ঢাকা ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

পৌরসভার ময়লার দুর্গন্ধে দূষিত হচ্ছে দাগনভূঞার বাতাস, অস্বস্তি

শাখাওয়াত হোসেন টিপু, দাগনভূঞা (ফেনী)
  • আপডেট সময় : ১০২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
  • দাগনভূঞা পৌরসভায় ওয়েস্ট ম্যানেজম্যান্ট প্ল্যান্ট কি ভেস্তে যাচ্ছে?

দাগনভূঞা পৌরসভা ফেনী নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে মাতৃভূঞা ব্রিজ সংলগ্ন দীর্ঘদিন ফেলানো পৌরসভার ময়লার ভাগাড়, ইট ভাটা ও এ্যালুমিনিয়াম কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়ায় মারাত্মক হুমকিতে বসবাস করছেন শত শত স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে পরিবেশ যেমন হুমকিতে তেমনি অনিরাপদ বসবাস করছেন স্থানীয়রা। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি সচেতনমহলের।
সরেজমিনে দেখা যায়, দাগনভূঞার পৌর বর্জ্য দীর্ঘবছর ফেলানোর কারনে মাতৃভূঞা এলাকায় একটি বিষাক্ত গ্রামে পরিণত হয়েছে। তার পাশাপাশি সালামত ব্রিকফিল্ড, ন্যাশনাল ব্রিকফিল্ড, তারা মিয়া ব্রিকফিল্ডসহ রয়েছে শহীদ নয়াম তৈরির কারখানা। এতে জনজীবনে নেমে আসছে অনিরাপদ বসবাসে মারাত্মক ঝুঁকি। যদিও জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এসব শিল্প কারখানা করার নিয়ম নেই তারপরও বিগত সময়ে নির্মিত হয়েছে এসব অব্যবস্থাপনায় শিল্প কারখানা ও ইটভাটা। উপজেলা ২৪ টি ইটভাটার কথা উল্লেখ থাকলেও কারও নবায়ন নেই আবার কারও কারও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই বলেও সূত্র জানায়। ইট পোড়াতে কাঠ, কয়লা, অথবা অন্যান্য জ্বালানি ব্যবহারে কার্বন ডাই অক্সাইড, সালফার ডাই-অক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড নির্গত হয়। এগুলো শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, চোখ ও গলা জ্বালা সৃষ্টি করে। মাটির ক্ষতি হিসেবে ইটভাটার জন্য উর্বর ভূমির মাটি কাটায় জমির উর্বরতা কমে যায়। কাঠ ব্যবহার করলে বন উজাড় হয়, যার ফলে
জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ে। জলবায়ু পরিবর্তন হিসেবে ইটভাটা গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত করে তাপমাত্রা বাড়ায়।
অ্যালুমিনিয়াম কারখানার পরিবেশগত ক্ষতি, বিপজ্জনক রাসায়নিক নির্গমন, অ্যালুমিনিয়াম উৎপাদনে ফ্লুরাইড, সালফার যৌগ, পলিসাইক্লিক অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন নির্গত হয়। এগুলো মানুষের দাঁত, হাড়, ফুসফুসের ওপর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করে। বায়ু ও পানি দূষণ, ধুলো, ধোঁয়া এবং বর্জ্য পানি পরিবেশকে দূষিত করে, ফলে নদী-নালা ও মাছের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। শব্দ দূষণে ভারী যন্ত্রপাতির শব্দ কাছাকাছি মানুষের স্বাস্থ্য ও বন্যপ্রাণীকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
পচা বজা থেকে মিথেন অ্যামোনিয়া, হাইড্রোজেন সালফাইড-এর মতো বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়। এগুলো শ্বাসকষ্ট, মাথাব্যাথা, বমিভাব, চোখে জ্বালা সৃষ্টি করে। তুমি ও পানি দূষণে আবর্জনা থেকে বের হওয়া লিচিং (দূষিত পানি) মাটির নিচের পানি নষ্ট করে। এ্যালুমিনিয়াম দুর্গন্ধ ও আবর্জনায় দুর্গন্ধ ও গ্যাস নির্গমনে রোগজীবাণুর বিস্তারে ময়লার স্তূপে মাছি, মশা, ইদুর জন্যায় যা ডেঙ্গু, টাইফয়েড, ডায়রিয়ার মতো রোগ ছড়ায়। এক কথায় বায়ুদূষণ, শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, হৃদরোগ, মাটি দুষণ, কৃষি উৎপাদন কমে যায়, পানিদূষণে পানিবাহিত রোগ বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্য নষ্ট, গ্লোবাল ওয়ার্মিং বৃদ্ধিমানুষের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালাম জানান, নিজেদের বাড়িতে শান্তিমতো বসবাস করতে পারছি না। প্রতিনিয়ত দুর্গন্ধযুক্ত বাতাস, বোয়া নিয়ে বসবাস করি। কেউ আমাদের কথা ভাবেন না। আবার ঘরবাড়ি ফেলে যেতেও পারবো না। গাছপালা সহ কৃষি চাষাবাদ ও ঠিকমতো হয়না। আমরা সবদিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।
