ঢাকা,বৃহস্পতিবার,৩১০ ভাদ্র ১৪২৮,১৩,মে,২০২১ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > সাধারণ মানুষকে অবাক করে খাবার তুলে দিচ্ছেন ইউএনও তানভীর   > করোনা ভাইরাসের মধ্যেও দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে: পানিসম্পদ উপমন্ত্রী শামীম   > শ্রীনগরে চাঁদা না দেওয়ায় প্রবাসীকে মারধরের অভিযোগ   > গাইবান্ধায় বেড়েছে কাউন চাষ   > সিরাজদিখানে দেড় হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার   > সিলেটে আতিকুর রহমানের সমর্থনে দক্ষিণ সুরমা জাতীয় পার্টির কর্মীসভা   > অপরিপক্ক ফলে ঝালকাঠির বাজার সয়লাব   > বান্দরবানে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে দু:স্থ ও অসহায়দের উপহার দিল শ্রমিক লীগ   > অনুশীলনে বাধা নেই টাইগারদের   > বলিউড সিনেমায় অভিনয় প্রসঙ্গে যা বললেন নানি  

   আন্তর্জাতিক -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বিজেপির অভিনেত্রী শ্রাবন্তীর পরাজয়

এনডিটিভি/আজকাল : পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই আলোচনায় ছিলেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী। নির্বাচনী প্রচারণার ঠিক আগের দিন পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের অন্য তারকা প্রার্থীদের তুলনায় তাকে ঘিরে আলোচনা ছিল বেশি। বিজেপির কেন্দ্র থেকেও শ্রাবন্তীর জন্য জোর প্রচারণা চালানো হয়েছে। কিন্তু সেই শ্রাবন্তী নির্বাচনে লজ্জাজনকভাবে বিশাল ব্যবধানে হেরে যান। বিকাল সাড়ে ৫টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর চেয়ে ১৫ হাজারেরও বেশি ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েন বিজেপির এ অভিনেত্রী। অথচ নির্বাচনী প্রচারণায় শ্রাবন্তী প্রকাশ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে নানাভাবে কটাক্ষ করেছিলেন। বলেছিলেন, তৃণমূল বুঝে গেছে তারা হারতে চলেছে। তাই এদের রোড শোর জনপ্লাবন যেন মানুষের চোখে না পড়ে, সেই কারণে পুলিশ তা বাতিল করে দেয়। এমনিতেই শ্রাবন্তীর ব্যক্তিগত জীবন, বিয়ে নানা কিছু নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। এরপর বিধানসভার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পরও তাঁকে ঘিরে আলোচনা ছিল অন্যদের তুলনায় বেশি।

বিজেপির অভিনেত্রী শ্রাবন্তীর পরাজয়
                                  

এনডিটিভি/আজকাল : পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই আলোচনায় ছিলেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী। নির্বাচনী প্রচারণার ঠিক আগের দিন পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের অন্য তারকা প্রার্থীদের তুলনায় তাকে ঘিরে আলোচনা ছিল বেশি। বিজেপির কেন্দ্র থেকেও শ্রাবন্তীর জন্য জোর প্রচারণা চালানো হয়েছে। কিন্তু সেই শ্রাবন্তী নির্বাচনে লজ্জাজনকভাবে বিশাল ব্যবধানে হেরে যান। বিকাল সাড়ে ৫টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর চেয়ে ১৫ হাজারেরও বেশি ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েন বিজেপির এ অভিনেত্রী। অথচ নির্বাচনী প্রচারণায় শ্রাবন্তী প্রকাশ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে নানাভাবে কটাক্ষ করেছিলেন। বলেছিলেন, তৃণমূল বুঝে গেছে তারা হারতে চলেছে। তাই এদের রোড শোর জনপ্লাবন যেন মানুষের চোখে না পড়ে, সেই কারণে পুলিশ তা বাতিল করে দেয়। এমনিতেই শ্রাবন্তীর ব্যক্তিগত জীবন, বিয়ে নানা কিছু নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। এরপর বিধানসভার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পরও তাঁকে ঘিরে আলোচনা ছিল অন্যদের তুলনায় বেশি।

গাড়ির ছাদে করে বাবার মরদেহ, মুখে ফু দিয়ে স্বামীকে অক্সিজেন দেয়ার চেষ্টা
                                  

এনডিটিভি/এএনআই : ভারতজুড়ে করোনার ভয়াবহতা এখন আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত। যানবাহন নেই মরদেহ বহন করার জন্য। অক্সিজেন নেই। অনেকে হাসপাতালেই ছটফট করে মারা যাচ্ছে। হাসপাতালে বেড খালি নেই। সিএনজির মধ্যে অসহায় স্ত্রী স্বামীর মুখে ফু দিয়ে অক্সিজেন দেবার এক ব্যর্থ চেষ্টা করছেন। পরে তিনি মারা যান। হাসপাতালে শয্যা সংকট, অক্সিজেনের অভাব তীব্র। এদিকে করোনার বাড়বাড়ন্তে শয়ে শয়ে মরছে মানুষ। এমনই ঘটছে প্রতিবেশি ভারতে। ভারতের সেই করুণ অবস্থা আরও ফুঁটিয়ে তুলছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবি। সেরকমই দুটি ছবি আলোড়ন সৃষ্টি করেছে দেশটির রাজ্য উত্তরপ্রদেশে। যেখানে একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, গাড়ির ছাদে বাবার দেহ শেষকৃত্যের জন্য নিয়ে যাচ্ছেন এক ব্যক্তি। অন্য একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, স্বামীর মুখে নিজের মুখ দিয়ে অক্সিজেন দেওয়ার চেষ্টা করছেন এক নারী। প্রথম ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি লাল সেডানের ছাদে সাদা চাদরে মোড়া একটি মরদেহ। এটি আগ্রার মোহিত নামের এক ব্যক্তির বাবার দেহ বলে জানান। যিনি সম্প্রতি করোনায় মারা যান। কিন্তু শেষকৃত্যের জন্য শব নিয়ে যাওয়ার কোনো গাড়ি পাননি। অবশেষে নিজেদের গাড়ির ছাদে বাবার দেহ বেঁধে আগ্রার মোক্ষধামে নিয়ে যান শেষকৃত্যের জন্য। তবে এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। উত্তরপ্রদেশে শেষকৃত্যের জন্য শ্মশানের বাইরে রীতিমতো টিকিট কেটে দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হচ্ছে মানুষকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া অন্য ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে, অটোর মধ্যে কোনোরকমে শুয়ে রয়েছেন এক ব্যক্তি। আর তার মুখে মুখ দিয়ে এক নারী অক্সিজেন দেওয়ার চেষ্টা করছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিটি প্রকাশ করে দাবি করা হয়েছে, ওই ব্যক্তির শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছিল। কিন্তু কোথাও অক্সিজেন পাওয়া যাচ্ছিল না। তাই স্বামীকে বাঁচাতে নিজের মুখ দিয়েই কৃত্রিমভাবে শ্বাসপ্রক্রিয়া চালানোর চেষ্টা করছিলেন ওই নারী। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নাকি তাকে বাঁচানো যায়নি। এটিও উত্তরপ্রদেশের আগ্রার ঘটনা বলে দাবি করা হয়েছে টুইটে।

