ঢাকা ০১:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

পোড়াদহে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বসত বাড়ি নির্মাণ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২৪২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ ইউনিয়নের দক্ষিণ কাটদহ গ্রামে আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাতের অন্ধকারে কলাম উঠিয়ে বিল্ডিং নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বাদী একে এম রফিকুল ইসলাম দিং জানিয়েছেন যে, বিবাদি মো. শোভন ইসলাম দিং আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত জমিতে জোরপূর্বক ভবন নির্মাণ চালিয়ে যাচ্ছেন।
জানা যায়, বিগত সময়ে একই জমিতে গাছ কাটা ও দখলের চেষ্টা নিয়ে তিন জনের বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছিলেন বাদী একে এম রফিকুল ইসলাম দিং। ওই অভিযোগের পর আদালত জমিতে যেকোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
কিন্তু অভিযোগ রয়েছে—সেই নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিবাদি পক্ষ রাতের অন্ধকারে জমিতে ঢুকে বালু, ইটসহ নির্মাণ সামগ্রী মজুত করে কলাম (পিলার) তৈরি শুরু করেছে, যা এখন দৃশ্যমানভাবে ভবন নির্মাণের রূপ নিচ্ছে। এতে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
বাদীর অভিযোগ, “আদালতের পরিষ্কার নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও তারা প্রকাশ্যে ভবনের ভিত্তি তৈরি করছে। গাছ কাটার মামলা থেকে বাঁচতেই এখন দিন এবং রাতের অন্ধকারে কলাম দিচ্ছে, যাতে দখল প্রক্রিয়াটি স্থায়ী করা যায়।”
স্থানীয়রা জানান, বিষয়টি প্রশাসনকে জানালেও এখনও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বাদী একে এম রফিকুল ইসলাম দিং দ্রুত আদালতের নির্দেশ কার্যকর ও নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন- “বিবাদি ইচ্ছাকৃতভাবে আদালতের আদেশ লঙ্ঘন করে দখল ও নির্মাণকাজ চালাচ্ছে। আমরা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ চাই।”
এদিকে গ্রামের সাধারণ মানুষও আইনের শাসন রক্ষা ও জমি বিরোধজনিত অস্থিরতা রোধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পোড়াদহে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বসত বাড়ি নির্মাণ

আপডেট সময় :

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ ইউনিয়নের দক্ষিণ কাটদহ গ্রামে আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাতের অন্ধকারে কলাম উঠিয়ে বিল্ডিং নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বাদী একে এম রফিকুল ইসলাম দিং জানিয়েছেন যে, বিবাদি মো. শোভন ইসলাম দিং আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত জমিতে জোরপূর্বক ভবন নির্মাণ চালিয়ে যাচ্ছেন।
জানা যায়, বিগত সময়ে একই জমিতে গাছ কাটা ও দখলের চেষ্টা নিয়ে তিন জনের বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছিলেন বাদী একে এম রফিকুল ইসলাম দিং। ওই অভিযোগের পর আদালত জমিতে যেকোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
কিন্তু অভিযোগ রয়েছে—সেই নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিবাদি পক্ষ রাতের অন্ধকারে জমিতে ঢুকে বালু, ইটসহ নির্মাণ সামগ্রী মজুত করে কলাম (পিলার) তৈরি শুরু করেছে, যা এখন দৃশ্যমানভাবে ভবন নির্মাণের রূপ নিচ্ছে। এতে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
বাদীর অভিযোগ, “আদালতের পরিষ্কার নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও তারা প্রকাশ্যে ভবনের ভিত্তি তৈরি করছে। গাছ কাটার মামলা থেকে বাঁচতেই এখন দিন এবং রাতের অন্ধকারে কলাম দিচ্ছে, যাতে দখল প্রক্রিয়াটি স্থায়ী করা যায়।”
স্থানীয়রা জানান, বিষয়টি প্রশাসনকে জানালেও এখনও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বাদী একে এম রফিকুল ইসলাম দিং দ্রুত আদালতের নির্দেশ কার্যকর ও নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন- “বিবাদি ইচ্ছাকৃতভাবে আদালতের আদেশ লঙ্ঘন করে দখল ও নির্মাণকাজ চালাচ্ছে। আমরা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ চাই।”
এদিকে গ্রামের সাধারণ মানুষও আইনের শাসন রক্ষা ও জমি বিরোধজনিত অস্থিরতা রোধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।