ঢাকা,বৃহস্পতিবার,৩১০ ভাদ্র ১৪২৮,১৩,মে,২০২১ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > সাধারণ মানুষকে অবাক করে খাবার তুলে দিচ্ছেন ইউএনও তানভীর   > করোনা ভাইরাসের মধ্যেও দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে: পানিসম্পদ উপমন্ত্রী শামীম   > শ্রীনগরে চাঁদা না দেওয়ায় প্রবাসীকে মারধরের অভিযোগ   > গাইবান্ধায় বেড়েছে কাউন চাষ   > সিরাজদিখানে দেড় হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার   > সিলেটে আতিকুর রহমানের সমর্থনে দক্ষিণ সুরমা জাতীয় পার্টির কর্মীসভা   > অপরিপক্ক ফলে ঝালকাঠির বাজার সয়লাব   > বান্দরবানে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে দু:স্থ ও অসহায়দের উপহার দিল শ্রমিক লীগ   > অনুশীলনে বাধা নেই টাইগারদের   > বলিউড সিনেমায় অভিনয় প্রসঙ্গে যা বললেন নানি  

   কৃষি সংবাদ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
গাইবান্ধায় বেড়েছে কাউন চাষ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : এক সময়ের জনপ্রিয় ফসল কাউন রয়েছে বিলুপ্তির পথে। তবে গাইবান্ধায় এ ফসল চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা। নতুন উদ্ভাবিত বারী কাউন-২ জাতের কাউনের ফল ভালো হওয়ায় সম্ভাবনার স্বপ্ন দেখছেন তারা। জানা যায়, গাইবান্ধার সাঘাটায় যমুনা নদীর বুকে জেগে ওঠা বালু চরে কাউন চাষ করা হচ্ছে। গাইবান্ধা কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের সরেজমিন বিভাগের তত্ত্বাবধানে নতুন উদ্যোমে চাষ শুরু করেছেন কৃষকরা। সাঘাটা উপজেলায় যমুনা নদী দ্বারা বেষ্টিত চরাঞ্চলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হলদিয়া, কানাইপাড়া, গাড়ামারা, দীঘলকান্দী, চিনিরপটল, কুমারপাড়া, কালুরপাড়া ও পাতিলবাড়িসহ বিভিন্ন চরের কৃষকরা কাউন চাষ শুরু করেছে। একসময় কাউনের চালের ভাত, পায়েস ও পান্তা খেয়ে জীবিকা নির্বাহ করতো চরাঞ্চলের মানুষ। সে কাউন বর্তমানে আর দরিদ্র মানুষের খাবার নয়। কাউনের চালের পিঠা, পায়েস ও মলাসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী গ্রামবাঙলার পাশাপাশি শহরের মানুষের শখের খাবারে পরিণত হয়েছে। একসময় গাইবান্ধার চরাঞ্চল জুড়ে ছিল শুধু বালু আর বালু। সময়ের সঙ্গে সেখানে পলি পড়ে এ বালুময় চরাঞ্চল ফসল ফলানোর উপযোগী হয়েছে। গাইবান্ধা কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলে প্রায় দুই হাজার বিঘা জমিতে কাউন চাষ করা হয়েছে। সাঘাটার চিনিরপটল চরের কৃষক আমিনুল ইসলাম বলেন, চরের একজন কৃষক ১৫-২০ বিঘা পর্যন্ত জমি কাউনের চাষ করতে পারেন। এরআগে দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা ব্যয়ে দেশি জাতের কাউনের আবাদ করে প্রতি বিঘায় চার-পাঁচ মণ ফলন হতো। ফলন ও দাম ছিল অনেক কম। ফলে লাভ না হওয়ায় কাউন চাষের প্রতি আগ্রহ হারান কৃষকরা। হলদিয়া ইউনিয়নের দীঘলকান্দি গ্রামের মইনুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে বারী কাউন-২ জাতের প্রতি বিঘা জমিতে উৎপাদন হয় ১০-১২ মণ। দেশীয় জাতের তুলনায় ফলন প্রায় তিনগুণ। আর প্রতি মণ কাউন বাজারে বিক্রি হয় ১৬০০-১৭০০ টাকায়। তিনি আরও বলেন, কাউন চাষে খরচ কম সেইসঙ্গে লাভ বেশি। এদিকে বাজারে চাহিদাও রয়েছে কাউনের। এ কারণে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে আবাদ শুরু করেছি। হলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলী জাগো নিউজকে বলেন, দেশি জাতের ফলন কম হওয়ায় কাউনের আবাদ থেকে মুখ ফিরে নিয়েছিল কৃষকরা।

গাইবান্ধায় বেড়েছে কাউন চাষ
                                  

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : এক সময়ের জনপ্রিয় ফসল কাউন রয়েছে বিলুপ্তির পথে। তবে গাইবান্ধায় এ ফসল চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা। নতুন উদ্ভাবিত বারী কাউন-২ জাতের কাউনের ফল ভালো হওয়ায় সম্ভাবনার স্বপ্ন দেখছেন তারা। জানা যায়, গাইবান্ধার সাঘাটায় যমুনা নদীর বুকে জেগে ওঠা বালু চরে কাউন চাষ করা হচ্ছে। গাইবান্ধা কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের সরেজমিন বিভাগের তত্ত্বাবধানে নতুন উদ্যোমে চাষ শুরু করেছেন কৃষকরা। সাঘাটা উপজেলায় যমুনা নদী দ্বারা বেষ্টিত চরাঞ্চলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হলদিয়া, কানাইপাড়া, গাড়ামারা, দীঘলকান্দী, চিনিরপটল, কুমারপাড়া, কালুরপাড়া ও পাতিলবাড়িসহ বিভিন্ন চরের কৃষকরা কাউন চাষ শুরু করেছে। একসময় কাউনের চালের ভাত, পায়েস ও পান্তা খেয়ে জীবিকা নির্বাহ করতো চরাঞ্চলের মানুষ। সে কাউন বর্তমানে আর দরিদ্র মানুষের খাবার নয়। কাউনের চালের পিঠা, পায়েস ও মলাসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী গ্রামবাঙলার পাশাপাশি শহরের মানুষের শখের খাবারে পরিণত হয়েছে। একসময় গাইবান্ধার চরাঞ্চল জুড়ে ছিল শুধু বালু আর বালু। সময়ের সঙ্গে সেখানে পলি পড়ে এ বালুময় চরাঞ্চল ফসল ফলানোর উপযোগী হয়েছে। গাইবান্ধা কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলে প্রায় দুই হাজার বিঘা জমিতে কাউন চাষ করা হয়েছে। সাঘাটার চিনিরপটল চরের কৃষক আমিনুল ইসলাম বলেন, চরের একজন কৃষক ১৫-২০ বিঘা পর্যন্ত জমি কাউনের চাষ করতে পারেন। এরআগে দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা ব্যয়ে দেশি জাতের কাউনের আবাদ করে প্রতি বিঘায় চার-পাঁচ মণ ফলন হতো। ফলন ও দাম ছিল অনেক কম। ফলে লাভ না হওয়ায় কাউন চাষের প্রতি আগ্রহ হারান কৃষকরা। হলদিয়া ইউনিয়নের দীঘলকান্দি গ্রামের মইনুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে বারী কাউন-২ জাতের প্রতি বিঘা জমিতে উৎপাদন হয় ১০-১২ মণ। দেশীয় জাতের তুলনায় ফলন প্রায় তিনগুণ। আর প্রতি মণ কাউন বাজারে বিক্রি হয় ১৬০০-১৭০০ টাকায়। তিনি আরও বলেন, কাউন চাষে খরচ কম সেইসঙ্গে লাভ বেশি। এদিকে বাজারে চাহিদাও রয়েছে কাউনের। এ কারণে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে আবাদ শুরু করেছি। হলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলী জাগো নিউজকে বলেন, দেশি জাতের ফলন কম হওয়ায় কাউনের আবাদ থেকে মুখ ফিরে নিয়েছিল কৃষকরা।