অক্সিজেন সরবরাহে বাধা দিলে তাকে ফাঁসি দেবো
                                  

এনডিটিভি/এটিআই : অক্সিজেন সঙ্কটে ভয়াবহভাবে ভুগছে ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লির বিভিন্ন হাসপাতাল। অনেকে এসব হাসপাতালে মারাও গেছেন অক্সিজেন না পেয়ে। এক্ষেত্রে অক্সিজেন সরবরাহে বাধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর জবাবে দিল্লি হাইকোর্ট বলেছেন, যদি কেউ অক্সিজেন সরবরাহে বাধা সৃষ্টি করে তাহলে ‘আমরা তাকে ফাঁসি দেবো’। অনলাইন এনডিটিভি বলেছে, আদালতে দিল্লি সরকার বলেছে, যদি রাজধানী দিল্লি ৪৮০ টন অক্সিজেন সরবরাহ না পায়, তাহলে পুরো সিস্টেম ধসে যাবে। বেশ কিছু হাসপাতাল এরই মধ্যে তাদের অক্সিজেন সঙ্কটের ভয়াবহতার কথা জানান দিয়েছে। পাঠিয়েছে এসওএস বার্তা। অক্সিজেন সঙ্কটের কারণে শুক্রবার দিবাগত রাতে দিল্লির জয়পুর গোল্ডেন হাসপাতালে কমপক্ষে ২৫ জন মানুষ মারা গেছেন। অন্যদিকে হাজার হাজার রোগী প্রতিদিন হাসপাতালে ছুটে যাচ্ছেন। অক্সিজেনের সরবরাহ কয়েক দিন ধরেই এক বড় ভয়ের কারণ হয়ে উঠেছে। ফলে কয়েকটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি হাইকোর্টে তুলে ধরেছে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকার আদালতে বলেছে, আমরা যদি ৪৮০ টন অক্সিজেন সরবরাহ না পাই তাহলে স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। এ অবস্থা আমরা ২৪ ঘন্টায় প্রত্যক্ষ করেছি। এমন হলে এক বিপর্যয় নেমে আসবে। এর সঙ্গে উল্লেখ করা হয় যে, সরকার শুক্রবার মাত্র ২৯৭ টন অক্সিজেন সরবরাহ পেয়েছে। অক্সিজেন সরবরাহ ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানতে চায় রাজ্য সরকার। এ সময় হাইকোর্টের বিচারক জানান, ‘আপনারা অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে এমন একজনের নাম বলুন। তাহলে আমরা ওই ব্যক্তিকে ফাঁসি দেবো। কাউকে ছাড় দেবো না আমরা’। একই সঙ্গে আদালত রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের কে এমন বাধা সৃষ্টি করেছে, তার বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে জানাতে, যাতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যায়। ওদিকে মহারাজা আগ্রা সেন হাসপাতালের পিটিশনের ওপর শুনানিতে আদালত কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জানতে চান- ‘কখন ৪৮০ টন অক্সিজেন দেয়া হবে দিল্লিকে? তা আমাদেরকে জানান।
গতকাল শনিবারের এ শুনানিতে প্রথমদিকে দিল্লিতে ক্ষমতাসীন আম আদমি পার্টির (এএপি) সরকারকে দায়ী করার চেষ্টা করে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে বলা হয়, রাজ্যগুলো ট্যাংকার থেকে সবকিছু ব্যবস্থাপনা করছে। আমরা শুধু তাদেরকে সহায়তা করছি। কিন্তু দিল্লিতে, সব কিছু আমাদের ওপর চাপানো হয়েছে। দিল্লির কর্মকর্তাদের তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। দিল্লি সরকারের আইনজীবী রাহুল মেহরা অভিযোগ করেন, অক্সিজেন বরাদ্দের নির্দেশনা অনুসরণ করছে না কেন্দ্রীয় সরকার। তার এ বক্তব্যের জবাবে সোলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, আমার দায়িত্ব সম্পর্কে আমি জানি। অনেক কিছু জানি। কিন্তু কিছুই বলবো না। শুধু শুধু কাঁদার চেষ্টা করবেন না। এখানে আমরা নির্বাচনের লড়াই করছি না।

কুম্ভমেলায় গিয়ে নেপালের রাজা ও রাণী করোনায় আক্রান্ত
                                  

টাইমস অব নেপাল : কুম্ভমেলায় যোগ গিয়েছিলেন নেপালের সাবেক রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহ এবং রাণী কোমল। মঙ্গলবার তাদের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ভারত থেকে দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে তাদের স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন কয়েকশ’ মানুষ। রাজা-রাণীর করোনা ধরা পড়ার পর ওই ব্যক্তিদেরও পরীক্ষা করা হচ্ছে। ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যেই কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়ে ১ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে কুম্ভমেলা। যদিও দেশটিতে সংক্রমণ বাড়ার মধ্যে এভাবে কুম্ভমেলার আয়োজন নিয়ে শুরু থেকেই সমালোচনা হয়। কুম্ভমেলায় একের পর এক আখড়ায় করোনা ধরা পড়ে। এমনকি কুম্ভ থেকে ফিরলেই বাধ্যতামূলকভাবে করোনা পরীক্ষার কথাও বলেছে কয়েকটি রাজ্য। এরই মধ্যে হরিদ্বারে কুম্ভমেলায় যোগ দিয়ে গঙ্গাস্নান সারেন ৭৩ বছর বয়সী জ্ঞানেন্দ্র এবং ৭০ বছর বয়সী কোমল। দেশে ফিরতেই নেপালের সাবেক রাজা-রাণীকে স্বাগত জানানো হয়। কিন্তু এখন তাদের করোনা ধরা পড়ায় সেখানে উপস্থিতদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০১ সালে ছেলে দীপেন্দ্রের হাতে হত্যার শিকার হন তৎকালীন রাজা বীরেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ। পরে দীপেন্দ্রও আত্মহত্যা -২ এর পাতায় দেখুন

করোনা আক্রান্ত ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ও রাহুল গান্ধী
                                  

এনডিটিভি/আজকাল : এবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেন ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ও প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধী। এ নিয়ে একটি টুইট করেছেন রাহুল। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে করা ওই টুইটে তিনি নিজের করোনা আক্রান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মৃদু উপসর্গ দেখা দিলে তিনি কোভিড পরীক্ষা করেন। এতে ফলাফল পজিটিভ আসে। ৫০ বছর বয়সী এই কংগ্রেস নেতা আরো জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে তার সংস্পর্শে যারা এসেছিলেন তাদের সবাইকে সাবধান করে দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কথা বলা হয়েছে। এর আগে করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। তিনিও সম্প্রতি রাহুল গান্ধীসহ অন্য কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। এদিকে রাহুলের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর পেয়ে তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে টুইট করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আরোগ্য কামনায় টুইট করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালও। উল্লেখ্য, এদিন সকালেই অরবিন্দ কেজরিওয়ালের স্ত্রী সুনীতা কেজরিওয়ালের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর আসে। তারপর থেকে আইসোলেশনে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালও।

ভারত করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমণে এখন বিশ্বের শীর্ষে
                                  

