ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ঝিনাইদহে সংরক্ষিত নারী আসনে তহুরা  খাতুনকে ঘিরে তৃণমূলের প্রত্যাশা Logo নওগাঁর ঠাকুরমান্দার ২শ বছরের পূরনো রাজখাড়া দেবত্তোর ষ্টেটের শ্রী শ্রী জয় কালি মাতা মন্দির ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের পরিদর্শন Logo সদর মডেল থানা ও রামু থানায় ১৪ ছিনতাইকারী গ্রেফতার Logo এপেক্স বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন নুরুল আমিন চৌধুরী Logo জনভোগান্তি কমাতে প্রশাসনের জোর তৎপরতা, সচেতনতার আহ্বান Logo ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে জাতীয় ঐকমত্যের ডাক দিলেন তানিয়া রব Logo মানিকগঞ্জে পেটে লাথি মেরে ভ্রূণ হত্যার অভিযোগ Logo তারাকান্দায় বসতবাড়ি সংলগ্ন মাটি খনন করায় বসতবাড়ি ধসে যাওয়ার শঙ্কা Logo বলাৎকারের খবর প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের নামে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের মামলা Logo তারাকান্দায় ফখরুদ্দিন হত্যার জেরে ধরে বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট

গ্যাস সংকটে বন্ধ ঘোড়াশাল-পলাশ সারকারখানার উৎপাদন

নরসিংদী প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৪৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম পরিবেশবান্ধব ২ হাজার ৮শ মেঃটন উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন নরসিংদীর পলাশের ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি কারখানার সার উৎপাদন দেশের চলমান তীব্র গ্যাস সংকটের কারনে বন্ধ হয়ে গেছে। বুধবার (৪মার্চ) বিকাল থেকে সরকারি নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এ কারখানার সার উৎপাদন বন্ধ করা হয় বলে জানান কারখানার এমডি মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ খান। বন্ধ হওয়ার পর এখনো পর্ষন্ত কারখানায় মাত্র ৫৫ হাজার ৬শ ১৮ মেঃটন সার মজুদ আছে বলেও জানান তিনি। তবে কবে নাগাদ সারকারখানাটি চালু হবে তা জানাতে পারেনি কারখানা কর্তৃপক্ষ।
কারখানা সূত্রে জানা যায়,পুরো শতভাগ উৎপাদনে চালু ছিল এ সারকারখানাটি । উৎপাদন বন্ধ থাকায় প্রতিদিন ২৮০০ মেঃটন সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। চলতি অর্থ বছরে এ সারকারখানার উৎপাদন লক্ষমাত্রা ছিল ৮লাখ ৫০ হাজার মেঃটন। যা ইতিমধ্যে ৫লাখ ২৬ হাজার ৬৩০ মেঃটন সার উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে। সূত্রে আরও জানা যায়,গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সারকারখানাটির বার্ষিক উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ছিল ৮লাখ মেঃটন সার। যার বিপরীতে কারখানাটিতে সার উৎপাদিত হয়েছে ৮লাখ ১৪ হাজার ৭৫ মেঃটন ইউরিয়া সার।
কারখানার নির্মাণ,প্রি-কমিশনিং ও কমিশনিং কাজ শেষ করে ২০২৩ সালের ১২ অক্টোবর তারিখে পরিক্ষামূলক এ কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু করে।পরে ২০২৩ সালের ১২নভেম্বর তারিখে এ নবনির্মিত সারকারখাটি উদ্বোধন করা হয়। পরে ২০২৪ সালের ১১মার্চ থেকে কারখানাটি বানিজ্যিক ভাবে পরিবেশবান্ধব এ কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু করে। প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মান হয় এ সারকারখানাটি।
কারখানা সূত্রে আরও জানাযায়, ১০ বছরের চুক্তিতে বিদেশি অর্থ সহায়তায় এ সারকারখানাটি নির্মান করা হয়।কারখানাটি উৎপাদন শুরুর পর থেকে দেনা পরিশোধের জন্য বছরে তিন মাস অন্তর অন্তর বছরে চারটি কিস্তি পরিশোধ করতে হচ্ছে। প্রতিটি কিস্তি প্রায় ৪০০ কোটি টাকার মতো।কারখানা শুরুর পর থেকে এ পর্ষন্ত ৯টি কিস্তি পরিশোধ করা হয়েছে বলে জানান কারখানা কর্তৃপক্ষ। আর এসব কিস্তির অর্থ কারখানার সার বিক্রির অর্থ থেকেই পরিশোধ করে আসছে কতৃপক্ষ। তবে কারখানা চালু থাকলে কিস্তি পরিশোধে সমস্যা হয় না।তাই কারখানার সিবিএ নের্তৃবৃন্দ,শ্রমিক-কমৃচারীরাসহ কারখানা কর্তৃপক্ষ আশা করছেন,কারখানায় দ্রুত গ্যাস সরবরাহ করে কারখানার উৎপাদন শুরু করার।
এ সারকারখানার সার উৎপাদন সম্পূর্নভাবে গ্যাস নির্ভর একটি প্রক্রিয়া। সারকারখানাটিতে নিরবিচ্ছিন্ন উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৭১-৭২ পিএসআই গ্যাসের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া ৫২-৫৩ পিএসআই গ্যাস পাওয়া গেলেও উৎপাদন চালিয়ে রাখা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গ্যাস সংকটে বন্ধ ঘোড়াশাল-পলাশ সারকারখানার উৎপাদন