ফলন ভালো না হলেও দামে খুশি মুগডাল চাষিরা
                                  

পটুয়াখালী প্রতিনিধি : অনাবৃষ্টির কারণে পটুয়াখালীতে এবার মুগডালের ফলন ভালো না হলেও বাজারে দাম থাকায় খুশি কৃষকরা। ভালো দামে বিক্রি করে লোকসান কাটিয়ে ওঠার আশা করছেন এখানকার মুগডাল চাষিরা।
জেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, মুগডাল মণ প্রতি ৩ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। দূর-দূরান্ত থেকে পাইকার ও মহাজনরা এসে ভিড় করছেন পটুয়াখালীর বিভিন্ন হাট-বাজারে। কিনে নিয়ে যাচ্ছেন কৃষকের উৎপাদিত মুগডাল। কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর জেলায় মোট ৯৭ হাজার ১৩২ হেক্টর জমিতে মুগডাল চাষ হয়েছে। এবছর বৃষ্টি না হওয়ায় মুগডালের ফলন কম হয়েছে। কিন্তু বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় ক্ষত পোষাতে পারবেন কৃষকরা। সরেজমিনে দেখা যায়, কৃষকরা ক্ষেত থেকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মুগডাল ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ আবার ডাল মাড়াই করে রোদে শুকানোর কাজে ব্যস্ত। স্থানীয় মুগডাল চাষি আবুল হাসেম জানান, এবার পানি না পাওয়ায় মুগডালের ফলন তেমন ভালো হয়নি। গাছে পোকায়ও আক্রমণ করেছে। তবে আশার কথা হল এবার মুগের বাজার দর ভালো। আমি মঙ্গলবার (৪ মে) পুরাণ বাজার হাটে মণ ৩ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করেছি। পটুয়াখালীর বাউফল থেকে আসা এক পাইকার জানায়, পুরাণ বাজার থেকে ৪০ মণ মুগডাল কিনেছি। মণ প্রতি ৩ হাজার ২০০ টাকায় এবার মুগডাল কিনতে হয়েছে। গতবার দাম কিছুটা কম ছিল। পটুয়াখালী জেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এ কে এম মহিউদ্দিন বলেন, অনাবৃষ্টির কারণে মুগ ফসলের ক্ষতি হয়েছে। তবে বাজারে মুগডালের ভালো দাম পাওয়া যাচ্ছে। এতে মুগডাল চাষিরা তাদের ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবেন।

বৈরী আবহাওয়ায় ঝরে পড়ছে আম-লিচু শঙ্কায় বাগান মালিকরা
                                  

মেহেরপুর প্রতিনিধি : মেহেরপুরে বৈরী আবহাওয়ায় পরিপক্ব হবার আগেই ঝরে যাচ্ছে আমের গুটি। গরমে ফেটে যাচ্ছে লিচু। বাগানে নানা ধরনের রোগ বালাই দেখা দেয়ায় স্বপ্ন ভাঙছে বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীদের। তবে চাষিদের গাছে পানি স্প্রে ও বালাই বা ছত্রাকনাশক দেয়ার পরামর্শ দেয়া দিচ্ছে কৃষি অফিস।
বিভিন্ন আম ও লিচু বাগান ঘুরে দেখা গেছে, গাছের ডালে বিভিন্ন জাতের আমের গুটি দুলছে। কিছু গুটি ঝরে গেছে। পোকায় ধরেছে অধিকাংশ আমে। লিচু পরিপক্ব হবার আগেই ফেটে যাচ্ছে। বাগান মালিকরা পানি ও ছত্রাক নাশক স্প্রে করছেন আম ও লিচু গাছে। তারপরও আশানুরূপ ফল পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন তারা। মেহেরপুর আমঝুপি গ্রামের বাগানের মালিক সাখাওয়াত হোসেন বলেন, তার ৯ বিঘা আম ও লিচুর বাগান রয়েছে। প্রথমে কোনো রোগ বালাই না থাকলেও এখন নানা রোগ দেখা দিয়েছে। কৃষি অফিস যেভাবে পরামর্শ দিয়েছে সেভাবেই কাজ করছি, কিন্তু আশানুরূপ ফল পাচ্ছি না। গাংনীর হেমায়েতপুর গ্রামের আনারুল ইসলাম বলেন, তার বাগানের লিচুর ফলনে বিপর্যয় হবে। প্রতিটি লিচুর থোকায় পোকা লেগেছে। ছত্রাকনাশক দিয়েও কোনো কাজ হচ্ছে না। আবার আমের গুটিতে যে স্বপ্ন বুনছিলাম তাও ভেঙে গেছে।
গাছের আমের অর্ধেক গুটি ঝরে গেছে। সেই সাথে দেখা দিয়েছে পোকা। একই উপজেলার জুগির গোফা গ্রামের আম ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর ও হজরত জানান, আম ব্যবসায়ীদের লোকসানের হাত থেকে বাঁচাতে দুইবছরের জন্য আম বাগান লিজ দেয়া হয়। তিনি পাঁচটি বাগান লিজ নিয়েছেন। গেল বছর অতিবৃষ্টির কারণে ফলন বিপর্যয় ছিল। এ বছর সেই লোকসান কাটিয়ে উঠতে গাছের পরিচর্যাও করা হয়েছে। কিন্তু অনাবৃষ্টির কারণে সে আশাও এখন নিরাশায় পরিণত হচ্ছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের হিসেব মতে, জেলায় এবার দুই হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে আম ও ৬৮০ হেক্টর জমিতে লিচুর চাষ করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে পাকচং ঘাস চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন সাবলম্বী কৃষকরা
                                  

রাজু বিশ^াস, দিনাজপুর : ঘাসটি নাম পাকচং আরেক নাম নেপিয়ার আবার লাল পাকচং জাতের ঘাস হয়। গরু, ছাগল, মহিষ ও ভেড়া গৃহপালিত পশুর উৎকৃষ্ট খাবার। বিশেষ করে গরু ও ছাগলের বেশী দুধের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা রাখে। মাঝে মাঝে ভ্যানে ঘাস বিক্রয় করতে দেখা যায়। একবার চারা রোপন করলে ৫ বছর যাবত সময়ের ক্রমনুসারে চারা গাছ হতে থাকে। অর্থাৎ ঘাস বড় হলে কাটার পর আপনি আপনি ঘাসের মুরা থেকে চারা উঠতে থাকে। সদর উপজেলায় গোপালগঞ্জ এলাকার চাষী মিলন বলেন, প্রায় ১১ বিঘা জমি লিজ নিয়ে পাকচং ঘাস চাষ করেছি। জমিতে ইউরিয়া, পটাশ, ড্যাব ও সালফার সার ব্যবহার করতে হয়। জমিতে প্রচুর পরিমানে পানি লাগে। ফলন ভাল হয়েছে। জমিতে চারা লাগানের পর প্রায় ৫০ দিন থেকে ৬০ দিনের মধ্যে ঘাস কাটার উপযোগী হয়। পূর্নাঙ্গ ঘাসটি ৫ ফুট থেকে ৭ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। বছরে ৫ থেকে ৬ বার ঘাস চাষ করা যায়। প্রতিবারে বিঘায় ঘাস উৎপাদন করতে ১০ থেকে ১২ হাজার পর্যন্ত খরচ হয়। প্রতি আটি ঘাস বিক্রয় হয় ৭-৮ টাকা দরে। কিন্তু শীত মৌসুমে ঘাসের দাম বেশী থাকে। আর প্রতি বৎসর এক বিঘা জমি লিজ নিতে ১৫ হাজার হতে ১৬ হাজার টাকা জমির মালিককে দিতে হয়। আরেক চাষী মশিউর রহমান জানান এই পেশায় নিযুক্ত আছেন ১৫ বছর যাবত। খালাতো ভাই ও চাচাতো ভাই সবাই এই পেশায় রয়েছেন। ৪নং শেখপুরা ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে তিন বিঘা জমি লিজ নিয়ে ঘাস চাষ করছেন। সেই জন্য ৫৪ হাজার টাকা প্রতি বছরে জমির মালিককে দিতে হয়। পাকচং ঘাস চাষের জন্য প্রচুর পানি এবং সার ব্যবহার করতে হয়। ৬-৭টি ঘাস দিয়ে আটি তৈরী করে বিক্রয়ের উপযোগী হয়। এক বিঘা জমিতে প্রতি বারে ঘাস বিক্রয় করলে ১৫ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকা আয় হয়। ঘাসের চারাও বিক্রয় করেন প্রতি বসÍাতে ৬০০ টাকা দরে। সেটি ঘাসের মুরাগুলো। বাসা চিরিরবন্দর উপজেলায় হাটখোলা গ্রামে। আরও জানান শুধু সদর উপজেলায় নয় চিরিরবন্দর উপজেলাতে নিজ এলাকায় আরও ৪ বিঘা জমি লিজ নিয়ে পাকচং ঘাস চাষ করছেন। চিরিরবন্দর উপজেলাতে এই নেপিয়ার ঘাসের চাষাবাদ বেশী রয়েছে। কৃষকরা বলছেন, দিন দিন জমির লিজের টাকার পরিমান বেড়ে যাওয়াতে আগের চেয়ে লাভ কম হচ্ছে। সেই ক্ষেত্রে উপ-সহকারি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ পাই নাই। পরামর্শ এবং সহযোগিতা পেলে উন্নত জাত চাষে ব্যাপক সফলতা অর্জন হবে।
এই বিষয়ে দিনাজপুর সদর উপজেলার প্রাণিসম্পদ অফিসার ডাঃ মোঃ আব্দুর রহিম বলেন, অনেক কৃষক ভাইরা পাকচং ঘাস চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। এই ঘাসে রয়েছে প্রায় ১৪% প্রোটিন। স্বাস্থ্য সম্মত উৎকৃষ্ট ঘাস যা গবাদি পশুর ক্ষেত্রে অনেক উপকারী। পশুর খাদ্যে চাহিদা মেটাতে সক্ষম। আরও ব্যাপকভাবে চাষ করতে পারলে খামারকারীদের পশু পালন চাষে উৎসাহ যোগাবে। আর জানান, সদর উপজেলাতে প্রায় ৩০ একর জমিতে পাকচং ঘাস চাষ হচ্ছে। চিরিরবন্দর উপজেলাতে এই ঘাসের চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস থেকে পাকচং ঘাস চাষে কৃষকদের বিনামূল্যে ঘাসের চারা সরবরাহ করা হয়। শুধু তাই নয় পাকচং ঘাস চাষীদের চাষের ক্ষেত্রে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