এনডিটিভি/টাইমস অব ইন্ডিয়া : করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে ভারতে তোলপাড়। ভয়াবহভাবে বেড়েই চলেছে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। গত চার-পাঁচদিন ধরে ভারতে প্রতিদিন করোনা সংক্রমণ দুই লাখ ছাড়িয়ে যাচ্ছে এবং প্রতিদিনই সেই সংখ্যা আগের দিনের চেয়ে বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর মধ্যে ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সর্বোচ্চ সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে। এই সময়সীমার মধ্যে দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৭৫ হাজার ৩০৬ জন, মারা গেছেন ১ হাজার ৬২৫।
ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে গতকাল সোমবার স্থানীয় সময় রাত ১০টা থেকে আগামী সপ্তাহের সোমবার ভোর ৫টা পর্যন্ত ৬ দিনের লকডাউন দেয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এ ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, করোনা মহামারি আরো তীব্রতর হয়েছে। এতে জনসম্পদ ও প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সুযোগ ‘ব্রেকিং পয়েন্টে’ পৌঁছেছে। ফলে এই লকডাউন প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে বলে তিনি ঘোষণা দেন। এ সময়ে শুধু অত্যাবশ্যকীয় সেবাখাত খোলা রাখার অনুমতি দেয়া হয়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন এনডিটিভি। কেজরিওয়াল আরো বলেছেন, যদি এখনই আমরা লকডাউন না দিই, তাহলে আমাদেরকে আরো বড় এক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে হবে। তাই আপনাদের সবার পূর্ণাঙ্গ যত্ন নিতে চায় সরকার। পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা এমন কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ৬ দিনের লকডাউন আরো বেড ও সরঞ্জাম সরবরাহ যোগাড় করতে সহায়ক হবে। তিনি আরো বলেন, এরই মধ্যে দিল্লিতে আইসিইউ বেড প্রায় শেষ হয়ে গেছে। শহরে অক্সিজেন সঙ্কট দেখা দিয়েছে। শনিবার স্থানীয় সময় ভোর ৩টার সময় একটি বেসরকারি হাসপাতালে অক্সিজেন ফুরিয়ে গেছে বলে তিনি জানান। এমন পরিস্থিতিতে করোনা মহামারি আরো বৃহৎ সঙ্কটে রূপ নিতে পারে। কেজরিওয়াল বলেন, আমরা আপনাদেরকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছি না। আমি এটাও বলছি না যে, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে। কিন্তু বাস্তবতা যা তা-ই বলার চেষ্টা করেছি। যেকোনো সিস্টেমেরই সীমাবদ্ধতা থাকে। এই লকডাউনকে তিনি ‘ছোট্ট লকডাউন’ উল্লেখ করে অভিবাসী শ্রমিকদেরকে দিল্লি না ছাড়ার আহ্বান জানান। এ সময়ে সব বেসরকারি অফিসকে বাসা থেকে চালানোর অবস্থায় ফিরে যেতে বলেন তিনি। এদিকে সংক্রমণ ও মৃত্যুতে শীর্ষে আছে ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য মহারাষ্ট্র। সেখানে দৈনিক ৭০ হাজারের কাছাকাছি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে। মহারাষ্ট্রের পরই আছে দিল্লি। সেখানে করোনা পরীক্ষা করাতে আসা প্রতি তিনজনে একজন ‘পজিটিভ’ হিসেবে শনাক্ত হচ্ছেন। এছাড়া উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, কেরালা, তামিলনাড়ু, ছত্তিশগড় প্রভৃতি রাজ্যের অবস্থাও ভালো নয়। করোনার বাড়বাড়ন্তে হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে রোগীর চাপ। যেসব রোগী হাসপাতালগুলোতে ভর্তি আছেন, তাদেরকেও অক্সিজেন ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করতে পারছে না কর্তৃপক্ষ।

ভারতে করোনায় একদিনে আক্রান্ত আড়াই লাখ, মৃত্যু দেড় হাজার
                                  

এনডিটিভি/ দ্য হিন্দু : করোনাভাইরাসের নতুন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে ভারত। দেশটিতে গত কয়েকদিন ধরে একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্ত ও মৃত্যুর রেকর্ড হচ্ছে। গত একদিনে আগের সব রেকর্ড পেছনে ফেলে সর্বোচ্চ আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে দেশটিতে। হাসপাতালের মর্গ ও শ্মশানে লাশের ভিড় বেড়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম। ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, গত একদিনে ভারতে আক্রান্ত হয়েছে দুই লাখ ৬০ হাজার ৭৭৮ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৪৯৫ জনের। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা এক কোটি ৪৭ লাখ ৮২ হাজার ৪৬১ জন এবং মারা গেছেন এক লাখ ৭৭ হাজার ১৬৮ জন। এরই মধ্যে দেশটির বেশ কয়েকটি রাজ্য ফের কড়াকড়ি জারি করেছে। কারফিউ জারি করেছে ছত্তিশগড় ও দিল্লি। দিল্লিতে চার ও পাঁচতারকা হোটেলকে করোনা হাসপাতলে রুপান্তর করা হচ্ছে। বিশ্বে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সে দেশে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ৩ কোটি ২৩ লাখ ৭২ হাজার ১১৯ জন এবং মারা গেছে পাঁচ লাখ ৮০ হাজার ৭৫৬ জন। গতকাল রোববার সকাল পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন ৩০ লাখ ২৩ হাজার ৮১৩ জন। আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ কোটি ১৩ লাখ ৫৩৮ জন।আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১২ কোটি ৩০ লাখ ৬৫১ হাজার ৩৬৬ জন এবং বর্তমানে আক্রান্ত অবস্থায় রয়েছেন ১ কোটি ৮২ লাখ ৪৬ হাজার ৭৪ জন।

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত আট, আহত অনেক
                                  

বিবিসি/সিএনএন : যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের সবচেয়ে জনবহুল শহর ইন্ডিয়ানাপোলিসে বন্দুকধারীর হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। বৃহস্পতিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বহুজাতিক পণ্য ডেলিভারি সংস্থা ফেড-এক্সের একটি স্থাপনায় এ হামলা হয় বলে জানিয়েছে মেট্রোপলিটন পুলিশ। গতকাল শুক্রবার সকালে পুলিশের মুখপাত্র জেনায়ে কুক জানিয়েছেন, হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তিনি বলেন, বন্দুকধারী নিজেই নিজের প্রাণ নিয়েছে বলে বিশ্বাস করে পুলিশ। বর্তমানে ওই এলাকায় কোনও হুমকি নেই। হামলাকারীর উদ্দেশ্য এখনও নিশ্চিত নয়। কুক জানান, স্থানীয় সময় রাত ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। তখন সেখানে গুলি চলছিল। এরপরও নির্দ্বিধায় ভেতরে প্রবেশ করেন পুলিশ কর্মকর্তারা। তিনি বলেন, আমরা গুলিবিদ্ধ আটজনকে শনাক্ত করেছি, যারা ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, তারা হামলাকারীকে একটি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র দিয়ে গুলি চালাতে দেখেছেন। জেরেমিয়া মিলার নামে ফেড-এক্সের এক কর্মী বার্তা সংস্থাকে বলেন, আমি এক ব্যক্তিকে এক ধরনের সাব-মেশিনগানসহ দেখেছি। সে উপর্যুপরি গুলি চালাচ্ছিল।
ভয়ে আমি সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়ি। এক বিবৃতিতে ফেড-এক্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা বন্দুকহামলার বিষয়ে অবগত এবং তদন্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করছে। সংস্থাটি বলেছে, নিরাপত্তাই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। ভুক্তভোগী সকলের জন্য আমাদের চিন্তা রয়েছে।

