ঢাকা ১১:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

টাঙ্গাইলে প্রতিদ্বন্দ্বী ৪৭ প্রার্থীর ২৭ জনই জামানত হারিয়েছে

অলক কুমার, টাঙ্গাইল
  • আপডেট সময় : ৬২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের ৮টি সংসদীয় আসনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৪৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৭ জনই তাদের জামানত হারিয়েছেন। ঘোষিত ফলাফল পর্যালোচনা এ তথ্য জানা যায়। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট পেলে সেই প্রার্থীর জামানত রক্ষা হবে। কিন্তু ২৭ প্রার্থীর কেউই মোট গৃহীত ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি।
টাঙ্গাইল ১- (মধপুর-ধনবাড়ী) : এ আসনে ৪ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। এরা হলেন- জাতীয় পার্টির প্রার্থী মুহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হারুন অর রশীদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আলী ও আসাদুল ইসলাম। তবে এ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আলী প্রতীক পাওয়ার পর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও তাকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর- গোপালপুর) : এ আসনে ২ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। এরা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মনোয়ার হোসেন সাগর ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীর তালুকদার
টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) : এ আসনে ২ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। এরা হলেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী আইনিন নাহার ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী রেজাউল করিম।
টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) : এ আসনে ৩ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। এরা হলেন- জাতীয় পার্টির প্রার্থী লিয়াকত আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হালিম মিয়া ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আলী আমজাদ হোসেন।
টাঙ্গাইল- ৫ (সদর) : টাঙ্গাইল-৫ আসনে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী জামানত হারিয়েছে। এই আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বাংলাদেশ জামায়েতে ইসলামী মনোনীত আহসান হাবীব মাসুদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপি বিদ্রোহী) ফরহাদ ইকবাল ব্যতীত বাকী ৭ জনই জামানত হারিয়েছেন। এরা হলেন- বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী একেএম শফিকুল ইসলাম (ডাব), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খন্দকার জাকির হোসেন (হাতপাখা), গণসংহতি আন্দোলনের ফাতেমা আক্তার (মাথাল), জাতীয় পার্টির মোজাম্মেল হক (লাঙ্গল), গণঅধিকার পরিষদের মো. শফিকুল ইসলাম (ট্রাক), বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি-বিএসপি’র মো. হাসরত খান ভাসানী (একতারা) এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি’র সৈয়দ খালেকুজ্জামান মোস্তফা (তারা)।
টাঙ্গাইল- ৬ (নাগরপুর- দেলদুয়ার) : এ আসনে ৫ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। এরা হলেন- জাতীয় পার্টি (জেপি) তারেক শামস খান (বাইসাইকেল), ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী মো. আখিনুর মিয়া (হাতপাখা), জাতীয় পার্টি মোহাম্মদ মামুনুর রহিম (লাঙ্গল), স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জুয়েল সরকার (হরিণ) ও মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম (মোরগ)।
টাঙ্গাইল- ৭ (মির্জাপুর) : টাঙ্গাইল- ৭ আসনে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তারা হলেন- বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা আব্দুল্লাহ এবনে আবুল হোসেন এবং বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি মনোনীত হাতি প্রতীকের প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেন। এদের মধ্যে শুধুমাত্র বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির তোফাজ্জল হোসেন (হাতি) জামানত হারিয়েছেন।
টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল সখীপুর) : এ আসনে ৩ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। এরা হলেন- বাংলাদেশের বিল্পবী ওয়ার্কার্স পার্টির আওয়ার মাহমুদ, আমজনতা দলের আলমগীর হোসেন, জাতীয় পার্টির নাজমুল হাসান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

টাঙ্গাইলে প্রতিদ্বন্দ্বী ৪৭ প্রার্থীর ২৭ জনই জামানত হারিয়েছে

আপডেট সময় :

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের ৮টি সংসদীয় আসনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৪৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৭ জনই তাদের জামানত হারিয়েছেন। ঘোষিত ফলাফল পর্যালোচনা এ তথ্য জানা যায়। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট পেলে সেই প্রার্থীর জামানত রক্ষা হবে। কিন্তু ২৭ প্রার্থীর কেউই মোট গৃহীত ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি।
টাঙ্গাইল ১- (মধপুর-ধনবাড়ী) : এ আসনে ৪ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। এরা হলেন- জাতীয় পার্টির প্রার্থী মুহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হারুন অর রশীদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আলী ও আসাদুল ইসলাম। তবে এ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আলী প্রতীক পাওয়ার পর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও তাকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর- গোপালপুর) : এ আসনে ২ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। এরা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মনোয়ার হোসেন সাগর ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীর তালুকদার
টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) : এ আসনে ২ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। এরা হলেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী আইনিন নাহার ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী রেজাউল করিম।
টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) : এ আসনে ৩ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। এরা হলেন- জাতীয় পার্টির প্রার্থী লিয়াকত আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হালিম মিয়া ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আলী আমজাদ হোসেন।
টাঙ্গাইল- ৫ (সদর) : টাঙ্গাইল-৫ আসনে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী জামানত হারিয়েছে। এই আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বাংলাদেশ জামায়েতে ইসলামী মনোনীত আহসান হাবীব মাসুদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপি বিদ্রোহী) ফরহাদ ইকবাল ব্যতীত বাকী ৭ জনই জামানত হারিয়েছেন। এরা হলেন- বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী একেএম শফিকুল ইসলাম (ডাব), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খন্দকার জাকির হোসেন (হাতপাখা), গণসংহতি আন্দোলনের ফাতেমা আক্তার (মাথাল), জাতীয় পার্টির মোজাম্মেল হক (লাঙ্গল), গণঅধিকার পরিষদের মো. শফিকুল ইসলাম (ট্রাক), বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি-বিএসপি’র মো. হাসরত খান ভাসানী (একতারা) এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি’র সৈয়দ খালেকুজ্জামান মোস্তফা (তারা)।
টাঙ্গাইল- ৬ (নাগরপুর- দেলদুয়ার) : এ আসনে ৫ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। এরা হলেন- জাতীয় পার্টি (জেপি) তারেক শামস খান (বাইসাইকেল), ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী মো. আখিনুর মিয়া (হাতপাখা), জাতীয় পার্টি মোহাম্মদ মামুনুর রহিম (লাঙ্গল), স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জুয়েল সরকার (হরিণ) ও মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম (মোরগ)।
টাঙ্গাইল- ৭ (মির্জাপুর) : টাঙ্গাইল- ৭ আসনে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তারা হলেন- বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা আব্দুল্লাহ এবনে আবুল হোসেন এবং বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি মনোনীত হাতি প্রতীকের প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেন। এদের মধ্যে শুধুমাত্র বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির তোফাজ্জল হোসেন (হাতি) জামানত হারিয়েছেন।
টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল সখীপুর) : এ আসনে ৩ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। এরা হলেন- বাংলাদেশের বিল্পবী ওয়ার্কার্স পার্টির আওয়ার মাহমুদ, আমজনতা দলের আলমগীর হোসেন, জাতীয় পার্টির নাজমুল হাসান।