পঞ্চগড়ের এক মৌসুমে তিন ফসল
                                  

পঞ্চগড়র প্রতিনিধি : পড়ালেখা শেষ করে চাকুরীর অপেক্ষা না করে কৃষির উপর ঝুঁকেছেন পঞ্চগড় সদর উপজেলার তরুণ কৃষক আব্দুর রউফ।এখন তিনি বাণিজ্যিক ভাবে নিরাপদ কৃষি খাদ্য হিসেবে টমেটো, তরমুজ এবং শসা চাষ করে প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা আয় করার স্বপ্ন দেখছেন এই তরুন কৃষক। ইতোমধ্যে তিনি ২০ লাখ টাকা টমেটো ও শসা বিক্রি করে পুজি হাতিয়ে নিয়েছেন। অল্প সময়ের মধ্যে উৎপাদিত ক্ষেতের বাকি সব ফসল বিক্রি করতে পারবেন বলে আশাবাদী তিনি। তার এই চাষাবাদের কারনে এলাকার অনেক বেকার নারীÑপুরুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের কামারপাড়া গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলামের ছেলে আব্দুর রউফ। স্কুল জীবন থেকে পড়ালেখার পাশাপাশি তার আগ্রহ ছিলো কৃষি আবাদারে উপরে। প্রথমে ২০০৮ সালে এক একর জমিতে বিভিন্ন ফসলাদি চাষাবাদ করে লাভের মুখ দেখেন। অল্প খরজে বেশি লাভ হওয়ায় ধীরে ধীরে আবাদের পরিসংখা বাড়িয়ে দৃঢ় মনোবল নিয়ে এবার প্রায় ৩০একর জমি লিজ নিয়ে বাণিজ্যিক ভাবে টমেটো, তরমুজ এবং শসা চাষ করেছে। এর মধ্যে ১৬ একরে তরমুজ, ৯ একরে টমেটো ও ৩ একর জমিতে শসা চাষ করে উদ্যোমী এই তরুন কৃষক। এই তিন ফসল উৎপাদনে তার খরচ হয়েছে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা। তবে বিষ মুক্ত, জৈব-বালাইনাশক পদ্ধতিতে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন করায় বাজারে যেমনি এর চাহিদা বেশি তেমনি দামও পাচ্ছেন আশারও অধিক। এবার চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় তার ক্ষেতে ফলনো হয়েছে বাম্পার।
ইতি মধ্যে তিনি জমির অধিকাংশ ফসল বিক্রি করে ৩৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ক্ষেতে এখনো যে পরিমান ফসল গচ্ছিত আছে বাজারে চাহিদা অনুযায়ী অল্প সময়ের মধ্যে আরও প্রায় ৫৫ লাখ টাকায় বিক্রি করতে পারবে, খরচ বাদ দিয়ে আরও প্রায় ৭০ লাখ টাকা আয় হবে এমন আশা নিয়ে বুকে স্বপ্ন বেঁধেছেন আব্দুর, রউফ। আর তার এই ক্ষেতের উৎপাদিত ফসল সরাসরি ক্ষেতেই কিনতে বিভিন্ন জেলা থেকে ছুটে আসেন ব্যবসায়ীরা, তার ফসল স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

লালপুরে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন ভঙ্গ
                                  

লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি : বোরো ধান ঘরে উঠতে এখনো অন্তত: ২০ দিন বাকী। ধানের শীষ পোক্ত হয়নি। অথচ নাটোরের লালপুর উপজেলার ক্ষেতের ধানের শীষে সোনালী রং ধরেছে। দুর থেকে মনে হবে ধান পাকা শুরু হয়েছে। কিন্তু প্রকৃত ঘটনা তার উল্টো। অজ্ঞাত কারণে মাঠের পর মাঠ ধানের শীষের গোড়া দিকে শুকিয়ে ধান চিটা হয়ে সোনালী রং ধরেছে। ফলে উপজেলার কৃষকের সোনালী ধানের স্বপ্ন ভঙ্গ হচ্ছে প্রতিনিয়ত। কৃষকরা বলছেন ২৮, জিরা, ৮১ ও ২৯ জাতের বোরো ধানের বেশী ক্ষতি হয়েছে। উপজেলার সাঁইপাড়া মাঠে গিয়ে দেখা গেছে, মাঠের সবুজ ধানের অধিকাংশ শীষ শুকিয়ে চিটা হয়ে গেছে। কৃষকদের অনেকেই আধাপাকা ধান ধান কাটছেন। পাশেই একটি ক্ষেতে আধাপাকা ধান কেটে ফেলে রাখা হয়েছে। ধানের শীষ শুকিয়ে যাবার কারণেই ওই জমির ধান কাটা হয়েছে বলে উপস্থিত কৃষকরা জানালেন। অপর একটি ধান ক্ষেতের আধাপাকা ধান কাটতে দেখ গেল। বাকনাই গ্রামের মহির উদ্দিন জানান, তার ২ বিঘা জমির জিরা জাতের ধানের শীষ দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে। তাই তিনি কাঁচা ধান কেটে গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করছেন।
রামকৃষ্ণপুর গ্রামের কৃষক মাজেদুল ইসলাম জানালেন, তার ক্ষেতের ২৮ জাতের ধানের শীষ শুকিয়ে চিটা হয়ে যাচ্ছে। কি করবেন তার দিশে পাচ্ছেন না। বাকনাই গ্রামের মহির আলী নামের আরো এক জন কৃষক জানালেন, তার ৮ বিঘা জমির ধানের শীষ শুকিয়ে চিটা হয়ে যাচ্ছে। লালপুরের একজন কীটনাষক ওষুধ বিক্রেতার পরামর্শে ৪ হাজার টাকার বিভিন্ন প্রকার ওষুধ তিনি ধান ক্ষেতে স্প্রে করেছেন তা কোনো কাজেই আসেনি। লালপুর-সালামপুর সড়কের সুন্দরগাড়া নামক স্থানে জিল্লুর রহমান নামের এক কৃষককে শুকিয়ে যাওয়া কতগুলো ধানের শীষ হাতে নিয়ে যেতে দেখা যায়। তিনি জানালেন, সুন্দরগাড়া মাঠে তারসহ অনেক কৃষকের ক্ষেতের ধান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তিনি শুকনো ধানের শীষ নিয়ে স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার কাছে যাচ্ছেন। এর আগে ওষুধ ব্যবহার করে কোনো কাজ হয়নি বলে তিনি জানান। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, এটা একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে ধানের শীষ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তিনি ধান ক্ষেতে বেশী করে পানি রাখা সহ বিঘা প্রতি ৫ কেজি করে এমওপি সার প্রয়োগের পরামর্শ দেন কৃষকদের।