প্রিন্স ফিলিপের মৃত্যুতে প্রভাবশালি মিডিয়ায় বিশেষ আয়োজন
                                  

ডাবলু রহমান, লন্ডন থেকে: ব্রিটেনের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের স্বামী প্রিন্স ফিলিপ গত শুক্রবার উইন্টসর ক্যাসেলে মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে পুরো দেশ শোকে স্তব্ধ। করোনাকালেও শতশত মানুষ তাদের ভালোবাসা জানাতে ফুল নিয়ে ছুটছেন ক্যাসেলের সামনে। ব্রিটেনের প্রভাবশালি সকল মিডিয়ায় প্রিন্স ফিলিপকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় তাঁর জীবন ও কর্ম নিয়ে বিশেষ রিপোর্ট এবং আলোচনা অনুষ্ঠান। তাঁকে নিয়ে বিশ্ব মিডিয়া প্রকাশ করেছে বিশেষ প্রতিবেদন। ব্রিটেনের প্রভাবশালি ট্যাবলয়েড ‘ডেইলি মেইল’ তাদের ইতিহাসে গতকাল শনিবার সবচেয়ে বড় কলেবরে প্রকাশিত হয়েছে। এই পত্রিকার পৃষ্ঠা সংখ্যা হলো ১৪৪। ডিউক অব এডিনবার্গ প্রিন্স ফিলিপের মৃত্যুতে তাঁর বিভিন্ন সময়ের ছবি ও কাহিনী নিয়ে বর্ধিত এই কলেবর। তাঁর মৃত্যুতে বৃটেনে আট দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে দ্য ডেইলি মেইলে তাঁর জীবনের বিভিন্ন অধ্যায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এতে স্থান পেয়েছে প্রচুর ছবি। শুধু ডেইলি মেইল একা নয়। বৃটেনের প্রভাবশালি পত্রিকা দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ, দ্য ডেইলি মিরর, দ্য সান, দ্য গার্ডিয়ান, আই উইকেন্ড, দ্য ডেইলি এক্সপ্রেস এবং বিবিসিসহ সকল টিভি মিডিয়ায় বিশেষ রিপোর্ট সম্প্রচার হচ্ছে। প্রিন্স ফিলিপ ছিলেন বৃটেনের সবেচেয় সম্মানিয় এবং একজন মানবিক মানুষ। ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের ৭৩ বছরের স্বামী ডিউক অফ এডিনবারা ৯৯ বছর বয়সে শুক্রবার উইন্ডসর প্রাসাদে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। ব্রিটিশ রাজ পরিবারের ইতিহাসে কোন রাজা বা রানির এত দীর্ঘসময়ের জীবনসঙ্গী আর কেউ ছিলেন না। ব্রিটিশ সেনা সদস্যরা শনিবার সকালে উইন্ডসর কাসেলের বাইরে স্যালুট দেন এবং দুই মিনিটের নীরবতা পালন করেন। সমুদ্রে রয়াল নেভির জাহাজগুলো থেকেও ডিউকের স্মরণে তোপধ্বনি করা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রিন্স নেভাল অফিসার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরে তিনি লর্ড হাই অ্যাডমিরাল পদে আসীন ছিলেন। এই তোপধ্বনির অনুষ্ঠান টিভি ও অনলাইনে লাইভ সম্প্রচার করার প্রস্তুতি রয়েছে এবং করোনা মহামারির কারণে মানুষজনকে ঘরে থেকে এই অনুষ্ঠান দেখতে অনুরোধ করা হয়েছে।
এধরনের সম্মানসূচক তোপধ্বনি এর আগে করা হয়েছিল ১৯০১ সালে রানি ভিক্টোরিয়ার সম্মানে এবং ১৯৬৫ সালে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলের মৃত্যুর পর তাঁর স্মরণে। প্রিন্স ফিলিপ ১৯৪৭ সালে প্রিন্সেস এলিজাবেথকে বিয়ে করেন। এর পাঁচ বছর পর প্রিন্সেস এলিজাবেথ ব্রিটেনের রানি হন। বাকিংহাম প্রাসাদ থেকে দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মহামান্য রানি খুবই দুঃখের সাথে তাঁর প্রিয় স্বামী প্রিন্স ফিলিপ, ডিউক অফ এডিনবারার মৃত্যুর খবর ঘোষণা করেছেন’। বাকিংহাম প্রাসাদ থেকে দুপুর বারোটার কিছু পরই দেয়া এই বিবৃতিতে জানানো হয় ‘রানি গভীরভাবে শোকাহত’। সেন্ট জর্জেস চ্যাপেলে প্রিন্স ফিলিপের অন্ত্যেষ্টি অনুষ্ঠান হবে। তবে তারিখটি জানানো হয়নি।
খবরে বলা হয়েছে প্রিন্স ফিলিপ অনুরোধ করে গেছেন যে তাঁর শেষকৃত্য যেন আড়ম্বর সহকারে না করা হয় এবং জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তাঁর মরদেহ যেন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শায়িত রাখা না হয়। তার পরিবর্তে রাজ পরিবারের রীতি অনুযায়ী এবং প্রিন্স ফিলিপের শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী শেষকৃত্য না হওয়া পর্যন্ত তাঁর মরদেহ উইন্ডসর কাসেলের সেন্ট জর্জেস চ্যাপেলে শায়িত রাখা হবে। গতকালও বাকিংহাম রাজপ্রাসাদের পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। ডিউকের শেষকৃত্য হওয়ার পরদিন সকাল আটটা পর্যন্ত সব সরকারি ভবনে পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মিয়ানমারে জনতা-জান্তা রক্তাক্ত লড়াই
                                  

