ঢাকা ০৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

পুলিশ দেখে গ্রেফতার আতঙ্কে মৃত্যু

ফেনী প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার দরবারপুর ইউনিয়নের উওর শ্রীপুর গ্রামের মৃত মীর হোসেন পুত্রকে গত রোববার পারিবারিক ঘটনার মামলায় ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী বর্তমানে সৌদী প্রবাসী নুর হোসেন বাবুকে (৫৪) পুলিশ গ্রেপ্তার করতে গেলে সে ঘর থেকে বের না হয়ে এমনকি এলাকার মেন্বার না আসা পযন্ত ঘরের দরজাও খুলবে না বলে সে পুলিশকে জানায় । পরে এলার মেন্বার আসলে ঘরের দরজা খুলে এবং মেন্বার ওয়ারেন্ট দেখে বলে ঠিক আছে আপনি থানায় জান কাল আদালতে হতে জামিনের ব্যবস্হা করে ছাড়িয়ে আনা হবে । এই কথা শেষ হতে না হতেই উক্ত আসামী বুক চেপে ধরে তার উঠোনেই বসে পড়ে । কারণ সে ইতিপুর্বে ও একাধিক বার ষ্টোকের রোগী ছিল । এবং পুলিশের প্রহরায় তাকে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয় ।
যে সকল পুলিশ সদস্যরা তার গ্রেফতার অভিযানে অংশ নিয়েছিল তারা তার অবস্হা বিবেচনায় আসামী ধৃত হবার পর হ্যান্ডকাফ লাগায়নি । পরে হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। গত রোববার এই ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ প্রশাষন সুএে জানা গেছে ।
ফেনীর পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান জানান সে একজন পারিবারিক মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী এবং একাধিক বার ষ্ট্রোকে আক্রান্ত রোগী । সে গ্রেপ্তার করার আগেই আক্রান্ত হয়েছে । এ নিয়ে কোন ধরনের বিভ্রান্তিকুলক কোন প্রকারের সংবাদ প্রচার থেকে ফেনীর সাংবাদিক মহল বিরত থাকবেন এবং পুলিশ প্রশাষনকে সার্বিক সহযোগিতা করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন । পরিবারারিক সুএে জানা যায় মৃতের দুই পুএ ও এক কন্যা সহ স্ত্রী রয়েছেন ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পুলিশ দেখে গ্রেফতার আতঙ্কে মৃত্যু

আপডেট সময় :

ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার দরবারপুর ইউনিয়নের উওর শ্রীপুর গ্রামের মৃত মীর হোসেন পুত্রকে গত রোববার পারিবারিক ঘটনার মামলায় ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী বর্তমানে সৌদী প্রবাসী নুর হোসেন বাবুকে (৫৪) পুলিশ গ্রেপ্তার করতে গেলে সে ঘর থেকে বের না হয়ে এমনকি এলাকার মেন্বার না আসা পযন্ত ঘরের দরজাও খুলবে না বলে সে পুলিশকে জানায় । পরে এলার মেন্বার আসলে ঘরের দরজা খুলে এবং মেন্বার ওয়ারেন্ট দেখে বলে ঠিক আছে আপনি থানায় জান কাল আদালতে হতে জামিনের ব্যবস্হা করে ছাড়িয়ে আনা হবে । এই কথা শেষ হতে না হতেই উক্ত আসামী বুক চেপে ধরে তার উঠোনেই বসে পড়ে । কারণ সে ইতিপুর্বে ও একাধিক বার ষ্টোকের রোগী ছিল । এবং পুলিশের প্রহরায় তাকে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয় ।
যে সকল পুলিশ সদস্যরা তার গ্রেফতার অভিযানে অংশ নিয়েছিল তারা তার অবস্হা বিবেচনায় আসামী ধৃত হবার পর হ্যান্ডকাফ লাগায়নি । পরে হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। গত রোববার এই ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ প্রশাষন সুএে জানা গেছে ।
ফেনীর পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান জানান সে একজন পারিবারিক মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী এবং একাধিক বার ষ্ট্রোকে আক্রান্ত রোগী । সে গ্রেপ্তার করার আগেই আক্রান্ত হয়েছে । এ নিয়ে কোন ধরনের বিভ্রান্তিকুলক কোন প্রকারের সংবাদ প্রচার থেকে ফেনীর সাংবাদিক মহল বিরত থাকবেন এবং পুলিশ প্রশাষনকে সার্বিক সহযোগিতা করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন । পরিবারারিক সুএে জানা যায় মৃতের দুই পুএ ও এক কন্যা সহ স্ত্রী রয়েছেন ।