দাগনভূঞা পৌরসভার ময়লা নিষ্কাশন একটি বড় সমস্যা, যেখানে যত্রতত্র ময়লা ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণ ও দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানে সরকার আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে, যার মধ্যে দাগনভূঞাও অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু প্রকল্পের বাস্তবায়নে স্থানীয় বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বর্তমানে বাজারের অলিগলিতে ও রাস্তার পাশে ময়লার স্তূপ দেখা যায়, যা জনজীবন ব্যাহত করছে।
মাতৃভূঞা করিম উল্যাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম বাছির জানান, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এবং স্থানীয় লোকজন পৌরসভার ময়লার দুর্গন্ধে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে। আমরা এর দ্রুত সমাধান আশা করছি।
এ বিষয়ে দাগনভূঞা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ডাঃ সোহরাব আল হোসাইন জানান, ময়লার ভাগাড়ের দুর্গন্ধ মানবজীবনের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। ডেঙ্গু, কলেরা, ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট, হাপানি, হৃদরোগসহ নানান জটিল রোগের সৃষ্টি হয়। এ‍্যালুমিনিয়াম কারখানার ধোঁয়া আরো ভয়াবহ। সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না মেনে এসব কারখানা জনবসতিস্থানে নির্মান করা ঠিক নয় বলে জানান তিনি।
দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীদুল ইসলাম জানান, ইট ভাটার বিষয়ে কারও অনুমতিপত্র আছে আবার কারও কারও নেই। এসব বিষয়ে আমরা অভিযান পরিচালনা করবো। বৈধ সনদ হালনাগাদ বা পরিবেশ ছাড়পত্র না থাকলে সে ইটভাটা সহ বাকিদের কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে। এ্যালুমিনিয়াম কারখানার বিষয়টিও দেখা হবে। পৌরসভার ডাম্পিং স্টেশন নির্মানে পৌরবাসী, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন। অন্যথায় এ বাজেট অন্যত্র চলে যাবে।
তিনি আরও বলেন, আমি এবং আমার বিদায়ী ইউএনও আজাহারুল ইসলাম স্যার পৌরসভার ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্লান্ট নিয়ে কত চেষ্টা করলাম। কিন্তু তার ফল পেলাম না।আমরা পৌরসভার পক্ষ থেকে সকল শ্রেণি পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় সভা করেছি। আমাদের সাথে পরিবেশ অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য বিভাগ ও প্রকৌশল বিভাগ এই ওয়েস্ট ম্যানেজম্যান্ট প্লান্ট বিশষে খুটিনাটি সবার সাথে শেয়ার করেছে। পৃথিবীতে এই প্লান্টের মাধ্যমে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার নজির নেই। আমাদের সম্মানিত জেলা প্রশাসক স্যার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( রাজস্ব) স্যার সহ সকলেই অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে আপনাদের জন্য। এখনও সুযোগ আছে আসুন আমরা একসাথে সকল মতভেদ ভুলে গিয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে এগিয়ে আসি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পৌরসভার ময়লার দুর্গন্ধে দূষিত হচ্ছে দাগনভূঞার বাতাস, অস্বস্তি

আপডেট সময় :
  • দাগনভূঞা পৌরসভায় ওয়েস্ট ম্যানেজম্যান্ট প্ল্যান্ট কি ভেস্তে যাচ্ছে?

দাগনভূঞা পৌরসভা ফেনী নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে মাতৃভূঞা ব্রিজ সংলগ্ন দীর্ঘদিন ফেলানো পৌরসভার ময়লার ভাগাড়, ইট ভাটা ও এ্যালুমিনিয়াম কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়ায় মারাত্মক হুমকিতে বসবাস করছেন শত শত স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে পরিবেশ যেমন হুমকিতে তেমনি অনিরাপদ বসবাস করছেন স্থানীয়রা। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি সচেতনমহলের।
সরেজমিনে দেখা যায়, দাগনভূঞার পৌর বর্জ্য দীর্ঘবছর ফেলানোর কারনে মাতৃভূঞা এলাকায় একটি বিষাক্ত গ্রামে পরিণত হয়েছে। তার পাশাপাশি সালামত ব্রিকফিল্ড, ন্যাশনাল ব্রিকফিল্ড, তারা মিয়া ব্রিকফিল্ডসহ রয়েছে শহীদ নয়াম তৈরির কারখানা। এতে জনজীবনে নেমে আসছে অনিরাপদ বসবাসে মারাত্মক ঝুঁকি। যদিও জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এসব শিল্প কারখানা করার নিয়ম নেই তারপরও বিগত সময়ে নির্মিত হয়েছে এসব অব্যবস্থাপনায় শিল্প কারখানা ও ইটভাটা। উপজেলা ২৪ টি ইটভাটার কথা উল্লেখ থাকলেও কারও নবায়ন নেই আবার কারও কারও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই বলেও সূত্র জানায়। ইট পোড়াতে কাঠ, কয়লা, অথবা অন্যান্য জ্বালানি ব্যবহারে কার্বন ডাই অক্সাইড, সালফার ডাই-অক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড নির্গত হয়। এগুলো শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, চোখ ও গলা জ্বালা সৃষ্টি করে। মাটির ক্ষতি হিসেবে ইটভাটার জন্য উর্বর ভূমির মাটি কাটায় জমির উর্বরতা কমে যায়। কাঠ ব্যবহার করলে বন উজাড় হয়, যার ফলে
জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ে। জলবায়ু পরিবর্তন হিসেবে ইটভাটা গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত করে তাপমাত্রা বাড়ায়।
অ্যালুমিনিয়াম কারখানার পরিবেশগত ক্ষতি, বিপজ্জনক রাসায়নিক নির্গমন, অ্যালুমিনিয়াম উৎপাদনে ফ্লুরাইড, সালফার যৌগ, পলিসাইক্লিক অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন নির্গত হয়। এগুলো মানুষের দাঁত, হাড়, ফুসফুসের ওপর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করে। বায়ু ও পানি দূষণ, ধুলো, ধোঁয়া এবং বর্জ্য পানি পরিবেশকে দূষিত করে, ফলে নদী-নালা ও মাছের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। শব্দ দূষণে ভারী যন্ত্রপাতির শব্দ কাছাকাছি মানুষের স্বাস্থ্য ও বন্যপ্রাণীকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
পচা বজা থেকে মিথেন অ্যামোনিয়া, হাইড্রোজেন সালফাইড-এর মতো বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়। এগুলো শ্বাসকষ্ট, মাথাব্যাথা, বমিভাব, চোখে জ্বালা সৃষ্টি করে। তুমি ও পানি দূষণে আবর্জনা থেকে বের হওয়া লিচিং (দূষিত পানি) মাটির নিচের পানি নষ্ট করে। এ্যালুমিনিয়াম দুর্গন্ধ ও আবর্জনায় দুর্গন্ধ ও গ্যাস নির্গমনে রোগজীবাণুর বিস্তারে ময়লার স্তূপে মাছি, মশা, ইদুর জন্যায় যা ডেঙ্গু, টাইফয়েড, ডায়রিয়ার মতো রোগ ছড়ায়। এক কথায় বায়ুদূষণ, শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, হৃদরোগ, মাটি দুষণ, কৃষি উৎপাদন কমে যায়, পানিদূষণে পানিবাহিত রোগ বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্য নষ্ট, গ্লোবাল ওয়ার্মিং বৃদ্ধিমানুষের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালাম জানান, নিজেদের বাড়িতে শান্তিমতো বসবাস করতে পারছি না। প্রতিনিয়ত দুর্গন্ধযুক্ত বাতাস, বোয়া নিয়ে বসবাস করি। কেউ আমাদের কথা ভাবেন না। আবার ঘরবাড়ি ফেলে যেতেও পারবো না। গাছপালা সহ কৃষি চাষাবাদ ও ঠিকমতো হয়না। আমরা সবদিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।