দ্য স্ট্যান্ডার্ড/ব্যাংকক পোস্ট : মিয়ানমারে প্রতিদিন মানুষ খুন হচ্ছে। গুম হচ্ছে যুবকরা। জনতা আর জান্তার এই লড়াই গৃহযুদ্ধের আভাস দিচ্ছে বিশেষজ্ঞরা। সামরিক জান্তা শুধু গুলি করে মানুষ হত্যা করছে এমন নয়, তারা একই সঙ্গে আকাশ থেকে বোমা হামলা চালাচ্ছে থাইল্যান্ড সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে। এর ফলে ওইসব গ্রামের ভীতসন্ত্রস্ত লোকজন সীমান্ত পাড়ি দিয়ে চলে যাচ্ছেন থাইল্যান্ডে। কিন্তু থাই কর্তৃপক্ষ তাদের আশ্রয় না দিয়ে পুশব্যাক করছে। উপায়হীন এসব মানুষ দেশে ফিরে বাংকার খুঁড়ে তাতে অবস্থান নিচ্ছেন। জনতার পাশে থেকে সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে তিনটি জাতিগত সংখ্যালঘু সশস্ত্র গ্রুপ। অন্যদিকে মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের মধ্যবর্তী স্থানে কয়েক হাজার মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। তারা দেশ থেকে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু পুশব্যাক করেছে থাইল্যান্ড। এখন তাদের খাবার নেই। পানি নেই। ফলে চারদিকে এক গৃহযুদ্ধের পদধ্বনি। এরই মধ্যে সামরিক জান্তা হত্যা করেছে কমপক্ষে ৫১০ জনকে। লাশের মিছিল প্রতিনিয়তই বাড়ছে। এ অবস্থায় উদ্বেগ প্রকাশ করছে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মহল। জনগণ বাংকার খোঁড়া শুরু করেছে। এতে ক্রিস ব্যারেট আরো লিখেছেন, থাইল্যান্ড সীমান্তবর্তী গ্রাম আই তু হতা। এখানে আকাশ থেকে বোমা ফেলা হচ্ছে। ফলে এ গ্রামের ভীত সন্ত্রস্ত মানুষ সীমান্ত অতিক্রম করে চলে গিয়েছেন থাইল্যান্ডে। কিন্তু থাই কর্তৃপক্ষ তাদেরকে পুশব্যাক করছে। ওইসব মানুষ এই অবস্থায় মিয়ানমারে ফিরতে চান না। না ফিরেও তাদের কোনো বিকল্প নেই। মিয়ানমারের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত এলাকার একটি বেসামরিক গ্রুপ কারেন পিস সাপোর্ট নেটওয়ার্কের (কেপিএসএন) পরিচালক নাও ওয়াহ খু শি দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ড এবং দ্য এইজ’কে ওইসব মানুষ সম্পর্কে বলেছেন, এরা বোটে করে যখন সীমান্তের অন্যপাড়ে যাচ্ছেন, তখন তারা খবর পাচ্ছেন, যুদ্ধবিমান আবার গ্রামে আসছে। এতে এসব মানুষ আতঙ্কিত। ভয়ে চুপসে গেছেন। তিনি বলেন, আমরা জানি না, আবার হামলা হবে কিনা। উপায়হীন এসব মানুষের সামনে কোনো বিকল্প নেই। তাই তারা বাংকার খোঁড়া শুরু করেছেন।
ক্রিস ব্যারেট আরো লিখেছেন, গণতন্ত্রপন্থি আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা হত্যাসহ দমনপীড়ন নৃশংসতা অব্যাহত রাখার ফলে, গত দুই মাসে সেখানে কমপক্ষে ৫১০ জনকে হত্যা করা হয়েছে। এতে দেশটি এখন গৃহযুদ্ধের জড়িয়ে পড়ার হুমকিতে আছে। মিয়ানমারের জাতিগত তিনটি সশস্ত্র সংগঠন নিয়ন্ত্রণ করে দেশের বিশাল অংশ। মঙ্গলবার তারা সরাসরি যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার হুমকি দিয়েছে। তারা বলেছে, যদি সামরিক জান্তা বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে হামলা অব্যাহত রাখে, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা গুলি করে, মৃতদেহ পুড়িয়ে ফেলে, আর তাদের হাতে ডজন ডজন শিশু তাদের প্রাণ হারায় তাহলে জনতার পাশে থেকে তারা যুদ্ধ করবে। এই তিনটি গ্রুপ হলো মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক এলায়েন্স আর্মি, আরাকান আর্মি এবং তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি। মিয়ানমারে চলমান প্রতিবাদ বিক্ষোভের অন্যতম প্রধান আয়োজক সংগঠন জেনারেল স্ট্রাইক কমিটি অব ন্যাশনালিটিজ এর আগে দেশের বহু জাতিগত মিলিশিয়া সংগঠনকে নতুন এই শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অংশ নেয়ার আহ্বান জানায়। তার একদিন পরেই ওই তিনটি গ্রুপ এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।
থাই সীমান্তের কাছে এখনও সংঘর্ষ অব্যাহত আছে। সেখানে সামরিক বাহিনীর সঙ্গে লড়াই করছে সবচেয়ে সংগঠিত সংখ্যালঘু সশস্ত্র গ্রুপ কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন। সেনাবাহিনী সেখানে ২৫ বছরের মধ্যে প্রথমবার সপ্তাহান্তে বিমান হামলা করে। এতে কমপক্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। এই হামলার ফলে সীমান্তে সালউইন নদী এবং থাইল্যান্ডের মায়ে হোং সোন প্রদেশে আশ্রয় শিবিরের মধ্যবর্তী অবস্থানে ছিলেন দুই থেকে তিন হাজার মানুষ। তাদেরকে সোমবার রাতে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
থাই প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুত চান-ওচা সোমবার সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তারা শরণার্থীদের গ্রহণ করবেন। তার ভাষায়- তবে আমাদের ভূখণ্ডে দলে দলে (এক্সোডাস) নদীর স্রোতের মতো শরণার্থী চাই না। কিন্তু আমাদেরকে মানবাধিকারের দিকেও যত্ন নিতে হবে। কিন্তু তার দেশের স্থানীয় কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা মিয়ানমারের এসব মানুষকে সীমান্ত অতিক্রম করতে দেবেন না।
থাইল্যান্ডে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সিনিয়র গবেষক সুনাই ফাসুক থাইল্যান্ডের পুশব্যাক করার নীতিকে হৃদয়হীন এবং বেআইনি বলে আখ্যায়িত করেছেন। অন্যদিকে বার্মা ক্যাম্পেইন ইউকে অধিকার গ্রুপ থাই সামরিক বাহিনীর এহেন কর্মকাণ্ডকে হতাশাজনক বলে অভিহিত করেছে। খু শি বলেছেন, শরণার্থীরা যেদিন থাইল্যান্ডে পৌঁছেছেন তাদেরকে ফিরে যাওয়ার জন্য সেদিনই পরোক্ষভাবে চাপ দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এসব মানুষের কোনো আশ্রয় নেই। এমন এক স্থানে তারা অবস্থান করছেন, যেখানে কোনো পানি নেই। আর আবহাওয়াও অত্যন্ত গরম। ফলে সেখানে অবর্ণনীয় দুর্ভোগে পড়েছে শিশুরা, অসুস্থ মানুষ ও বয়স্করা। শিশুরা খাবার ও পানি চাইছে।
তারা কান্না করছে। খু শি বলেন, সাধারণত আমরা এমন অভাবী মানুষদের বিষয়ে সাড়া দিয়ে থাকি। কিন্তু এই মানুষদের কাছে আমরা পৌঁছাতে সক্ষম হচ্ছি না। থাইল্যান্ডের দিক থেকে কাউকে এসব মানুষের কাছে যেতে দিচ্ছে না সেনাবাহিনী।
১লা ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের পর এটাই মিয়ানমার থেকে দলবেঁধে মানুষের দেশ ছাড়ার প্রথম চেষ্টা নয়। পুলিশ সদস্য সহ কয়েক শত মানুষ পালিয়ে গিয়ে ভারতের মিজোরাম রাজ্যে আশ্রয় নিয়েছেন। কিন্তু ওই সীমান্তও এখন সিল করে দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে যেসব নাগরিক মিজোরামে গিয়েছেন তাদেরকে পুশব্যাক করার জন্য ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা। এ অবস্থায় মিয়ানমার সীমান্তে যে চাপ, উত্তেজনা তা-ই বলে দেয় দেশের ভিতরে কি মাত্রায় রক্তাক্ত দমনপীড়ন চলছে।
এতে আঞ্চলিক এক মানবিক সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে। নতুন স্পেশাল এডভাইজরি কাউন্সিল ফর মিয়ানমারের সদস্য ক্রিস সিদোতি একসময় জাতিসংঘের তদন্তকারী ছিলেন। বর্তমানে তিনি বসবাস করেন সিডনিতে। তিনি বলেছেন, আমরা সুনির্দিষ্টভাবে দেখতে পাচ্ছি প্রথম দফায় গণহারে দেশ ছাড়ার লক্ষণ। মিয়ানমারের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে যেসব মানুষ বসবাস করতেন তার মধ্যে বহু সংখ্যক মানুষ জাতিগত সংখ্যালঘুদের বসবাস এমন এলাকায় চলে গিয়েছেন। জাতিগত সংখ্যালঘুরা তাদেরকে আশ্রয় দিচ্ছেন। কিন্তু ওইসব এলাকায়ও সামরিক বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে মানুষ পালাচ্ছে।

