ঢাকা ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঋণখেলাপিরা অংশ নিতে পারবে না নির্বাচনে – অর্থ উপদেষ্টা

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১০৫৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আগামী নির্বাচনে ঋণখেলাপিরা অংশ নিতে পারবে না বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। গতকাল বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের আয়োজনে ইপি-পেনশন উদ্বোধন উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন কমিশনের উচিত ঋণখেলাপিদের শনাক্ত করা। কিন্তু সমস্যা হলো কোর্টের স্টে অর্ডার নিয়ে। মহিউদ্দিন খান আলমগীর তো এই ঋণ খেলাপি নিয়ে পাঁচ বছর কাটিয়েই দিয়েছিলেন। আগামী নির্বাচনে কালো টাকা রোধে সরকার কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কালো টাকার ক্ষেত্রে দুইটা বিষয় হলো উৎস আর প্রসেস। উৎসটা কিন্তু আগের চেয়ে মোটামোটি বন্ধ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আগে তো ব্যাংকের মালিক, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিক, নিউজ পেপারের মালিক, ফ্লাটের মালিক সব একজনই। কিন্তু এখন তো এটা হচ্ছে না৷ মোটামুটি এখন একটু চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা সবসময় বলি অর্থনৈতিক উন্নয়ন নির্ভর করে রাজনৈতিক সংস্কৃতির ওপর। রাজনীতিবিদরা যদি উৎসাহ দেন টাকা-পয়সা দিয়ে নমিশনেশন দিবেন, ভোট দেবেন, তাহলে আমি অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে তো কিছুই করতে পারব না।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ঋণখেলাপিরা অংশ নিতে পারবে না নির্বাচনে – অর্থ উপদেষ্টা

আপডেট সময় :

আগামী নির্বাচনে ঋণখেলাপিরা অংশ নিতে পারবে না বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। গতকাল বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের আয়োজনে ইপি-পেনশন উদ্বোধন উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন কমিশনের উচিত ঋণখেলাপিদের শনাক্ত করা। কিন্তু সমস্যা হলো কোর্টের স্টে অর্ডার নিয়ে। মহিউদ্দিন খান আলমগীর তো এই ঋণ খেলাপি নিয়ে পাঁচ বছর কাটিয়েই দিয়েছিলেন। আগামী নির্বাচনে কালো টাকা রোধে সরকার কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কালো টাকার ক্ষেত্রে দুইটা বিষয় হলো উৎস আর প্রসেস। উৎসটা কিন্তু আগের চেয়ে মোটামোটি বন্ধ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আগে তো ব্যাংকের মালিক, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিক, নিউজ পেপারের মালিক, ফ্লাটের মালিক সব একজনই। কিন্তু এখন তো এটা হচ্ছে না৷ মোটামুটি এখন একটু চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা সবসময় বলি অর্থনৈতিক উন্নয়ন নির্ভর করে রাজনৈতিক সংস্কৃতির ওপর। রাজনীতিবিদরা যদি উৎসাহ দেন টাকা-পয়সা দিয়ে নমিশনেশন দিবেন, ভোট দেবেন, তাহলে আমি অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে তো কিছুই করতে পারব না।