ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নওগাঁর ঠাকুরমান্দার ২শ বছরের পূরনো রাজখাড়া দেবত্তোর ষ্টেটের শ্রী শ্রী জয় কালি মাতা মন্দির ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের পরিদর্শন Logo সদর মডেল থানা ও রামু থানায় ১৪ ছিনতাইকারী গ্রেফতার Logo এপেক্স বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন নুরুল আমিন চৌধুরী Logo জনভোগান্তি কমাতে প্রশাসনের জোর তৎপরতা, সচেতনতার আহ্বান Logo ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে জাতীয় ঐকমত্যের ডাক দিলেন তানিয়া রব Logo মানিকগঞ্জে পেটে লাথি মেরে ভ্রূণ হত্যার অভিযোগ Logo তারাকান্দায় বসতবাড়ি সংলগ্ন মাটি খনন করায় বসতবাড়ি ধসে যাওয়ার শঙ্কা Logo বলাৎকারের খবর প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের নামে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের মামলা Logo তারাকান্দায় ফখরুদ্দিন হত্যার জেরে ধরে বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট Logo ডামুড্যায় ২ শত বছরের ঐতিহ্য ধরে রেখে মাছ ধরা উৎসব পালিত

অবহেলার কারণে সুন্দরবনের মধুর জিআই নিয়ে গেছে ভারত : সিপিডি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ৫৭১ বার পড়া হয়েছে

অবহেলার কারণে সুন্দরবনের মধুর জিআই নিয়ে গেছে ভারত : সিপিডি

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

সুন্দরবনের মধুর দুই-তৃতীয়াংশ বাংলাদেশের অংশ থেকে সংগৃহিত হয়

সংশ্লিষ্টদের অবহেলায় সুন্দরবনের মধুর জিআই নিয়ে গেছে ভারত: সিপিডি

সুন্দরবনের মধুর দুই-তৃতীয়াংশ সংগৃহিত হয় বাংলাদেশের অংশ থেকে। আর ভারতের অংশে থেকে তুলনামূলক কম মধু সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। সেই হিসেবে বাংলাদেশ সুন্দরবনের মধু ভৌগলিক পণ্যের দাবিদার। কিন্তু বাংলাদেশে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অবহেলার কারণে মধুর ভৌগলিক পণ্যের মালিকানা ভারত নিয়ে গেছে।

প্রশাসন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অবহেলার কারণে সুন্দরবনের মধুর ভৌগলিক নির্দেশক পণ্যের (জিআই) মর্যাদা হারিয়েছে বলে মন্তব্য করেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

বুধবার (২৬ জুন) ধানমন্ডিতে সিপিডির কার্যালয়ে সুন্দরবনের মধু এখন ভারতের ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) শীর্ষক সংলাপে সংস্থাটির ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এ কথা বলেন।

দেবপ্রিয় বলেন, ভৌগলিক পণ্যের তালিকাভুক্ত করতে ২০১৭ সালের ৭ আগস্ট বাঘেরহাটের জেলা প্রশাসক সুন্দরবনের মধুকে ভৌগলিক পণ্য হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে আবেদন করেন। এরপর ৭ বছর চলে যায়।

কিন্তু এই আবেদনকে কোনো গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে ভারত ২০২১ সালের ১২ জুলাই সুন্দরবনের মধুকে ভৌগলিক পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য ভারতের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করে ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারিতে জিআই পণ্য হিসেবে সনদ পায়।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, মধু বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্য ও এই মধুকে বাংলাদেশের জিআই পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করার উদ্যোগও নেওয়া হয়। কিন্তু সরকারের সংশ্লিষ্টদের অবহেলা ও গুরুত্ব না দেওয়ার কারণে আগে আবেদনের পরও ভারত তা নিয়ে গেছে।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুনের সঞ্চালনায় সংলাপে উপস্থিত ছিলেন, বিশেষ ফেলো ড. মুস্তাফিজুর রহমান ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গবেষণা কর্মকর্তা নাইমা হক।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

অবহেলার কারণে সুন্দরবনের মধুর জিআই নিয়ে গেছে ভারত : সিপিডি

আপডেট সময় :

 

সুন্দরবনের মধুর দুই-তৃতীয়াংশ বাংলাদেশের অংশ থেকে সংগৃহিত হয়

সংশ্লিষ্টদের অবহেলায় সুন্দরবনের মধুর জিআই নিয়ে গেছে ভারত: সিপিডি

সুন্দরবনের মধুর দুই-তৃতীয়াংশ সংগৃহিত হয় বাংলাদেশের অংশ থেকে। আর ভারতের অংশে থেকে তুলনামূলক কম মধু সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। সেই হিসেবে বাংলাদেশ সুন্দরবনের মধু ভৌগলিক পণ্যের দাবিদার। কিন্তু বাংলাদেশে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অবহেলার কারণে মধুর ভৌগলিক পণ্যের মালিকানা ভারত নিয়ে গেছে।

প্রশাসন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অবহেলার কারণে সুন্দরবনের মধুর ভৌগলিক নির্দেশক পণ্যের (জিআই) মর্যাদা হারিয়েছে বলে মন্তব্য করেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

বুধবার (২৬ জুন) ধানমন্ডিতে সিপিডির কার্যালয়ে সুন্দরবনের মধু এখন ভারতের ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) শীর্ষক সংলাপে সংস্থাটির ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এ কথা বলেন।

দেবপ্রিয় বলেন, ভৌগলিক পণ্যের তালিকাভুক্ত করতে ২০১৭ সালের ৭ আগস্ট বাঘেরহাটের জেলা প্রশাসক সুন্দরবনের মধুকে ভৌগলিক পণ্য হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে আবেদন করেন। এরপর ৭ বছর চলে যায়।

কিন্তু এই আবেদনকে কোনো গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে ভারত ২০২১ সালের ১২ জুলাই সুন্দরবনের মধুকে ভৌগলিক পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য ভারতের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করে ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারিতে জিআই পণ্য হিসেবে সনদ পায়।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, মধু বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্য ও এই মধুকে বাংলাদেশের জিআই পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করার উদ্যোগও নেওয়া হয়। কিন্তু সরকারের সংশ্লিষ্টদের অবহেলা ও গুরুত্ব না দেওয়ার কারণে আগে আবেদনের পরও ভারত তা নিয়ে গেছে।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুনের সঞ্চালনায় সংলাপে উপস্থিত ছিলেন, বিশেষ ফেলো ড. মুস্তাফিজুর রহমান ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গবেষণা কর্মকর্তা নাইমা হক।