‘বিশ্বকে বলুন আমরা মারা যাচ্ছি’
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইথিওপিয়ার তাইগ্রে অঞ্চলে ঢুকে নৃশংসতা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ইরিত্রিয়ার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। ইরিত্রিয়া সরকার তা অস্বীকার করে আসছে। ইথিওপিয়ার তাইগ্রে অঞ্চলে ঢুকে নৃশংসতা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ইরিত্রিয়ার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে।
আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়ার সংঘাতকবলিত তাইগ্রে অঞ্চলের ছোট্ট গ্রাম তেমবিন। এখানেই বাস মোনালিসা আব্রাহার। গত ডিসেম্বরে চরম নৃশংসতার শিকার হন তিনি। প্রতিবেশী দেশ ইরিত্রিয়ার সেনা সদস্যদের হাতে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার শিকার হন এ তরুণী (১৮)। ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেলেও এখনো সেই দুর্বিষহ স্মৃতি তাড়িয়ে ফিরছে তাঁকে।
গত ৪ ডিসেম্বরের ঘটনা। ওই দিনই ইরিত্রিয়ার সেনারা আব্রাহাদের গ্রামে প্রথম ঢোকেন। দুঃসহ সেই ঘটনার বর্ণনায় তিনি বলেন, ‘তারা আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে এবং মাটিতে ফেলে দেয়। তারপর সেনাদের একজন আমাকে ভয় দেখাতে গুলি ছোড়ে। তারা আমার হাতে আঘাত করে এবং তারপর আরেকটি গুলি করে। একটি গুলি আমার বাহু ভেদ করে যায়।’ ‘কয়েক ঘণ্টা ধরে আমার হাত দিয়ে রক্ত ঝরে। পরে অস্ত্রোপচারে আমার হাত কাটা পড়ে,’ বলতে বলতে কেঁদে ফেলেন তিনি। শুধু আব্রাহা নন, ইরিত্রিয়ার সেনাদের এমন নির্মমতার শিকার হয়েছেন তাইগ্রের বহু মানুষ। অথচ ‘স্থানীয়দের সুরক্ষার জন্য’ সরকারি বাহিনীকে সহায়তার নাম করে ইথিওপিয়ায় প্রবেশ করে ইরিত্রিয়ার সেনাবাহিনী। ঘটেছে ঠিক উল্টো। রক্ষক হিসেবে ঢুকে ভক্ষকের ভূমিকায় দেখা গেছে তাদের। সেনারা মেতে ওঠেন হত্যা ও ধর্ষণে। এমন কর্মকাণ্ডের কারণে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচিত হয়েছে ইরিত্রিয়ার সেনাবাহিনী। তাইগ্রের উকরো অঞ্চলে ইরিত্রিয়া ও ইথিওপিয়ার সেনাদের হাতে নিহত ৮১ জনকে গণকবর দেওয়া হয়। সেই গণকবরে স্বজনদের আহাজারি তাইগ্রের উকরো অঞ্চলে ইরিত্রিয়া ও ইথিওপিয়ার সেনাদের হাতে নিহত ৮১ জনকে গণকবর দেওয়া হয়। বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে যোগাযোগবিচ্ছিন্ন তাইগ্রে অঞ্চলে সংবাদমাধ্যমকেও যেতে দেওয়া হয়নি। সম্প্রতি বিধিনিষেধ শিথিল করায় আল–জাজিরা সেখানে গিয়ে ঘটনা জানতে পেরেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের বয়ানে উঠে আসছে ইরিত্রিয়ার সেনাসদস্যদের ভয়াবহ নির্যাতনের চিত্র। আবি আহমেদের নেতৃত্বাধীন ইথিওপিয়ার সরকার ইরিত্রিয়ার সেনাদের নৃশংসতার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ২০১৮ সালে আবি আহমেদ ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর আফ্রিকার এই দেশে রাজনৈতিক অবস্থার আমূল পরিবর্তন শুরু করেন। প্রতিবেশী ইরিত্রিয়ার সঙ্গে দুই দশক ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটে তাঁরই হাত ধরে। ফলে ক্ষমতায় আসার মাত্র এক বছরের মাথায় নোবেল শান্তি পুরস্কার পান আবি।
ঘটনার শুরু গত বছরের নভেম্বরে প্রথম দিকে। কয়েক মাসের উত্তেজনার পর ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ দেশটির উত্তরাঞ্চল তাইগ্রের ক্ষমতাসীন দল তাইগ্রে পিপলস লিবারেশন ফ্রন্টকে (টিপিএলএফ) উৎখাতে সেনা অভিযানের ঘোষণা দেন। কেন্দ্রীয় সেনাবাহিনীর ঘাঁটিতে কয়েক দফা হামলার পর ওই অভিযানের নির্দেশ দেন তিনি। ২০১৮ সালে আবি ক্ষমতায় আসার আগপর্যন্ত কয়েক দশক ইথিওপিয়ার রাজনীতিতে আধিপত্য ধরে রেখেছিল টিপিএলএফ। ইরিত্রিয়ার সঙ্গে ১৯৯৮-২০০০ সালের যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিল তারাই। প্রত্যক্ষদর্শী, ভুক্তভোগী ও বাসিন্দারা আল–জাজিরাকে বলেছেন, ইরিত্রিয়ার সেনারা ইথিওপিয়ার সেনাবাহিনীকে সহায়তার নামে তাইগ্রে অঞ্চলে প্রবেশ করে দীর্ঘদিনের প্রতিপক্ষের ওপর ভয়াবহ নিষ্ঠুরতা চালিয়েছেন। ইরিত্রিয়ার সেনাদের নির্যাতনের শিকার হয়ে তাইগ্রের পশ্চিমাঞ্চলীয় মাই কাদ্রা থেকে বাস্তুচ্যুত আরেক নারী সাবা জানান, কয়েকটি মেয়ের সঙ্গে তিনিও গ্রাম ছেড়ে পালানোর জন্য বের হয়েছিলেন। কিন্তু পথে ধরা পড়ে যান ইরিত্রিয়ার সেনাদের হাতে। সাবা বলেন, ‘১০ জনের বেশি সেনা পালাক্রমে আমাদের ধর্ষণ করেছে।’
মাই কাদ্রার আরেক নারী বলেন, ইরিত্রিয়ার সেনারা তাঁর স্বামীকে হত্যা করেছেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্বকে বলুন, আমরা মারা যাচ্ছি।’ এই মাই কাদ্রা অঞ্চলেই গত ৯ নভেম্বরে আনুমানিক ৬০০ বেসামরিক নাগরিক নিহত হন, যার জন্য তাইগ্রের একটি যুব সংগঠন, পুলিশ ও মিলিশিয়াদের দায়ী করা হচ্ছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদনেও তাইগ্রে অঞ্চলে ইরিত্রিয়ার সেনাদের নৃশংসতার কথা উঠে এসেছে। গত সপ্তাহে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নভেম্বরে তাইগ্রের আক্সুম শহরে কয়েক শ বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছেন ইরিত্রিয়ার সৈন্যরা।

করোনায় মৃত্যু ২৬ লাখ ৯০ হাজার
                                  

দ্য সান/এনডিটিভি : বিশ্বে প্রতিদিনই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। ইতোমধ্যে মারা গেছেন ২৬ লাখ ৯০ হাজারের বেশি মানুষ। আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ১২ কোটি সাড়ে ১৭ লাখ মানুষ। এ ছাড়া, সুস্থ হয়েছেন প্রায় ছয় কোটি ৯০ লাখ মানুষ। গতকাল শুক্রবার জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির করোনাভাইরাস রিসোর্স সেন্টার এ তথ্য জানিয়েছে। জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির করোনাভাইরাস রিসোর্স সেন্টারের সোয়া ১১টার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ কোটি ১৭ লাখ ৪৬ হাজার ১৭৬ জন এবং মারা গেছেন ২৬ লাখ ৯০ হাজার ৮৩৪ জন। এ ছাড়া, সুস্থ হয়েছেন ছয় কোটি ৮৯ লাখ ৬৫ হাজার ১৩৬ জন। করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছেন দুই কোটি ৯৬ লাখ ৬৫ হাজার ৬৪১ জন এবং মারা গেছেন পাঁচ লাখ ৩৯ হাজার ৬৬৩ জন।
যুক্তরাষ্ট্রের পর সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ও সংক্রমণ দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে। দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছেন এক কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৮২০ জন, মারা গেছেন দুই লাখ ৮৭ হাজার ৪৯৯ জন। সুস্থ হয়েছেন এক কোটি তিন লাখ ৮৩ হাজার ৪৯৬ জন। সংক্রমণের দিক থেকে তৃতীয় ও মৃত্যুর দিক থেকে চতুর্থতে থাকা ভারতে আক্রান্ত হয়েছেন এক কোটি ১৫ লাখ ১৪ হাজার ৩৩১ জন, মারা গেছেন এক লাখ ৫৯ হাজার ৩৭০ জন এবং সুস্থ হয়েছেন এক কোটি ১০ লাখ ৮৩ হাজার ৬৭৯ জন। মৃত্যুর সংখ্যার দিক থেকে তৃতীয়তে রয়েছে মেক্সিকো। দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত এক লাখ ৯৬ হাজার ৬০৬ জন মারা গেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন ২১ লাখ ৮২ হাজার ১৮৮ জন। এ ছাড়া, সুস্থ হয়েছেন ১৭ লাখ ২৪ হাজার ৭৯৪ জন। উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত পাঁচ লাখ ৬৪ হাজার ৯৩৯ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। মারা গেছেন আট হাজার ৬২৪ জন। আর সুস্থ হয়েছেন পাঁচ লাখ ১৭ হাজার ২২৩ জন।

