ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
- আপডেট সময় : ১৩২ বার পড়া হয়েছে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী প্রদত্ত ভোটের আটভাগের একভাগ (১২.৫ শতাংশ) ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এবারের নির্বাচনে ওই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণসংহতি আন্দোলন ও এবি পার্টির প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ পেয়েছেন ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৪১ ভোটে।
অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মো: সিরাজুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৬০৬ ভোট। গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী মো: নজরুল ইসলাম মাথাল প্রতীকে পেয়েছেন ৫৯৮ ভোট এবং এবি পার্টির প্রার্থী মো: রফিকুল ইসলাম ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩৩ ভোট। প্রাপ্ত ভোটের হার নির্ধারিত সীমার নিচে থাকায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
মুক্তাগাছা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা রাজিবুল করিম জানান, আইন অনুযায়ী প্রার্থীদের একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ জামানত হিসেবে জমা দিতে হয়। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী প্রাপ্ত ভোটের কমপক্ষে আটভাগের একভাগ না পেলে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা পড়ে।
এ আসনে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে। ফল ঘোষণার পর বিজয়ী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ উল্লাস দেখা যায়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, এবারের ফলাফলে মুক্তাগাছায় বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি ও নির্বাচনী প্রস্তুতির প্রতিফলন ঘটেছে। পাশাপাশি দ্বিতীয় স্থানে থাকা জামায়াত প্রার্থীর উল্লেখযোগ্য ভোটও স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।


