আপডেট সময় :

এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম পরিবেশবান্ধব ২ হাজার ৮শ মেঃটন উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন নরসিংদীর পলাশের ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি কারখানার সার উৎপাদন দেশের চলমান তীব্র গ্যাস সংকটের কারনে বন্ধ হয়ে গেছে। বুধবার (৪মার্চ) বিকাল থেকে সরকারি নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এ কারখানার সার উৎপাদন বন্ধ করা হয় বলে জানান কারখানার এমডি মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ খান। বন্ধ হওয়ার পর এখনো পর্ষন্ত কারখানায় মাত্র ৫৫ হাজার ৬শ ১৮ মেঃটন সার মজুদ আছে বলেও জানান তিনি। তবে কবে নাগাদ সারকারখানাটি চালু হবে তা জানাতে পারেনি কারখানা কর্তৃপক্ষ।
কারখানা সূত্রে জানা যায়,পুরো শতভাগ উৎপাদনে চালু ছিল এ সারকারখানাটি । উৎপাদন বন্ধ থাকায় প্রতিদিন ২৮০০ মেঃটন সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। চলতি অর্থ বছরে এ সারকারখানার উৎপাদন লক্ষমাত্রা ছিল ৮লাখ ৫০ হাজার মেঃটন। যা ইতিমধ্যে ৫লাখ ২৬ হাজার ৬৩০ মেঃটন সার উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে। সূত্রে আরও জানা যায়,গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সারকারখানাটির বার্ষিক উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ছিল ৮লাখ মেঃটন সার। যার বিপরীতে কারখানাটিতে সার উৎপাদিত হয়েছে ৮লাখ ১৪ হাজার ৭৫ মেঃটন ইউরিয়া সার।
কারখানার নির্মাণ,প্রি-কমিশনিং ও কমিশনিং কাজ শেষ করে ২০২৩ সালের ১২ অক্টোবর তারিখে পরিক্ষামূলক এ কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু করে।পরে ২০২৩ সালের ১২নভেম্বর তারিখে এ নবনির্মিত সারকারখাটি উদ্বোধন করা হয়। পরে ২০২৪ সালের ১১মার্চ থেকে কারখানাটি বানিজ্যিক ভাবে পরিবেশবান্ধব এ কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু করে। প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মান হয় এ সারকারখানাটি।
কারখানা সূত্রে আরও জানাযায়, ১০ বছরের চুক্তিতে বিদেশি অর্থ সহায়তায় এ সারকারখানাটি নির্মান করা হয়।কারখানাটি উৎপাদন শুরুর পর থেকে দেনা পরিশোধের জন্য বছরে তিন মাস অন্তর অন্তর বছরে চারটি কিস্তি পরিশোধ করতে হচ্ছে। প্রতিটি কিস্তি প্রায় ৪০০ কোটি টাকার মতো।কারখানা শুরুর পর থেকে এ পর্ষন্ত ৯টি কিস্তি পরিশোধ করা হয়েছে বলে জানান কারখানা কর্তৃপক্ষ। আর এসব কিস্তির অর্থ কারখানার সার বিক্রির অর্থ থেকেই পরিশোধ করে আসছে কতৃপক্ষ। তবে কারখানা চালু থাকলে কিস্তি পরিশোধে সমস্যা হয় না।তাই কারখানার সিবিএ নের্তৃবৃন্দ,শ্রমিক-কমৃচারীরাসহ কারখানা কর্তৃপক্ষ আশা করছেন,কারখানায় দ্রুত গ্যাস সরবরাহ করে কারখানার উৎপাদন শুরু করার।
এ সারকারখানার সার উৎপাদন সম্পূর্নভাবে গ্যাস নির্ভর একটি প্রক্রিয়া। সারকারখানাটিতে নিরবিচ্ছিন্ন উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৭১-৭২ পিএসআই গ্যাসের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া ৫২-৫৩ পিএসআই গ্যাস পাওয়া গেলেও উৎপাদন চালিয়ে রাখা যায়।