বঙ্গবন্ধু মানুষের জন্য জীবন উৎসর্গ করে গেছেন: প্রেসিডেন্ট শি
                                  

কূটনৈতিক রিপোর্টার : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তীর যৌথ উদযাপন অনুষ্ঠানে দেয়া ভিডিও বার্তায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং বলেছেন- ৫০ বছর আগে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাকারী বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এমন একজন মানুষ ছিলেন যিনি তাঁর সারাটা জীবন দেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করে গেছেন। আজ তাঁর কীর্তিকে দেশের মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে। তিনি যে ‘সোনার বাংলা’র স্বপ্ন দেখেছিলেন আজও বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষকে তাদের জাতীয় পুণরুজ্জীবনের জন্য তা উৎসাহ দেখিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় পুনজাগরণের চীনা স্বপ্নের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার স্বপ্ন দারুণভাবে মিল রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কাঙ্খিত সোনার বাংলার স্বপ্ন পূরণে চীন বাংলাদেশের পাশে আছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ যে চীনের বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভে স্বাক্ষর করেছে। এই সহযোগিতামূলক সম্পর্ক দুই দেশের জনগণের জন্য সত্যিকার অর্থেই লাভজনক হবে। চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, বঙ্গবন্ধু প্রণীত ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়’ নীতিটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হিসাবে দাঁড়িয়ে আছে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু চীনা জনগণের এক পুরানো ও ভালো বন্ধু। তিনি বলেন, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সংস্কার ও উন্নয়নের দিকে মনোনিবেশ করেছে এবং দ্রুত গতিতে সেই লক্ষ্য পূরণে এগিয়ে চলেছে। দেশটির প্রবৃদ্ধি প্রতিবছর ছয় শতাংশেরও বেশি বাড়ছে। বাংলাদেশ তার নিজের মানুষের জীবনকে আরও উন্নত করেছে এবং বিশ্বের দারিদ্র্য হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী হিসেবে একটি সমৃদ্ধ ও অগ্রগতিশীল বাংলাদেশকে নিয়ে চীন আনন্দিত। দুই দেশ একে অপরকে সমর্থন করছে এবং একসঙ্গে অগ্রগতি করছে।

হুইলচেয়ারে করে জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা
                                  

এনডিটিভি/টাইমস অব ইন্ডিয়া : নন্দীগ্রামে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে পায়ে আঘাত পাওয়া পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা বন্দোপাধ্যায় হুইলচেয়ারে বসে আবার নির্বাচনী প্রচারণায় নেমেছেন। গতকাল রোববার স্থানীয় সময় বিকেলে কলকাতার হাজরা মোড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের জনসভায় যোগ দেন মমতা। খবর এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়ার। জনসভায় যোগ দেওয়ার আগে মমতা বন্দোপাধ্যায় এক টুইট বার্তায় বলনে, ‘আমরা সাহসের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাব! আমি এখনও প্রচুর ব্যথা অনুভব করছি, তবে আমি আমার মানুষের ব্যথা আরও বেশি অনুভব করছি। আমাদের প্রিয় ভূমি রক্ষার জন্য এই লড়াইয়ে আমরা অনেক কষ্ট সহ্য করেছি এবং আরও বেশি সহ্য করব, তবে আমরা কখনও কাপুরুষতার সামনে মাথা নত করব না।’ গত বুধবার নির্বাচনী প্রচারে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে গিয়েছিলেন মমতা। রেয়াপাড়ায় মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় ধাক্কায় পড়ে গিয়ে মাথায়, কপালে ও পায়ে আঘাত পান তিনি। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে কলকাতায় এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতেই তাঁর পায়ে প্লাস্টার করা হয়। চিকিৎসকরা তাঁকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখার প্রস্তাব দিলেও তিনি হাসপাতালে থাকতে চাননি। বারবার অনুরোধ করায় মুখ্যমন্ত্রীকে শুক্রবার সন্ধ্যায় ছেড়ে দেন তারা।

মিয়ানমারে হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ন্ত্রণ নিলো পুলিশ, নিহত ২
                                  

ব্যাংকক পোস্ট/দ্য স্টান্ডার্ড : মিয়ানমারজুড়ে ধর্মঘট ঠেকাতে হাসপাতাল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে দেশটির পুলিশ। দেশটির ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো আজ সোমবার থেকে ধর্মঘটে যোগ দেওয়ার ঘোষণার পরপরই মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী এমন তৎপরতা শুরু করেছে। গতকাল সোমবারও বিক্ষোভে অংশ নিয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। কাচিন রাজ্যের রাজধানী শহর মিয়িতকায়িনায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে দুজন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছে। পুলিশ সেখানে স্টান গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুঁড়েছে। অন্যদিকে, গতকাল রোববার রাত ৮টা থেকে কারফিউ শুরু হলে দেশটির বৃহত্তম শহর ইয়াংগুনে গোলাগুলি ও গ্রেনেড বিস্ফোরণের শব্দও পাওয়া যায়। হাসপাতাল এলাকাগুলোতেও পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীরা সংঘর্ষে জড়িয়েছে, ঘটেছে গোলাগুলির ঘটনা। হাসপাতালের কর্মী ও অ্যাম্বুলেন্সেও হামলা করেছে পুলিশ। এ ছাড়া রোববার রাতভর বিক্ষোভকারীদের ধরতে বাড়ি বাড়ি তল্লাশি করেছে পুলিশ। এদিকে, মিয়ানমারে হতাহতের ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আজ সোমবার অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেরিজ পেনি এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। যদিও লন্ডনভিত্তিক বার্মা ক্যাম্পেইনের নির্বাহী পরিচালক আন্না রবার্টস জানান, অস্ট্রেলিয়া ছাড়াও ১২টি দেশ মিয়ানমার মিলিটারির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা দিয়েছে। মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বে গত ১ ফেব্রুয়ারি রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাতের পর থেকে দেশটিতে চলছে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভ। রক্তক্ষয়ী এই বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক এবং আহত হয়েছেন অনেকে। সেনা অভ্যুত্থানের অবসান এবং দেশটির নেত্রী অং সান সু চিসহ সামরিক বাহিনীর হাতে আটক রাজনৈতিক নেতাদের মুক্তির দাবিতে দেশটিতে বিক্ষোভ চলছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, মিয়ানমারে বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৫৬ জনের বেশি। তবে, অন্যান্য প্রতিবেদনে এ সংখ্যা আরও অনেক বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। চলমান বিক্ষোভের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী দিন ছিল গত বুধবার। মিয়ানমারের বিভিন্ন নগর ও শহরে সেদিন ৩৮ জন বিক্ষোভকারী নিহত হন।