দাগনভূঞায় আয়েশা ডেইরি ফার্মের সফল উদ্যোক্তা তুহিন
                                  

শাখাওয়াত হোসেন টিপু, দাগনভূঞা : ফেনী দাগনভূঞা পৌরসভা জগতপুর ৪ নং ওয়ার্ডের আয়েশা ডেইরী এন্ড ফ্যাটেনিং ফার্ম ও নানাবিধ প্রানী, কৃষি এবং মৎস খামার প্রতিষ্ঠাতায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মো. আবু নাছের তুহিন। দাগনভূঞা প্রবীণ পল্লী চিকিৎসক আবু বকর ছিদ্দিক এর বড় ছেলে তিনি। এছাড়া দাগনভূঞা ইউনিক হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জানা যায়, ২০০০ সালে দক্ষিন আফ্রিকায় পাড়ি জমান তিনি। সেখানে গিয়ে ছোট বেলায় লালনকৃত শখের ব্যাবসা গবাদিপশু লালন পালনসহ বাণিজ্যিকভাবে ব্যাবসা করেন। পরবর্তীতে দেশে এসে ২০১৭ সালে উপার্জিত অর্থ দিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন আয়েশা ফার্ম। যেখানে গরু মোটাতাজাকরণ প্রক্রিয়া, দুগ্ধ উৎপাদন করার মুল লক্ষমাত্রা নিয়ে শুরু হয় খামার। প্রায় ৪শ ৬০ শতাংশ জায়গার উপর নানাবিধ প্রকল্পের মধ্যে ডেইরী ফার্ম এন্ড ফ্যাটেনিং সেন্টার যেখানে উন্নত জাতের হলিষ্টিন ফিজিয়ান, শাহীওয়াল, জারসি ও দেশী উন্নত জাতের গরু রয়েছে। প্রায় ৬০ টি দুগ্ধজাত গরু প্রতিদিন গড়ে একশ লিটার দুধ বাজারজাত করা হয়। এছাড়া উন্নতজাতের ছাগল যমুনা পাড়ি ১৫ টিসহ হাঁস, মুরগী, কবুতর রয়েছে। তিনশ শতাংশের উপর ইরি ধানের চাষাবাদে যুক্ত করেছেন মৌসুমি শাকসবজি, কলার চাষ, কচু, কুমড়া, মাছের খামার। মাষ্টার প্লান নিয়ে সাজানো হয়েছে এ বিশাল খামারটি। যা পৌরসভায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন। লোকবল রয়েছে আটজন যারা বেকারত্ব দূরীকরণে আত্নকর্মসংস্থানে নিয়োজিত এ খামারে। এমন সুন্দর উদ্যোগ জনগনের পুষ্টি চাহিদার পাশাপাশি সমন্বিত খামার পৌরসভায় অন্যতম একটি। ইরি ও শাকসবজি উৎপাদনে বেশ সাফল্য আসছে বলে জানান তিনি। মাত্র তিন বছরে গরুকে বাণিজ্যিকভাবে বড় করা হলে লাখ লাখ টাকা বাৎসরিক আয় করা সম্ভব বলে জানান তুহিন। ৪৬০ শতক ভূমির উপর কোন অংশ অনাবাদি নেই। সমস্ত জমিকে আবাদে আনার লক্ষমাত্রা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে দিনরাত পরিশ্রম করছেন এ যুবক উদ্যোক্তা। এ বিষয়ে ফার্মের পরিচালক আবু নাছের তুহিন বলেন, সময় নষ্ট না করে পরিশ্রমী হলে সফলতা অর্জন সম্ভব। যে কেউ আয়েশা ডেইরি ফার্মে একবার হলেও ভিজিট করার অনুরোধ জানান। এতে নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহ বাড়বে বলে মনে করেন তিনি। উপজেলা প্রানি সম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মোহাম্মদ তারেক মাহমুদ বলেন, আয়েশা ডেইরি এন্ড ফ্যাটেনিং ফার্মের বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা রয়েছে।

দাগনভূঞায় আয়েশা ডেইরি ফার্ম ও অনাবাদিকে আবাদে পরিকল্পনার সফল উদ্যোক্তা তুহিন
                                  

দাগনভূঞা প্রতিনিধি : ফেনী দাগনভূঞা পৌরসভা জগতপুর ৪ নং ওয়ার্ডের আয়েশা ডেইরী এন্ড ফ্যাটেনিং ফার্ম ও নানাবিধ প্রানী, কৃষি এবং মৎস খামার প্রতিষ্ঠাতায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মো. আবু নাছের তুহিন। দাগনভূঞা প্রবীণ পল্লী চিকিৎসক আবু বকর ছিদ্দিক এর বড় ছেলে তিনি। এছাড়া দাগনভূঞা ইউনিক হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জানা যায়, ২০০০ সালে দক্ষিন আফ্রিকায় পাড়ি জমান তিনি। সেখানে গিয়ে ছোট বেলায় লালনকৃত শখের ব্যাবসা গবাদিপশু লালন পালনসহ বাণিজ্যিকভাবে ব্যাবসা করেন। পরবর্তীতে দেশে এসে ২০১৭ সালে উপার্জিত অর্থ দিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন আয়েশা ফার্ম। যেখানে গরু মোটাতাজাকরণ প্রক্রিয়া, দুগ্ধ উৎপাদন করার মুল লক্ষমাত্রা নিয়ে শুরু হয় খামার। প্রায় ৪শ ৬০ শতাংশ জায়গার উপর নানাবিধ প্রকল্পের মধ্যে ডেইরী ফার্ম এন্ড ফ্যাটেনিং সেন্টার যেখানে উন্নত জাতের হলিষ্টিন ফিজিয়ান, শাহীওয়াল, জারসি ও দেশী উন্নত জাতের গরু রয়েছে। প্রায় ৬০ টি দুগ্ধজাত গরু প্রতিদিন গড়ে একশ লিটার দুধ বাজারজাত করা হয়। এছাড়া উন্নতজাতের ছাগল যমুনা পাড়ি ১৫ টিসহ হাঁস, মুরগী, কবুতর রয়েছে। তিনশ শতাংশের উপর ইরি ধানের চাষাবাদে যুক্ত করেছেন মৌসুমি শাকসবজি, কলার চাষ, কচু, কুমড়া, মাছের খামার। মাষ্টার প্লান নিয়ে সাজানো হয়েছে এ বিশাল খামারটি। যা পৌরসভায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন। লোকবল রয়েছে আটজন যারা বেকারত্ব দূরীকরণে আত্নকর্মসংস্থানে নিয়োজিত এ খামারে। এমন সুন্দর উদ্যোগ জনগনের পুষ্টি চাহিদার পাশাপাশি সমন্বিত খামার পৌরসভায় অন্যতম একটি। ইরি ও শাকসবজি উৎপাদনে বেশ সাফল্য আসছে বলে জানান তিনি। মাত্র তিন বছরে গরুকে বাণিজ্যিকভাবে বড় করা হলে লাখ লাখ টাকা বাৎসরিক আয় করা সম্ভব বলে জানান তুহিন।
৪৬০ শতক ভূমির উপর কোন অংশ অনাবাদি নেই। সমস্ত জমিকে আবাদে আনার লক্ষমাত্রা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে দিনরাত পরিশ্রম করছেন এ যুবক উদ্যোক্তা।
এ বিষয়ে ফার্মের পরিচালক আবু নাছের তুহিন বলেন, সময় নষ্ট না করে পরিশ্রমী হলে সফলতা অর্জন সম্ভব। যে কেউ আয়েশা ডেইরি ফার্মে একবার হলেও ভিজিট করার অনুরোধ জানান। এতে নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহ বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।
উপজেলা প্রানি সম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মোহাম্মদ তারেক মাহমুদ বলেন, আয়েশা ডেইরি এন্ড ফ্যাটেনিং ফার্মের বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা রয়েছে।

