দিরাইয়ে ‘সন্ত্রাসী’ চান মিয়ার শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
- আপডেট সময় : ২৮ বার পড়া হয়েছে
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার আলোচিত প্রান্ত দাস হত্যা মামলার প্রধান আসামি চান মিয়াকে এলাকার মূর্তিমান আতঙ্ক আখ্যা দিয়ে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং গ্রামবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার তাড়ল ইউনিয়নের বাউসী গ্রামে এই কর্মসূচি পালন করেন এলাকাবাসী। এতে গ্রামের বিপুল সংখ্যক নারী-পুরুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, চান মিয়া ও তার ছেলেরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধের একাধিক মামলা রয়েছে। বক্তারা জানান, ২০১৭ সালে কামিনী দাসের পুকুরে পাহারাদার হিসেবে নিয়োগ পেয়ে বাউসী গ্রামে অস্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে ভূমিহীন চান মিয়া। এর আগে বিভিন্ন গ্রাম থেকে অপরাধের কারণে সে বিতাড়িত হয়েছিল।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৬ এপ্রিল তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাউসী গ্রামের প্রান্ত দাসকে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় চান মিয়া ও তার ছেলে শাকিলসহ পাঁচজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পেয়েই ফের বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এই চক্র।
ভুক্তভোগী কামিনী দাস অভিযোগ করেন, জামিনে বেরিয়েই চান মিয়া ফের তার জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। আদালত ওই জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করলেও তা অমান্য করে গভীর রাতে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করা হয়। বাধা দিতে গেলে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। কামিনী দাস বলেন,রাতে আমার জমিতে ঘর তৈরির খবর পেয়ে সেখানে গেলে চান মিয়া রামদা হাতে আমাকে হুমকি দিয়ে বলে একটা খুন করেছি, প্রয়োজনে আরও করব। জায়গা নিয়ে যেন বাড়াবাড়ি না করি।
স্থানীয়দের দাবি, গরু-ছাগল চুরি থেকে শুরু করে নারীদের উত্ত্যক্ত করা হেন কোনো অপকর্ম নেই যা চান মিয়া ও তার ছেলেরা করে না। এলাকায় স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে তারা প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ এনামুল হক চৌধুরী জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


