জনতার বিক্ষোভে উত্তাল মিয়ানমার, ব্যাপক ধরপাকড়
                                  

টাইমস অব থাইল্যান্ড : মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে সামরিক সরকার বিরোধী আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের খোঁজে রাতভর নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানের পরও রোববার সকালে দেশটির রাস্তায় হাজারও মানুষ বিক্ষোভ করছে। অসংখ্য মানুষের বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে পড়েছে দেশটি। গতকাল রোববার বার্তা সংস্থার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলীয় শান প্রদেশের লাশিও শহরে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও স্ট্যান গ্রেনেড ছুড়েছে। কিন্তু প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, মন্দিরের শহর বাগানে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশ গুলি ছুড়েছে। পুলিশ তাজা গুলি না রাবার বুলেট ব্যবহার করেছে এ বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। তবে ছয়টি শহরে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার বিক্ষোভ চললেও লাশিও শহরে পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রয়েছে এবং সেখানে তাৎক্ষণিক কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর দাউইরে আন্দোলনকারী এক নেতা জনগণের উদ্দেশে বলেছেন, নিরাপত্তা বাহিনীরা মানুষকে পাখির মতো হত্যা করছে। এখন যদি তাদের বিরুদ্ধে আমরা বিদ্রোহ না করি তাহলে কী করব? অবশ্যই বিদ্রোহ করব আমরা। এছাড়াও ইয়াঙ্গুনের অন্তত তিনটি এলাকায় সামরিক সরকার বিরোধী বিক্ষোভ চলছে। স্থানীয়রা জানিয়েছে রাতে নিরাপত্তা বাহিনীর সৈন্য ও পুলিশরা শহরটির কয়েকটি এলাকায় গুলি ছুড়েছে। আবার সু চির ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোকক্রেসি দলের এক কর্মী জানিয়েছেন সৈন্যরা এক আইনজীবীর সন্ধান করছিলেন। কিন্তু তাকে খুঁজে পায়নি বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে জানিয়েছেন বিলুপ্ত পার্লামেন্টের সদস্য সিথু মং। তবে গ্রেপ্তারের বিষয়ে কোনও মন্তব্য নিতে পারেনি বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এমনকি সামরিক সরকারের এক মুখপাত্রের কাছে মন্তব্যের অনুরোধ চেয়ে বার্তা পাঠানো হলেও জবাব পাননি বার্তা সংস্থাটি। এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে গণতন্ত্রের সরকারের সকল গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের আটক করে ক্ষমতা দখল করে নেয় সেনাবাহিনী। দেশটিতে এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ জনগণ গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে রাস্তায় আন্দোলন শুরু করলে তাদের ওপর গুলি ছুড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। এ পর্যন্ত দেশটিতে ৫০ জনেরও বেশি লোককে হত্যা করা হয়েছে, যারা সকলেই জান্তা সরকার বিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়াও প্রায় ১৭শ’ মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এই গণতন্ত্রের আন্দোলন থেকে।


   Page 1 of 349
     আন্তর্জাতিক
বিজেপির অভিনেত্রী শ্রাবন্তীর পরাজয়
.............................................................................................
গাড়ির ছাদে করে বাবার মরদেহ, মুখে ফু দিয়ে স্বামীকে অক্সিজেন দেয়ার চেষ্টা
.............................................................................................
অক্সিজেন সরবরাহে বাধা দিলে তাকে ফাঁসি দেবো
.............................................................................................
কুম্ভমেলায় গিয়ে নেপালের রাজা ও রাণী করোনায় আক্রান্ত
.............................................................................................
করোনা আক্রান্ত ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ও রাহুল গান্ধী
.............................................................................................
ভারত করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমণে এখন বিশ্বের শীর্ষে
.............................................................................................
ভারতে করোনায় একদিনে আক্রান্ত আড়াই লাখ, মৃত্যু দেড় হাজার
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত আট, আহত অনেক
.............................................................................................
প্রিন্স ফিলিপের মৃত্যুতে প্রভাবশালি মিডিয়ায় বিশেষ আয়োজন
.............................................................................................
মিয়ানমারে জনতা-জান্তা রক্তাক্ত লড়াই
.............................................................................................
‘বিশ্বকে বলুন আমরা মারা যাচ্ছি’
.............................................................................................
করোনায় মৃত্যু ২৬ লাখ ৯০ হাজার
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু মানুষের জন্য জীবন উৎসর্গ করে গেছেন: প্রেসিডেন্ট শি
.............................................................................................
হুইলচেয়ারে করে জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা
.............................................................................................
মিয়ানমারে হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ন্ত্রণ নিলো পুলিশ, নিহত ২
.............................................................................................
জনতার বিক্ষোভে উত্তাল মিয়ানমার, ব্যাপক ধরপাকড়
.............................................................................................
মিয়ানমার অন্ধকার বিক্ষোভে আবার খুন
.............................................................................................
মিয়ানমারে বিক্ষোভকারীর সংখ্যা বাড়ছে
.............................................................................................
বিশ্বব্যাপী বেড়েছে করোনার সংক্রমণ
.............................................................................................
মিয়ানমার জুড়ে ধর্মঘট শুরু, ব্যাপক ধরপাকড়
.............................................................................................
উত্তাল মিয়ানমার, বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের গুলি : নিহত ২
.............................................................................................
সীমান্তে ৫ সেনা নিহতের কথা চীনের স্বীকার
.............................................................................................
রাশিয়ায় বর্বরভাবে মেয়েদের গ্রেফতার করা হচ্ছে
.............................................................................................
মিয়ানমারে হাজার হাজার বিক্ষোভকারি মাঠে : পুলিশের বাধা
.............................................................................................
মিয়ানমারে সামরিক শাসকদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ
.............................................................................................
নিরাপত্তা পরিষদে সুচিসহ আটককৃতদের মুক্তি দাবি
.............................................................................................
রাশিয়ায় বিরোধী নেতা নাভালনির সাজা, বিক্ষোভরত ৫ সহস্রাধিক গ্রেফতার
.............................................................................................
মিয়ানমার নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক
.............................................................................................
সুষ্ঠু নির্বাচনের পরই ক্ষমতা হস্তান্তর: মিয়ানমার সেনাবাহিনী
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ানমারের প্রতি হুঁশিয়ারি, চীন বলছে-আমরা পরিস্থিতি দেখছি
.............................................................................................
১০ দিনেই নির্বাহী আদেশ জারি করে রেকর্ড গড়লেন বাইডেন
.............................................................................................
এবার সংসদ ভবনমুখি ভারতের কৃষকরা
.............................................................................................
ট্রাক্টর চালিয়ে কৃষকরা দিল্লীতে
.............................................................................................
মুজিববর্ষে ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর প্যারেড
.............................................................................................
চীনের কাছ থেকে উপহার হিসেবে টিকা পাচ্ছে পাকিস্তান
.............................................................................................
ভারতে টিকা নেয়ার পর সাড়ে চার’শ মানুষের শরীরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া, একজনের মৃত্যু
.............................................................................................
সাগরে বিধ্বস্ত ইন্দোনেশিয়ান উড়োজাহাজের কেউ বেঁচে নেই
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার হুমকিতে ভারত
.............................................................................................
করোনা পরীক্ষার লাইনে দাঁড়িয়ে জিম্বাবুয়েতে ১৫ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
মিথ্যা বলে গ্যাঁড়াকলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী আবে
.............................................................................................
বিশ্বে এক বছরে ১৭ লাখ মানুষের প্রাণ নিল করোনা
.............................................................................................
বিশ্বের শীর্ষ ক্ষমতাধর নারীর তালিকায় মেরকেল, শেখ হাসিনা, কমলা হ্যারিস
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রে করোনার ভয়াবহ চিত্র
.............................................................................................
ভারত জুড়ে কৃষকদের ধর্মঘটের ডাক
.............................................................................................
বিশ্বের বিপন্ন পাখি শিকারের অনুমোদন পেলেন যুবরাজ
.............................................................................................
দিল্লী অভিমুখে হাজার হাজার কৃষক : বৈঠকের আশ্বাস
.............................................................................................
ব্রহ্মপুত্রে বাঁধ দিচ্ছে চীন, ভারতে পানি সংকটের আশঙ্কা
.............................................................................................
গুপ্তঘাতকরা ছিলো সক্রিয়
.............................................................................................
‘দিল্লি চলো’ কর্মসূচিতে হাজার হাজার কৃষক
.............................................................................................
ইথিওপিয়ায় চরম মানবিক সংকট সৃষ্টি হচ্ছে : ইউএনএইচসিআর
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop