ঢাকা ০২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বাগমারায় এলজিইডির কাজে নিম্নমানের অভিযোগ, তথ্য দিতে অনীহা প্রকৌশলীর Logo কক্সবাজারে মায়ের সঙ্গে কারাগারে ছয় বছরের শিশু Logo নেছারাবাদে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযান Logo গোপালগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান, মাদকসহ আটক ১ Logo ঘাটাইলে প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দূর্নীতির অভিযোগ Logo সুন্দরবন থেকে দেড় বছরে ৬১ দস্যুকে অস্ত্রসহ আটক করেছে কোস্টগার্ড Logo মনোনয়ন কিনতে গিয়ে লাঞ্ছিত প্রার্থীরা Logo পলিক্রস পেঁয়াজে কৃষকের নতুন স্বপ্ন, বদলাচ্ছে আয়ের হিসাব Logo ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দোষীদের গ্রেপ্তার দাবি Logo লাইসেন্স নেই, অধিক মূল্যে জ্বালানি বিক্রি করায় জরিমানা

বানের জলে ভাসছে ফেনী-নোয়াখালি শতাধিক গ্রাম প্লাবিত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ৪১৪ বার পড়া হয়েছে

বন্যাদুর্গতরা ছুটছেন নিরাপদ আশ্রয়ে : ছবি সংগ্রহ

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বানের জলে তলিয়ে গেছে ফেনীর ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়ার শতাধিক গ্রাম। তাতে পানিবন্দী লাখো মানুষ। তলিয়ে গেছে রাস্তা-ঘাট ও ঘর-বসতি।
অন্যদিকে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ সদর ও চাটখিল এলাকা বন্যা কবলিত।

বেগমগঞ্জের আলাইয়াপুর ইউনিয়নের আমানউল্লাপুর গ্রামের হারুন অর রশিদ খোকা জানান, তার বাড়িতে পানি ওঠেছে। রান্না ঘরে পানি ওঠায় তারা রান্না করতে পারছেন না।

বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইছে মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনীয়া নদীর পানি। ফুলগাজী উপজেলার সদর ইউনিয়ন, আনন্দপুর, মুন্সীরহাট, আমজাদহাট ইউনিয়নের ৪০টির বেশি গ্রামের মানুষ পানিবন্দী।

পরশুরামের মির্জানগর, চিথলিয়া, বক্সমাহমুদ এবং পৌরশহরসহ ৪৫টির বেশি গ্রাম পানিতে তলিয়ে রয়েছে। ছাগলনাইয়ার পাঠান নগর, রাধানগর, শুভপুর ইউনিয়নেরও বেশ কয়েকটি গ্রামে বন্যা হচ্ছে।

এসব এলাকায় তলিয়ে গেছে রাস্তা-ঘাট, পুকুর ও ফসলি জমি। কিছু কিছু এলাকায় মানুষের ঘরের ছাদ ও টিনের চালেও ছুঁয়েছে বন্যার পানি। এমন পরিস্থিতিতে আশ্রয় খুঁজছেন স্থানীয়রা। বন্যাদুর্গতদের জন্য ত্রাণ সহায়তা নিয়ে মাঠে নেমেছে স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

গত মাসের মাসের শুরুতে মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনীয়া নদীর ১৫ স্থানে ভাঙন দেখা যায়। সেসব স্থানে মেরামতের পর চলতি মাসের শুরুতে বাঁধের আরও ১২ স্থানে ভাঙন দেখা দেয়।

বাঁধে ভাঙনে প্লাবিত হয় শতাধিক গ্রাম। অবকাঠামো, ধান, ফসল ও মৎস্যে ক্ষতি ৩০ কোটি ছাড়িয়ে যায়। ১৫ দিনের মাথায় আবার দেখা দিল বন্যা।

ফেনী জেলা প্রশাসক মুসাম্মত শাহীনা আক্তার বলেন, ত্রাণ সহায়তা ও উদ্ধার অভিযানে প্রশাসন তৎপর রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবুল কাশেম বলেন, মুহুরী নদীর পানি বিপদ সীমার ৮৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ফেনী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক মুনীর হোসেন বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের রেকর্ড করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বানের জলে ভাসছে ফেনী-নোয়াখালি শতাধিক গ্রাম প্লাবিত

আপডেট সময় :

 

বানের জলে তলিয়ে গেছে ফেনীর ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়ার শতাধিক গ্রাম। তাতে পানিবন্দী লাখো মানুষ। তলিয়ে গেছে রাস্তা-ঘাট ও ঘর-বসতি।
অন্যদিকে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ সদর ও চাটখিল এলাকা বন্যা কবলিত।

বেগমগঞ্জের আলাইয়াপুর ইউনিয়নের আমানউল্লাপুর গ্রামের হারুন অর রশিদ খোকা জানান, তার বাড়িতে পানি ওঠেছে। রান্না ঘরে পানি ওঠায় তারা রান্না করতে পারছেন না।

বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইছে মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনীয়া নদীর পানি। ফুলগাজী উপজেলার সদর ইউনিয়ন, আনন্দপুর, মুন্সীরহাট, আমজাদহাট ইউনিয়নের ৪০টির বেশি গ্রামের মানুষ পানিবন্দী।

পরশুরামের মির্জানগর, চিথলিয়া, বক্সমাহমুদ এবং পৌরশহরসহ ৪৫টির বেশি গ্রাম পানিতে তলিয়ে রয়েছে। ছাগলনাইয়ার পাঠান নগর, রাধানগর, শুভপুর ইউনিয়নেরও বেশ কয়েকটি গ্রামে বন্যা হচ্ছে।

এসব এলাকায় তলিয়ে গেছে রাস্তা-ঘাট, পুকুর ও ফসলি জমি। কিছু কিছু এলাকায় মানুষের ঘরের ছাদ ও টিনের চালেও ছুঁয়েছে বন্যার পানি। এমন পরিস্থিতিতে আশ্রয় খুঁজছেন স্থানীয়রা। বন্যাদুর্গতদের জন্য ত্রাণ সহায়তা নিয়ে মাঠে নেমেছে স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

গত মাসের মাসের শুরুতে মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনীয়া নদীর ১৫ স্থানে ভাঙন দেখা যায়। সেসব স্থানে মেরামতের পর চলতি মাসের শুরুতে বাঁধের আরও ১২ স্থানে ভাঙন দেখা দেয়।

বাঁধে ভাঙনে প্লাবিত হয় শতাধিক গ্রাম। অবকাঠামো, ধান, ফসল ও মৎস্যে ক্ষতি ৩০ কোটি ছাড়িয়ে যায়। ১৫ দিনের মাথায় আবার দেখা দিল বন্যা।

ফেনী জেলা প্রশাসক মুসাম্মত শাহীনা আক্তার বলেন, ত্রাণ সহায়তা ও উদ্ধার অভিযানে প্রশাসন তৎপর রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবুল কাশেম বলেন, মুহুরী নদীর পানি বিপদ সীমার ৮৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ফেনী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক মুনীর হোসেন বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের রেকর্ড করা হয়েছে।