মানিকছড়িতে সৌর বিদ্যুতের প্যানেলে চলছে আধুনিক চাষাবাদ
                                  

আলমগীর হোসেন, (খাগড়াছড়ি) : বিদ্যুৎবিহীন লোকালয়ে হত-দরিদ্র জনগোষ্টি’র ঘর-বাড়ী, সরকারী অফিস-আদালত, রাস্তা-ঘাটে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে নিরাপত্তা স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি সৌর বিদ্যুতের বদৌলতে কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটতে যাচ্ছে উপজেলার তৃণমূলে। দেশকে ডিজিটালের আওতায় আনতে বিদ্যুৎবিহীন জনপদে চলছে সৌর বিদ্যুতে জনপদ আলোকিত করার কাজ। ২০১৬-২০২১ পর্যন্ত মানিকছড়ি উপজেলার প্রত্যন্ত জনপদে স্কুল-মাদরাসা, মসজিদ-মন্দির, ক্যায়ং, দরিদ্র পরিবার, জনসমাগমস্থল (অফিস-আদালত, রাস্তা-ঘাট) উপজেলার বিভিন্ন স্থানে হোম সিস্টেম ও স্ট্রীট লাইট স্থাপনের পাশাপাশি তৃণমূলের (বিদ্যুৎবিহীন জনপদে) কৃষক সমাজে পরিবর্তন আনতে এবং অনাবাদী কৃষি জমিতে অনায়াসে ফসল উৎপাদনে ডিজিটালের হাওয়া ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। উপজেলার একাধিক স্পটে বিশাল বিলে স্থাপন করা হয়েছে সৌর বিদ্যুৎ প্যানেল। গত ২০১৯-২০অর্থ বছরে ‘বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন’ উপজেলার বড়বিলস্থ পৃথক দুটি বিলের (৫০একর) একপাশে স্থাপন করেছে সৌর বিদ্যুৎ প্যানেল। এতে ওই বিলের সিংহভাগ কৃষক মোটর দ্বারা গভীর নলকূপ ও ছড়া বা খাল থেকে প্রতিনিয়ত পানি উত্তোলন করে অনায়াসে চাষাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের মনে এখন রঙ্গিন স্বপ্ন। সরজমিন ঘুরে দেখা গেছে, গত ২০১৮-২০ অর্থবছরে উপজেলা অনগ্রসর জনপদ তিনটহারী ও বড়বিল এলাকার বিশাল বিলের (প্রায় ৫০একর ধান্য জমি) একাংশে ‘বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)’ স্থাপন করেছে সৌর বিদ্যুৎ প্যানেল। এতে করে ওই জমির কৃষকরা সৌর বিদ্যুতে অনায়াসে খাল থেকে পানি তুলছে এবং বছরব্যাপি ধান, ভুট্টা, মরিচ, টমেটোসহ বিভিন্ন শাক-সবজি চাষ করছে। পানি নিয়ে এখন আর তাদের চিন্তা করতে হয় না। এছাড়া উপজেলা প্রত্যন্ত জনপদে কৃষকরা সরকারী উদ্যোগের পাশাপাশি কৃষকরা নিজ উদ্যোগে সেচ ব্যবস্থা করে কৃষি ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটিয়েছে। এ প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাসিনুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন সময়োপযোগী একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা উপকারভোগী হতে পারবে।
কৃষকরা এ প্রকল্পের সুযোগ গ্রহন করে কৃষিক্ষেত্রে নিজেদেরকে পরিবর্তনের সুযোগ নিতে উৎসাহ দিচ্ছি। তাছাড়াও কৃষি ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযু্িক্ত ব্যবহারে কৃষি বিভাগ হতে প্রয়োনীয় পরার্মশ প্রদান করা হচ্ছে।

দেওয়ানগঞ্জ বালুঝড়ে বোরোধানের ব্যাপক ক্ষতি
                                  

দেওয়ানগঞ্জ প্রতিনিধি : জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় ৮টি ইউনিয়ন চিকাজানি, দেওয়ানগঞ্জ, চুকাইবাড়ী, হাতীভাঙ্গা, বাহাদুরাবাদ, চর আমখাওয়া, ডাংধরা ও পাররামরামপুর ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে যায বালুঝড়। ৪ এপ্রিল রবিবার বিকেল ২ টা থেকে ৬টা পর্যন্ত বালুঝড়ের প্রচন্ড বাতাসে বোরো ধান , ভুট্রা ও কলা গাছের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে হতাশায় ভুকছে কৃষক। গরম বাতাসের তান্ডব বয়ে যাওয়ায় উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে ধান সাদা হয়ে গেছে, কলা বাগানের ক্ষতি হয়েছে, অপরিপক্ষ ভুট্রা গাছের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় কৃষক হতাশায় ভূকছে । কৃষকদের হিসাব মতে, তাদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। কিন্ত কৃষি বিভাগ বলছেন ৪০ হেক্টর। চুকাইবাড়ী ইউনিয়নের তালতলা গ্রামের কৃষক জাহের আলী বলেন, আমি ধার দেনা করে ২ বিঘা জমিতে বি-২৮ ধানের চাষ করেছি এতে খরচ হয়েছে ২৪ হাজার টাকা, ৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় সারাদেশে ঝড়ো হাওয়ার সময় দেওয়ানগঞ্জে শুধু ধুলা আর গরম বাতাস হয়েছে। পরদিন সকালে জমিতে গিয়ে দেখি ধানের সবুজ শীষ সাদা রঙে পরিণত হয়েছে। ফসলের যে ক্ষতি হযেছে তাতে ছেলে মেয়ে নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে। ডালবাড়ী এলাকার কৃষক নূর মোহাম্মদ বলেন, সুদের ওপর টাকা নিয়ে ২ বিঘা জমিতে বোরো চাষ করেছিলাম। বালুঝড়ে ধান সাদা হয়ে ছিটা হয়েছে, লাভের টাকা দেওয়া ও ছেলে মেয়ের খরচ কি করে দিমু, এব্যাপারে কৃষি অফিস থেকেও কোন খোঁজখবর নেয় নাই আমাদের। পাররামরামপুর ইউনিয়নের বাশতলি গ্রামের আইনাল হক বলেন, যেগুলোতে দুধ এসেছিল, সেগুলোই সাদা হয়ে গেছে। নিচের অর্থাৎ শেষ দিকের লাগানো জমিগুলোই এমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোনো ঝড় না কিছু না একটা প্রচন্ড গরম অনুভূত হয়। আর এরপরই সকালে আমরা মাঠে এসে এমনটা দেখতে পাই।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উপজেলায় ৯ হাজার ৮১০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। তার মধ্যে ৪০ হেক্টর জমির ধান আক্রান্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৪ হেক্টর জমি। দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার দিলরুবা ইয়াসমিন জানান, উপজেলায় ৪০ হেক্টর জমি আক্রান্ত হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ পাওয়া গেছে ৪ হেক্টর জমির ধান। ৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় উপজেলায় গরম বাতাসের তান্ডব হয়েছে। এ তান্ডবেই জমিতে ধানের ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত জমিতে নিয়মিত পানি ধরে রাখতে পারলে ক্ষতি কম হবে বলে তিনি জানান।

