হবে।

বাংলাদেশের ছেলেমেয়েরা অনেক বেশি মেধাবী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার তাদের মেধাবিকাশের সুযোগ তৈরি করে দিতে চায়।

দেশের কোনো নাগরিক অবহেলিত থাকবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষা-দীক্ষায় যা যা প্রয়োজন সরকার তার সব করবে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম স্বাধীনতার সুফল ভোগ করবেন। যারা উন্নত শিক্ষার জন্য বিদেশ যাচ্ছেন তাদের দেশের দায়িত্ব নিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল নির্দিষ্ট করেছি। ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ব। আমাদের জনশক্তি স্মার্ট জনশক্তি হবে। আমাদেরকে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।