ঢাকা ০৭:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ছাত্রদল নেতার বাড়িতে দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপি

শাখাওয়াত হোসেন টিপু, দাগনভূঞা (ফেনী)
  • আপডেট সময় : ২১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দাগনভূঞা ইকবাল মেমোরিয়াল কলেজের ছাত্র দলের সভাপতি আবদুল্লাহ আল মাসুমের বাড়িতে অগ্নিকান্ডের ঘর গতকাল শনিবার ২৫ শে এপ্রিল পরিদর্শনে দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আকবর হোসেন, এই সময় উপস্থিত ছিলেন দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি শাহীনা আকবর, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা দল নেত্রী জাহানারা বেগম, ফেনী জেলা যুবদলের সদস্য শাখাওয়াত হোসেন মামুন, আইনজীবী ও শ্রমিক দল নেতা দুলাল, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শিপন পন্ডিত, যুবদল নেতা সারোয়ার, মিল্টনসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য গত বুধবার (২৩ এপ্রিল ) রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে জানা যায় মাসুম তাদের জমি থেকে মাটি কেটে পুকুর ভরাট করছে। ঐদিন রাতে ফটিকের লোকজন এসে মাটি কাটার জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি করে। এই নিয়ে মাসুমের বড় ভাই মামুনের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির জেরে ফটিক গ্রুপের লোকজন মাসুমের ঘর ভেবে তার চাচার ঘরে অগ্নিসংযোগ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাসুমের দাবি এই অগ্নিকান্ডে তাদের প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী জানায়, মাসুমের পরিবারের সঙ্গে দ্বন্দ্ব থাকলে এই ভাবে ঘর পুড়িয়ে দেওয়ায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। আগুনে মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি এখন দিশেহারা। তারা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে এভাবে সাধারণ মানুষের জানমালের ক্ষতি করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আকবর হোসেন বলেন, যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছ আমি তাদেরকে ধিক্কার জানাই। আমি মাটি কাটাকে সমর্থন করিনা। এই ব্যাপারে আমার সাথের কেউ যদি জড়িত থাকে প্রশাসন তাদের ব্যাপারেও ব্যবস্থা নিক। আর দাগনভূঞাতে কারা সন্ত্রাস চাদাবাজি করে প্রশাসন জানে। কিন্তু প্রশাসন তাদের ব্যাপারে কেন আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছেনা সেটা প্রশাসনই জানে। যারা অপকর্মের সাথে জড়িত দল তাদেরকে বহিষ্কার করেছে, এখন প্রশাসনের দায়িত্ব তাদেরকে গ্রেফতার করা কিন্তু প্রশাসন গ্রেফতার না করলে সেটার জন্য বিএনপি দায়ী নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ছাত্রদল নেতার বাড়িতে দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপি

আপডেট সময় :

দাগনভূঞা ইকবাল মেমোরিয়াল কলেজের ছাত্র দলের সভাপতি আবদুল্লাহ আল মাসুমের বাড়িতে অগ্নিকান্ডের ঘর গতকাল শনিবার ২৫ শে এপ্রিল পরিদর্শনে দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আকবর হোসেন, এই সময় উপস্থিত ছিলেন দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি শাহীনা আকবর, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা দল নেত্রী জাহানারা বেগম, ফেনী জেলা যুবদলের সদস্য শাখাওয়াত হোসেন মামুন, আইনজীবী ও শ্রমিক দল নেতা দুলাল, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শিপন পন্ডিত, যুবদল নেতা সারোয়ার, মিল্টনসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য গত বুধবার (২৩ এপ্রিল ) রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে জানা যায় মাসুম তাদের জমি থেকে মাটি কেটে পুকুর ভরাট করছে। ঐদিন রাতে ফটিকের লোকজন এসে মাটি কাটার জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি করে। এই নিয়ে মাসুমের বড় ভাই মামুনের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির জেরে ফটিক গ্রুপের লোকজন মাসুমের ঘর ভেবে তার চাচার ঘরে অগ্নিসংযোগ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাসুমের দাবি এই অগ্নিকান্ডে তাদের প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী জানায়, মাসুমের পরিবারের সঙ্গে দ্বন্দ্ব থাকলে এই ভাবে ঘর পুড়িয়ে দেওয়ায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। আগুনে মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি এখন দিশেহারা। তারা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে এভাবে সাধারণ মানুষের জানমালের ক্ষতি করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আকবর হোসেন বলেন, যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছ আমি তাদেরকে ধিক্কার জানাই। আমি মাটি কাটাকে সমর্থন করিনা। এই ব্যাপারে আমার সাথের কেউ যদি জড়িত থাকে প্রশাসন তাদের ব্যাপারেও ব্যবস্থা নিক। আর দাগনভূঞাতে কারা সন্ত্রাস চাদাবাজি করে প্রশাসন জানে। কিন্তু প্রশাসন তাদের ব্যাপারে কেন আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছেনা সেটা প্রশাসনই জানে। যারা অপকর্মের সাথে জড়িত দল তাদেরকে বহিষ্কার করেছে, এখন প্রশাসনের দায়িত্ব তাদেরকে গ্রেফতার করা কিন্তু প্রশাসন গ্রেফতার না করলে সেটার জন্য বিএনপি দায়ী নয়।