স্ট্রবেরি চাষ করে লাভবান যশোরের আব্দুল আলীম
                                  

বেনাপোল প্রতিনিধি : শখ করে স্ট্রবেরি চাষ করে অধিক লাভবান হয়েছেন যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বেকার যুবক আব্দুল আলীম। তিনি উপজেলার ফতেপুর গ্রামের বাসিন্দা। শখ করে স্ট্রবেরি চাষ করছেন তিনি। মাত্র ৭ শতক জমিতে স্ট্রবেরি চাষ করে ৬০ হাজার টাকার ফল বিক্রি করেছেন তিনি। আগামী এক মাসে আরো ৪০-৫০ হাজার টাকার স্ট্রবেরি বিক্রির আশা করছেন। চাহিদা, দাম ও ফলন ভালো হওয়ায় আগামী মৌসুমে তিনি বেশি জমিতে স্ট্রবেরি চাষ করবেন। আব্দুল আলীম জানান, উপজেলা কৃষি অধিদফতরে উচ্চ মূল্যের ফসলের চাষের ওপর ট্রেনিং নেয়ার পর ৭ শতক জমিতে জানুয়ারি মাসের দিকে এক হাজার স্ট্রবেরি গাছের চারা লাগান। চারা লাগানোর মাস খানেক পর গাছে ফল আসে। এক হাজার স্ট্রবেরি গাছের চারা তিনি ২০ হাজার টাকায় কিনেছিলেন। তার হিসেব মতে জমি প্রস্তুুত, কীটনাশক ও সেচসহ চাষে খরচ হয়েছে ২২-হাজার টাকা। বর্তমান এ অঞ্চলে আটটি স্ট্রবেরি প্যাকেট পাইকারী বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। বাড়িতে খাওয়ার পর ইতোমধ্যে ৬০ হাজার টাকার স্ট্রবেরি বিক্রি করেছেন তিনি। আরো মাস খানেক ফলন পাওয়ার কথা জানান তিনি। ৭ শতক জমি থেকে লাখ টাকার ওপরে স্ট্রবেরি বিক্রির আশা করছেন কৃষক আব্দুল আলীম। উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা আইয়ুব হোসেন জানান, পুষ্টিসমৃদ্ধ এ স্ট্রবেরির বাজারে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাজারে দামও অনেক ভালো। চার মাসের এ চাষে চারার দাম ছাড়া খুব বেশি খরচ নেই, তাই স্ট্রবেরি চাষে লাভের সম্ভাবনা খুব বেশি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাসুদ হোসেন পলাশ জানান, সরকার কৃষি ও কৃষককে এগিয়ে নিতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। যার মধ্যে উচ্চ মূল্যের ফসল চাষের ওপর কৃষকদের ট্রেনিংও দেয়া হচ্ছে। ট্রেনিং পেয়ে কৃষকদের এ জাতীয় উচ্চ মূল্যের ফসল চাষে আগ্রহ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

মির্জাগঞ্জে তরমুজের বাম্পার ফলন
                                  

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : গরমকালের তৃপ্তিদায়ক ও উপকারী ফল তরমুজ। এ বছর মির্জাগঞ্জে গত বছরের চেয়ে তিনগুণ বেশি আবাদ হয়েছে তরমুজ। তরমুজের বাম্পার ফলন হওয়ায় হাসি ফুটেছে কৃষকদের মুখে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ক্ষেতগুলোতে তরমুজের ব্যাপক সমারোহ। আকার বড় ও ফলন ভালো হওয়ায় ফসল তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। অন্যদিকে স্থানীয় বাজারগুলোতে তরমুজ বেচাকেনা জমে উঠেছে। কিন্তু গত তিনদিন ধরে পূর্ণিমার প্রভাবে পূবের বাতাসে মির্জাগঞ্জ এলাকার ওয়াবদা বেড়িবাঁধের বাইরের এলাকাগুলোতে পানি উঠে আবার নেমে ভাটায় নেমে যায়। সব মিলিয়ে সামান্য কিছু ক্ষতি হলেও যা লাভ হয়েছে তাতেই খুশি কৃষকরা। সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ মির্জাগঞ্জ গ্রামে বিস্তীর্ণ চর জুড়ে রয়েছে তরমুজের ক্ষেত। ইতোমধ্যে ক্ষেত থেকে তরমুজ তুলে পাইকারী ও খুচরা বিক্রি শুরু করেছেন চাষিরা। এর মধ্যেই গত তিনদিন ধরে পূর্ণিমার প্রভাবে জোয়ারের পানিতে ওই এলাকার তরমুজ ক্ষেতসহ অন্যান্য রবি শস্যে পানি উঠে আবার পানি সরে যায়। এতে অনেক তরমুজ গাছ ও তরমুজে পচন ধরে। এছাড়া উপজেলার দেউলি সুবিদখালী ইউনিয়নের পশ্চিম সুবিদখালী গ্রামে বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে রয়েছে কৃষকদের কর্মব্যস্ত। এবারে বাম্পার ফলন হয়েছে এখানে।
কৃষকরা রয়েছেন খোশ মেজাজে। তরমুজ আবাদের মধ্য দিয়ে গত বছরের করোনার ধকল কাটিয়ে উঠছেন কৃষকরা। তবে সবকিছু ঠিক থাকলে, বিশেষ করে প্রকৃতি অনুকূলে থাকলে তরমুজ চাষে তিনগুন লাভবান হবে বলে স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন।
দক্ষিন মির্জাগঞ্জ এলাকার তরমুজ চাষি হাবিব তালুকদার বলেন, প্রায় ৩ একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েক হাজার টাকার তরমুজ বিক্রি করেছি। দুইদিন আগে দুপুরের পর পূর্ণিমার জোয়ারের পানিতে আমার পুরো ক্ষেত ডুবে গেছিলো।
পশ্চিম সুবিদখালী গ্রামের কৃষক মো. ইউসুফ হাওলাদার বলেন, প্রায় ৪ মাস আগে ৪ একর জমিতে তরমুজ চাষ শুরু করেন। ক্ষেতে খুব ভালো ফলন হয়েছে। এ পর্যন্ত আমার ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এখন পুরো ক্ষেতের তরমুজ ৫-৬ লাখ টাকায় বিক্রি করতে পারবো।
সুবিদখালী বাজারের তরমুজ ব্যবসায়ী মো. আব্বাস উদ্দিন বলেন, গত বছর করোনাকালীন সময়ে তরমুজ বাজারে বিক্রি করতে পারেননি। এবারে তরমুজের ফলন ভালো হয়েছে। দামও চড়া। তারা চাষিদের কাছ থেকে গড়ে প্রতিটি তরমুজ ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় কিনেছেন। স্থানীয় বাজারে তা আকার ভেদে বিক্রি করা হচ্ছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আরাফাত হোসেন বলেন, এ উপজেলায় তরমুজ আবাদ হতো না বললেই চলে। তবে গত কয়েক বছর  ধরে তরমুজের বাম্পার ফলন হওয়ায় তরমুজ চাষে কৃষকদের আগ্রহ বেড়েছে। গত বছরের চেয়ে এ বছর তরমুজের আবাদ তিনগুণ হয়েছে। বর্তমানে বাজারও অনেক ভালো রয়েছে। আগামীতে অনেক কৃষক তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠবেন। তবে মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের বেড়িবাধের বাইরের এলাকাগুলো কয়েকদিন আগে জোয়ারের পানি উঠে আবার নেমে যায়। কৃষকদের কাছ থেকে ক্ষতি হওয়ার কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

কাল বৈশাখি ঝড়ে লন্ডবন্ড সিলেটে সূর্যমুখী বাগানগুলো
                                  

সিলেট প্রতিনিধি : সিলেট জুড়ে গত তিন-চার দিন ধরে কালবৈশাখী ঝড়ে লন্ডবন্ড হয়েছে সিলেটের সূর্যমুখী বাগান গুলো। কালবৈশাখী ঝড়ের কারণে বড় ধরণের ক্ষতি হয়েছে বাগান মালিকদের। কৃষকরা মাথায় দিয়ে বসে আছেন বাগানের সম্মুখে। বৃহত্তর সিলেট জেলায় সূর্যমুখী বাগান গুলো দৃষ্টিন্দন কাড়ার মত ছিলো। সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ জেলায় কয়েক হেক্টর জমিতে কৃষকরা সূর্যমুখী বাগান করেছেন। চৈত্র মাসের মাঝা-মাঝি কালবৈশাখী ঝড়ে কৃষকদের স্বপ্ন লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। ২০২০ সালে দেশ জুড়ে করোনায় এদিকে যেমন  ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে ছিলেন কৃষক সে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চেয়ে ছিলেন ২০২১ সালে কৃষকরা কৃষি চাষের ক্ষেত্রে বেশ গুরুত্ব দিয়ে, তাহাও স্বপ্ন ভেঙে দিলো কাল বৈশাখি ঝড়। সিলেট জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়- এ বছর সিলেট জুড়ে বাম্পার ফলন  হয়ে ছিল সূর্যমুখী বাগানের মাধ্যমে।
শুধু মাত্র সিলেট জেলায় প্রায় ১০০ জন কৃষক প্রায় ৯০ হেক্টর জমিতে সুর্যমুখীর হাইসান-৩৩ জাত চাষাবাদ করা হয়েছিল। গত তিন-চার দিনের ঝড়ের আঘাতের কৃষকদের প্রায় লক্ষা দিক টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। এ দিকে সূর্যমুখী বাগান মালিকরা জানান, এ বছর আগাম বৈশাখী ঝড়ে এসেছে বিধায় ক্ষতি হয়েছে। বাগান জুড়ে চোখ জুড়ানো মনমুগ্ধ কর হলুদের সমারোহ ছিল। সবুজ গাছে থাকা এসব হলদে ফুল সূর্যের দিকে মুখ করে বাতাসে দুলতো । ফুলে ফুলে ঘুরে বেড়াতো মৌমাছি ও প্রজাপতি। এ ক্ষতি কিভাবে পুষাবেন কৃষকরা এ নিয়ে দুচিন্তায় আছেন। সরকারের কাছে সহযোগীতা চেয়েছেন কৃষকরা।