দাগনভূঞা পৌরসভার ময়লা নিষ্কাশন একটি বড় সমস্যা, যেখানে যত্রতত্র ময়লা ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণ ও দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানে সরকার আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে, যার মধ্যে দাগনভূঞাও অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু প্রকল্পের বাস্তবায়নে স্থানীয় বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বর্তমানে বাজারের অলিগলিতে ও রাস্তার পাশে ময়লার স্তূপ দেখা যায়, যা জনজীবন ব্যাহত করছে।
মাতৃভূঞা করিম উল্যাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম বাছির জানান, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এবং স্থানীয় লোকজন পৌরসভার ময়লার দুর্গন্ধে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে। আমরা এর দ্রুত সমাধান আশা করছি।
এ বিষয়ে দাগনভূঞা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ডাঃ সোহরাব আল হোসাইন জানান, ময়লার ভাগাড়ের দুর্গন্ধ মানবজীবনের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। ডেঙ্গু, কলেরা, ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট, হাপানি, হৃদরোগসহ নানান জটিল রোগের সৃষ্টি হয়। এ‍্যালুমিনিয়াম কারখানার ধোঁয়া আরো ভয়াবহ। সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না মেনে এসব কারখানা জনবসতিস্থানে নির্মান করা ঠিক নয় বলে জানান তিনি।
দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীদুল ইসলাম জানান, ইট ভাটার বিষয়ে কারও অনুমতিপত্র আছে আবার কারও কারও নেই। এসব বিষয়ে আমরা অভিযান পরিচালনা করবো। বৈধ সনদ হালনাগাদ বা পরিবেশ ছাড়পত্র না থাকলে সে ইটভাটা সহ বাকিদের কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে। এ্যালুমিনিয়াম কারখানার বিষয়টিও দেখা হবে। পৌরসভার ডাম্পিং স্টেশন নির্মানে পৌরবাসী, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন। অন্যথায় এ বাজেট অন্যত্র চলে যাবে।
তিনি আরও বলেন, আমি এবং আমার বিদায়ী ইউএনও আজাহারুল ইসলাম স্যার পৌরসভার ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্লান্ট নিয়ে কত চেষ্টা করলাম। কিন্তু তার ফল পেলাম না।আমরা পৌরসভার পক্ষ থেকে সকল শ্রেণি পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় সভা করেছি। আমাদের সাথে পরিবেশ অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য বিভাগ ও প্রকৌশল বিভাগ এই ওয়েস্ট ম্যানেজম্যান্ট প্লান্ট বিশষে খুটিনাটি সবার সাথে শেয়ার করেছে। পৃথিবীতে এই প্লান্টের মাধ্যমে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার নজির নেই। আমাদের সম্মানিত জেলা প্রশাসক স্যার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( রাজস্ব) স্যার সহ সকলেই অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে আপনাদের জন্য। এখনও সুযোগ আছে আসুন আমরা একসাথে সকল মতভেদ ভুলে গিয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে এগিয়ে আসি।