ঢাকা ১১:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় প্রযুক্তিকে ব্যবহার করতে হবে

গণমুক্তি রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ৫০০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বনজ সম্পদ সুরক্ষা, নির্বিচারে গাছ কাটা বন্ধ, উপকারী ও প্রকৃতিবান্ধব প্রাণি ও পাখি সুরক্ষায় প্রচলিত প্রশাসনিক ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রযুক্তি তথা ড্রোন ব্যবহার করা যাবে

বনজ সম্পদ সুরক্ষা, নির্বিচারে গাছ কাটা বন্ধ, উপকারী ও প্রকৃতিবান্ধব প্রাণি ও পাখি সুরক্ষায় প্রচলিত প্রশাসনিক ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রযুক্তি তথা ড্রোন ব্যবহার করা যাবে।

বিজ্ঞান মেলায় উদ্ভাবিত প্রকল্পসমূহ কেবল শো পিস হিসেবে দেখলে চলবে না, বাস্তব জীবনে এর সঠিক প্রয়োগ ঘটিয়ে সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে।

রোববার (৩ মার্চ) বিজ্ঞান জাদুঘরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিজ্ঞান ক্লাবের প্রতিনিধি, সরকারি কর্মচারি ও তরুন বিজ্ঞানীদের নিয়ে আয়োজিত অংশীজনের সেমিনারে এসব কথা বলেন, জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের মহাপরিচালক মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী।

মহাপরিচালক বলেন, কোন প্রকারের পাখি কোথায় বসবাস ও বিচরণ করছে এবং নির্বিচার শিকার বন্ধ ও চোরাই শিকারিদের চিহ্নিতকরণে ড্রোন ও ক্যামেরাকে মোক্ষম প্রযুক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বিজ্ঞান জাদুঘরের সাথে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলে বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনকে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রয়োগের উদ্যোগের আহ্বান জানান।

শিক্ষকদের যথাযথ ভূমিকার অভাবে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান চর্চায় উদ্বুদ্ধ করা যাচ্ছে না উল্লেখ করে মহাপরিচালক বলেন, বিজ্ঞান শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টিতে শিক্ষকদের বিরাট ভূমিকা রয়েছে। শুধু আনুষ্ঠানিক সভা, সেমিনার নয়, লাগসই প্রযুক্তি দিয়ে উন্নয়নে হাত লাগাতে হবে।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোঃ নেয়ামুল নাসের। তরুণ বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবকরা তাদের উদ্ভাবন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় প্রযুক্তিকে ব্যবহার করতে হবে

আপডেট সময় :

 

বনজ সম্পদ সুরক্ষা, নির্বিচারে গাছ কাটা বন্ধ, উপকারী ও প্রকৃতিবান্ধব প্রাণি ও পাখি সুরক্ষায় প্রচলিত প্রশাসনিক ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রযুক্তি তথা ড্রোন ব্যবহার করা যাবে

বনজ সম্পদ সুরক্ষা, নির্বিচারে গাছ কাটা বন্ধ, উপকারী ও প্রকৃতিবান্ধব প্রাণি ও পাখি সুরক্ষায় প্রচলিত প্রশাসনিক ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রযুক্তি তথা ড্রোন ব্যবহার করা যাবে।

বিজ্ঞান মেলায় উদ্ভাবিত প্রকল্পসমূহ কেবল শো পিস হিসেবে দেখলে চলবে না, বাস্তব জীবনে এর সঠিক প্রয়োগ ঘটিয়ে সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে।

রোববার (৩ মার্চ) বিজ্ঞান জাদুঘরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিজ্ঞান ক্লাবের প্রতিনিধি, সরকারি কর্মচারি ও তরুন বিজ্ঞানীদের নিয়ে আয়োজিত অংশীজনের সেমিনারে এসব কথা বলেন, জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের মহাপরিচালক মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী।

মহাপরিচালক বলেন, কোন প্রকারের পাখি কোথায় বসবাস ও বিচরণ করছে এবং নির্বিচার শিকার বন্ধ ও চোরাই শিকারিদের চিহ্নিতকরণে ড্রোন ও ক্যামেরাকে মোক্ষম প্রযুক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বিজ্ঞান জাদুঘরের সাথে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলে বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনকে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রয়োগের উদ্যোগের আহ্বান জানান।

শিক্ষকদের যথাযথ ভূমিকার অভাবে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান চর্চায় উদ্বুদ্ধ করা যাচ্ছে না উল্লেখ করে মহাপরিচালক বলেন, বিজ্ঞান শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টিতে শিক্ষকদের বিরাট ভূমিকা রয়েছে। শুধু আনুষ্ঠানিক সভা, সেমিনার নয়, লাগসই প্রযুক্তি দিয়ে উন্নয়নে হাত লাগাতে হবে।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোঃ নেয়ামুল নাসের। তরুণ বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবকরা তাদের উদ্ভাবন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।