কুলাউড়ায় বিভিন্ন চা বাগানে চা পাতা উত্তোলন শুরু
                                  

শুভশ্রী দেব, কুলাউড়া : বিভিন্ন ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান ও উৎসব মুখর পরিবেশে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বিভিন্ন বাগানে নতুন বছরের চা পাতা উত্তোলন শুরু হয়েছে। মৌসুমের প্রথম বৃষ্টিপাত হওয়ায় চা গাছ গুলোতে নতুন কুঁড়ি বের হওয়া শুরু করেছে। সোমবার সকালে মেরিনা চা-বাগানের ৭ নং সেকশনে পূজা অর্চনা ও দোয়া-দুরুদ পাঠের পর আনুষ্ঠানিক ফিতা কেটে চা পাতা উত্তোলনের উদ্বোধন করেন বাগান ব্যবস্থাপক রবিউল হাসান। এছাড়াও গাজীপুর, কালিটি, দিলদারপুর, ক্লিভডন চা-বাগানেও নানা উৎসবের মাধ্যমে নতুন বছরের চা পাতা উত্তোলনের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এসময় বাগানের ম্যানেজারগন, অন্যান্য স্টাফগনসহ প্রায় শত শত চা শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন। সারা বছর যাতে প্রচুর উন্নতমানের পাতা পাওয়া যায় এবং আবহাওয়া অনুকুলে থাকে এই কামনায় আয়োজন করা হয় দোয়া-দুরুদ, বনদেবীর পূজা, বৃক্ষ পূজাসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠান। পরে নতুন দুটি পাতা ও একটি কুঁড়িকে স্বাগত জানিয়ে চা শ্রমিকরা নাচে গানে মেতে উঠেন। এরপর বাগান কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে সবাইকে মিষ্টিমুখ করানো হয় এবং চা শ্রমিকদের নগদ বকশিস দেওয়া হয়েছে।

যমুনেশ্বরীর বুকে বোরোচাষ
                                  

রংপুর প্রতিনিধি : রংপুরের তারাগঞ্জে নদী এখন কৃষকের সোনালি ফসলের মহোৎসব। বর্ষা মৌসুমে হাজারো মানুষের ঘর-বাড়ি ও ফসলি জমি বিলীন হয়ে যায় এই নদীতে। আজ সময়ের সেই খরস্রোত যৌবন হারিয়ে এখন বোরো ধানসহ বিভিন্ন ফসল চাষাবাদে তার বুক জুড়ে পরিণত হয়েছে সবুজে ভরা। কৃষকের সেই চরে একমাত্র জীবন বাঁচার স্বপ্ন হয়ে আছে যমুনেশ্বরী। বর্ষাকালে পানি ও ফসলি জমির আর্দ্রতা ধরে রাখে একমাত্র খাঁরুভাজ, চিকলী ও যমুনেশ্বরী ছোট বড় প্রায় তিনটি নদী। প্রায় ৩৭ কিলোমিটার এই উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে নদীপথ। বর্ষার মৌসুমে প্রাকৃতিক পানি নিষ্কাশন হয়ে থাকে এই নদীগুলো দিয়ে। তার কাল থাকে মাত্র ১-৩ মাস সময় পেরিয়ে গেলে হয়ে পড়ে মরুভূমি। বিগত কয়েক বছর ধরে নদী শুকিয়ে যাওয়ায় নদীর বুকে সফলভাবে বোরো ধান, আলু, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলুসহ বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করছে স্থানীয় কৃষকরা। অথচ এই নদী ছিল এক সময় তারাগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে নৌপথে বিভিন্ন জেলার একমাত্র যোগাযোগ ব্যবস্থা। সেই খরস্রোতা নদী এখন শুকিয়ে মরা খালে পরিণত হয়েছে। ঘনিরামপুর ঝাকুয়াপাড়া গ্রামের কৃষক আজিজার রহমান বলেন, নদীর পাশে জমি আছিল ‘হামার জমি নদীত ভাঙি গেইছে’, এখন চর হইছে। সেই চরত বোরো ধান আবাদ করছি। খুব ভালো ফলন হইচে। রহিমাপুর হাজিপাড়া গ্রামের কৃষক জোবায়ের রহমান বলেন, নদী হামার এখন আবাদের মূল হয়া গেইছে। নদীর চরে ধান, গম, ভুট্টা, আলুসহ সবজি চাষ করে ভালো ফলন পাওয়া যাওচে। এলাকাবাসী জানান, জলবায়ুর পরিবর্তন আর প্রাকৃতিক বিরূপ প্রভাবের কারণে নদীটির বাস্তব চিত্র সবুজে ঘেরা ফসলের মাঠে পরিণত হয়েছে। আর সেই চরে কৃষক-কৃষাণিরা দিনভর কাজ করে সোনার ফসল ঘরে তুলছেন।
রহিমাপুর চাকলা খেয়াঘাটের প্রবীণ মাঝি আবজারুল ইসলাম বলেন, এই নদীতে এক সময় বিভিন্ন প্রান্ত হতে বড় নৌকায় চড়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করতেন। আজ সেই নদী এখন মরা খাল। নদীর পানি দিয়ে এক সময় বোরো চাষাবাদ হতো। এখন সেসব শুধুই স্মৃতি। নদীকে বাঁচাতে হলে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। সরকারিভাবে নদী খননের মধ্য দিয়ে আবারও ফিরিয়ে আনতে হবে নদীর সেই নাব্যতা ও ভরা যৌবন।
নদীর বাস্তব চিত্র দেখে উপজেলার সচেতন প্রবীণদের ধারণা আগামী ১০ বছর পর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে কবির কাব্য কথাশিল্পীর গানের কথার মতই হয়তোবা মনে করবে, এই খানে এক নদী ছিল। আজ শুধুই স্মৃতিচারণ হয়ে থাকবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঊর্মি তাবাস্সুম বলেন, নদীর বুক জুড়ে দুই ধারে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হেক্টর বোরো ধান, ভুট্টা, আলু, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলুসহ নানা ফসল চাষাবাদ হয়েছে।

