বলাৎকারের খবর প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের নামে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের মামলা
- আপডেট সময় : ২৬ বার পড়া হয়েছে
দাগনভূঞা উপজেলা মাতুভূঞা ইউনিয়ন দক্ষিন নেয়াজপুর মুকবুল আহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মধ্যম ফেনীর চাড়িপুর স্কুলের ছাত্র বলৎকারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্কুলে অবরুদ্ধ করে রেখেছিলেন ওই স্কুলের শিক্ষার্থীরা।
এরই পরিপ্রক্ষিতে স্থানীয়, জাতীয় দৈনিক ও কয়েকটি টিভি চ্যানেলে নিউজ প্রকাশিত হয় এবং বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া পেইজ বুক পেইজে ফলাও করে নিউজ চাপা হয়। এবং তার নামে ফেনী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষক মাইন উদ্দিন ফেনী আদালতে এলাকাবাসী ও সাংবাদিকদের নামে মামলা দায়ের করেন। যার বিবরণ হল-সিআর মামলা নং-০৪/২০২৬ইং (দাগনভইয়া), তারিখ-০১/০১/২০২৬ইং,ধারা-১০৯/৫০০/৩৫২/৫০৬ (২)পেনাল কোড। মামলার বিবাদী কীা হয় বারো জনকে। তার মধ্যে
সাংবাদিক দুইজন হলেন ১০ নাম্বারে ফখরুল ইসলাম ও ১২/ নাম্বারে শাখাওয়াত হোসেন। উল্লেখ্য গত ৪ ই নভেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার ফেনী পৌরসভার মধ্যম চাড়ীপুর মৌলভী আব্দুস সালাম সড়কের আহমদ মঞ্জিলে ঘটে। অভিযুক্তমাঈন উদ্দিন মাস্টার দাগনভূঞার দক্ষিণ নেয়াজপুর মকবুল আহমেদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। শিশুটির মা মুন্নি আক্তার জানান, তারাদীর্ঘদিন ধরে ওই স্কুল শিক্ষকের বাসায় ভাড়া থাকে-ন। গত মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে স্ত্রী বাসা না থাকাঅবস্থায় তার ছেলেকে বাসায় কাজের কথা বলে ঢে-কে বলাৎকারের চেষ্টা করে। এসময় শিশুটি চিৎকার করলে তার হাতে ১শ টাকা দিয়ে ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য বলেন। পরে সে দৌড় দিয়ে বাসায় এসে ঘটনাটি তার মাকে জানান। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনার পরথেকে অভিযুক্ত স্কুল শিক্ষক পলাতক রয়েছে। তখন তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ করেছেন স্কুলের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণসহ শিক্ষকরা। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে অপসারণ ও তদন্ত সাপেক্ষে তারবিচার দাবি করেন শিক্ষার্থী-রা। পরবর্তী অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মাঈন উদ্দিনকে দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এক পরিপত্রের মাধ্যমে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
মামলার বিষয়ে সাংবাদিক শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ছাত্র বলাৎকারের অভিযোগে আমরা নিউজ করেছিলাম পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষক বাদী হয়ে গত জানুয়ারি মাসে ফেনী আদালতে সি আর মামলা করে। সেই মামলায় আমি এবং গ্রীণ টিভির ফেনী জেলা প্রতিনিধি ফখরুল ইসলামের নামও দেওয়া হয়। মামলা তদন্ত দেওয়া হয় পিভিআইকে। তদন্তের স্বার্থে আমরা সম্পূর্ণ তথ্য প্রেরণ করেছি। এবং পিভিআই তদন্ত কর্মকর্তা এস আই আক্তার হোসেনের সাথে দেখা করে সমস্ত বিষয় অবহিত করা হয়। তিনি তখন বলেন আমরা অতি উৎসাহী হয়ে ওনার বিরুদ্ধে নিউজ করেছি। কয়েকদিন আগে তিনি আবার যেতে বলেন। আমরা তদন্তের স্বার্থে সমস্ত ডকুমেন্টস দেওয়ার পরও তার সাথে দেখা করতে যাওয়াকে আমার মতে হয়রানি মনে হয়।



