পাইকগাছায় সজিনার ব্যাম্পার ফলন
                                  

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি : আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর সর্বোচ্চ সজিনার ফলন হয়েছে পাইকগাছায়। সজিনায় বেসি দাম পাওয়ায় খুশি চাষীরা। শুরুতে সজিনার কেজি একশ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে ৭০/৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মূল্যবেশি পাওয়ায় কৃষকরা সজিনার ডাল রোপন করতে উৎসাহিত হচ্ছে। বসতবাড়ীর আশে পাশে রাস্তার ধারে ক্ষেতের আইলে লাগানো সজনে গাছ যত্ন ছাড়াই অবহেলার মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠে। সজিনা পুষ্টি ও ভেজষগুনে ভরা সবজি হিসাবে খুব দামী। কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ১৯ সালে ১৬ হাজার ও ২০ সালে ৯ হাজার মোট ২৫ হাজার সজিনার শাখা বা ডাল রোপন করা হয়েছে। রোপনকৃত ডালে প্রায় ৩০ শতাংশ মারা গেছে। দেশে ২টি জাত আছে, একটি হালো সজিনা ও আর একটি নজিনা। ভারত থেকে হাইব্রিড সজিনার জাত এদেশে এসেছে। এ জাতের বীজ বপণ করে লাগাতে হয়। হাইব্রিড জাতের সজিনা গাছে দু’বার ফুল আসে। ফেব্রুয়ারী-মার্চ ও জুন-জুলাই মাস। গত বছর উপজেলায় ২১ হাজার সজিনার ডাল রোপন করা হয়েছে। সজিনা গাছের পাতা, ফুল, ফল, ব্যাকল ও শিকড় সবই মানুষের উপকারে আসে। সজিনার পুষ্টি গুন অনেক বেশী। এ গাছের অনেক গুন থাকায়, এ গাছকে যাদুর গাছ বলা হয়। কাঁচা সবুজ পাতা রান্না করে, ভত্তা করে ও বড়া ভেজে খাওয়া যায়। ফল সবজির মত রান্না করে খাওয়া যায়, ফল পাকলে সে সব ফলের বীজ বাদামের মতো ভেজে খাওয়া যায়। সজিনার পাতা, ফল, ফুল, বীজ, ছাল, মুলের ভেজষ গুণও আছে। তাই সজিনা গাছের বিভিন্ন অংশ ভেজষ চিকিৎসায় কাজে লাগে। সজিনার পাতার পুষ্টিগুন বেশী, যেভাবে খাওয়া হোক না কেন তা শরীরে পুষ্টি যোগাবে, আর ঔষধীগুন তো আছেই। সজিনার পাতায় যে পরিমাণ পুষ্টি রয়েছে তা অনেক পুষ্টিকর খাবারেও নেই। যেমন, ডিমের চেয়ে বেশী আমিষ, দুধের চেয়ে বেশী ক্যালশিয়াম, কমলার চেয়ে বেশী ভিটামিন সি, কলার চেয়ে বেশী ক্যালশিয়াম, গাজরের চেয়ে বেশী ভিটামিন এ আছে। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, এ বছর অসময়ে ঝড়বৃষ্টি হয়নি, সজিনার ফুল আসার আহে শৈতপ্রবাহ হয়নি ও কুয়াশাও তেমন একটা পড়েনি।
সর্বপরি আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বিগত কয়েক বছরের মধ্যে এ বছর সজিনার সর্বোচ্চ ফলন হয়েছে। তিনি আরো জানান, উপজেলার প্রতি বাড়ীতে কমবেশি সজিনা গাছ আছে। সজিনা পুষ্টিকর সবজি হিসাবে ব্যাপক চাহিদা থাকায় কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের পরিকল্পিতভাবে সজিনা ক্ষেত গড়ে তোলার জন্য উদ্ভুদ্ধ করা হচ্ছে। প্রতি বছর উপজেলায় সজিনা গাছের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কৃষকরা সজিনার উচ্চমূল্য পাওয়ায় তারা লাভবানও হচ্ছে।


   Page 1 of 16
     কৃষি সংবাদ
গাইবান্ধায় বেড়েছে কাউন চাষ
.............................................................................................
ফলন ভালো না হলেও দামে খুশি মুগডাল চাষিরা
.............................................................................................
বৈরী আবহাওয়ায় ঝরে পড়ছে আম-লিচু শঙ্কায় বাগান মালিকরা
.............................................................................................
দীর্ঘদিন ধরে পাকচং ঘাস চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন সাবলম্বী কৃষকরা
.............................................................................................
পঞ্চগড়ের এক মৌসুমে তিন ফসল
.............................................................................................
লালপুরে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন ভঙ্গ
.............................................................................................
দাগনভূঞায় আয়েশা ডেইরি ফার্মের সফল উদ্যোক্তা তুহিন
.............................................................................................
দাগনভূঞায় আয়েশা ডেইরি ফার্ম ও অনাবাদিকে আবাদে পরিকল্পনার সফল উদ্যোক্তা তুহিন
.............................................................................................
মানিকছড়িতে সৌর বিদ্যুতের প্যানেলে চলছে আধুনিক চাষাবাদ
.............................................................................................
দেওয়ানগঞ্জ বালুঝড়ে বোরোধানের ব্যাপক ক্ষতি
.............................................................................................
স্ট্রবেরি চাষ করে লাভবান যশোরের আব্দুল আলীম
.............................................................................................
মির্জাগঞ্জে তরমুজের বাম্পার ফলন
.............................................................................................
কাল বৈশাখি ঝড়ে লন্ডবন্ড সিলেটে সূর্যমুখী বাগানগুলো
.............................................................................................
কুলাউড়ায় বিভিন্ন চা বাগানে চা পাতা উত্তোলন শুরু
.............................................................................................
যমুনেশ্বরীর বুকে বোরোচাষ
.............................................................................................
পাইকগাছায় সজিনার ব্যাম্পার ফলন
.............................................................................................
কুল চাষে সফল আজগর আলী
.............................................................................................
হাকালুকি হাওরে এখন সূর্যমুখী
.............................................................................................
বীরগঞ্জ বাজারে উঠতে শুরু করেছে নতুন তরমুজ
.............................................................................................
মেক্সিকো ও আমেরিকার ‘চিয়া’ চাষ হচ্ছে ঝিনাইদহে
.............................................................................................
জগন্নাথপুরে এবার সূর্য্যমুখির বাম্পার ফলন
.............................................................................................
রায়গঞ্জের খালবিল এখন ধান ও মাছ চাষের পুকুর
.............................................................................................
রংপুরে বাড়ছে আলুর দাম
.............................................................................................
গোয়াইনঘাটে সূর্যমুখীর বাম্পার ফলন
.............................................................................................
ত্বীন ফলের চাষ দিনাজপুরে
.............................................................................................
তিস্তা চরের পতিত জমিতে সবজি চাষ
.............................................................................................
বিষমুক্ত নিরাপদ ফল চাষে ঝুঁকছে চাষীরা
.............................................................................................
সঙ্কট না থাকলেও সিন্ডিকেটের কারণে বাড়ছে সারের দাম
.............................................................................................
শায়েস্তাগঞ্জ সীম চাষে স্বাবলম্বী সোহাগ
.............................................................................................
দাগনভূঞা অনাবাদি জমিতে চাষাবাদ
.............................................................................................
হরিনাকুণ্ডতে সূর্যমুখী ফুল চাষে ঝুকছে কৃষকরা
.............................................................................................
লক্ষমাত্রা ১১ হাজার হেক্টর জমিতে ঝালকাঠিতে বোরো চাষ
.............................................................................................
স্ট্রবেরি চাষে সাবলম্বী দেলোয়ার
.............................................................................................
ভুট্টায় স্বপ্ন দেখছে কাজিপুরের যমুনা চরের কৃষকরা
.............................................................................................
গোয়াইনঘাটে সবজি চাষে স্বাবলম্বী দিদার
.............................................................................................
আনোয়ারায় নিরাপদ সবজি চাষ উপজেলা প্রশাসনের সাফল্য
.............................................................................................
ইরি বোরো চারা রোপনে ব্যস্ত কৃষকরা
.............................................................................................
ডামুড্যায় গাছে গাছে উঁকি দিচ্ছে আমের মুকুল
.............................................................................................
বীরগঞ্জে বাড়ছে সরিষা চাষ
.............................................................................................
কাশ্মিরি আপেল কুল চাষ বিক্রির আশা ৫ লাখ টাকা
.............................................................................................
ভোলায় বাড়ছে ক্যাপসিকাম চাষ
.............................................................................................
কুলাউড়ায় জলাবদ্ধ জমিতে বারি লাউ চাষ
.............................................................................................
বিষমুক্ত ও ফলন বেশি বিটি বেগুন চাষে আগ্রহী কয়রার কৃষকরা
.............................................................................................
নওগাঁয় আগাম জাতের আলু চাষ
.............................................................................................
ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন ১৫ হাজার চাষি
.............................................................................................
৪৫ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ
.............................................................................................
কমলগঞ্জে সফল চাষি আসিয়া বেগম
.............................................................................................
বন্যা-জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তির আশায় নিম্নাঞ্চলের কৃষকরা
.............................................................................................
বৈরী আবহাওয়ার কারণে লোকসানে কমলা চাষিরা
.............................................................................................
শীতকালীন সবজি চাষে ঝুঁকছে কৃষকরা
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop