ঢাকা ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬

গণভোটের ১৩৩টি অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন নিয়ে সংসদের ভেতরে-বাইরে উত্তাপ

সংসদ না রাজপথ

মহিউদ্দিন তুষার, সিনিয়র রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ৩৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে রাষ্ট্রপতির জারিকৃত ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি চলতি অধিবেশনে অনুমোদন না পাওয়া বা কার্যত বাতিল হওয়ার পথে। বিষয়টি ঘিরে জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের তীব্র প্রতিবাদ দেখা দিয়েছে। যদিও সংসদের ভেতরে এ নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান আসেনি, তবে বিরোধী দল তাদের শরিকদের নিয়ে রাজপথে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং গণভোটের ফল অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে। শনিবার বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে আয়োজিত সমাবেশে জোটের শীর্ষ নেতারা সরকারের সমালোচনা করে দ্রুত রাজনৈতিক সমাধানের দাবি জানান। অধ্যাদেশ বাতিলের ইস্যু ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক মেরুকরণ স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

দেখা যায়, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে রাষ্ট্রপতির জারিকৃত সর্বমোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে গণভোট, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার, দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশসহ ১৬টি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, অর্থাত্ ত্রয়োদশ সংসদের চলতি প্রথম অধিবেশনে অনুমোদন করা হচ্ছে না। অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাইয়ে সংসদ কর্তৃক গঠিত ‘বিশেষ কমিটি’র গতকাল বৃহস্পতিবার সংসদে দেওয়া প্রতিবেদনে এই ১৬টি অধ্যাদেশের ক্ষেত্রে সংসদে এখনই বিল আকারে উত্থাপন না করে পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই করে অধিকতর শক্তিশালী করে নতুন করে বিল উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে।

আর সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ ও সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশসহ চারটি অধ্যাদেশ সম্পূর্ণ বাতিলের বা রহিত করার সুপারিশ করেছে বিশেষ কমিটি। অন্যদিকে, জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে করা জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশসহ ৯৮টি অধ্যাদেশ হুবহু বিল আকারে উত্থাপনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। ফলে, মোট ২০টি অধ্যাদেশ চলতি অধিবশনে অনুমোদন পাচ্ছে না। এছাড়া, ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধিত আকারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংসদে বিল তোলার জন্য সুপারিশ করেছে বিশেষ কমিটি।

সবমিলিয়ে মোট ২০টি অধ্যাদেশ চলতি অধিবেশনে অনুমোদন না পাওয়ায় সংবিধানে বেঁধে দেওয়া সময়সীমা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় শেষে এগুলোর আর কোনো কার্যকারিতা থাকছে না। অর্থাত্ এই ২০টি অধ্যাদেশ বাতিল বা তামাদি হয়ে যাচ্ছে। সংবিধানের ৯৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ না থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতির জারিকৃত অধ্যাদেশসমূহ সংসদের অধিবেশন বসার পর প্রথম বৈঠকেই উত্থাপনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। একই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘সংসদ বসার পর ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন না পেলে অধ্যাদেশগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। তবে, সংসদ চাইলে আইন হিসেবে পাস করতে পারে বা বাতিল করতে পারে।’ সংবিধানের এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে যেসব অধ্যাদেশ আইন আকারে সংসদে পাস না হবে সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে তামিল বা বাতিল হয়ে যাবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে রাজপথে নামার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, তারা ক্ষমতায় ছিল তখন অধ্যাদেশ করেছে, ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিএনপিকে ক্ষমতায় এনেছে। নাহিদ ইসলাম বলেন, গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিলের বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ পরিস্থিতিতে ড. ইউনূসের নীরব থাকা উচিত নয় এবং তাকে রাজপথে নেমে আন্দোলনে অংশ নেওয়া উচিত।

বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, দলটি দীর্ঘদিন আন্দোলন করলেও জনগণের ব্যাপক সমর্থন পায়নি। মানুষের কাছে তাদের নেতৃত্বে আস্থার ঘাটতি ছিল বলেও দাবি করেন তিনি। নাহিদ আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সংসদে কার্যকর সমাধান না পাওয়ায় তাদের রাজপথে অবস্থান নিতে হচ্ছে। তবে এখনো সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং অধ্যাদেশগুলোকে আইনে পরিণত করার দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ ও সমঝোতার আহ্বান জানান।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সঙ্গে গণভোটের কোনো সম্পর্ক নেই বলে মন্তব্য করেছেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান। মন্ত্রী বলেন, জুলাই সদন বাস্তবায়ন করা হবে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে। জুলাই সনদ নিজেই স্বতন্ত্র, স্বকীয় ও কার্যকরী। জুলাই সনদ কার্যকর করতে পারবে এই পার্লামেন্ট। জুলাই সনদ কীভাবে কার্যকর হবে সেটা জুলাই সনদের মধ্যেই বলে দেওয়া আছে। সুতরাং, জুলাই সনদ হওয়া না হওয়া নিয়ে গণভোট বাতিল হওয়া নির্ভর করে না। এটা আমরা পার্লামেন্টে সুস্পষ্টভাবে বলেছি।

বিক্ষোভ সমাবেশে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা বলেন, সরকারি দল সংসদ পরিচালনায় ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। বর্তমান সরকার শেখ হাসিনার মতোই ফ্যাসিবাদী পথে হাঁটছে উল্লেখ করেছে। জনস্বার্থ রক্ষায় রাজপথের আন্দোলন ছাড়া ১১ দলের আর কোনো বিকল্প নেই। তারা বলেন, সংবিধান সংশোধন নয়, সংস্কারই করতে হবে। সংবিধান সংশোধনের মধ্যদিয়ে আওয়ামী লীগের পথেই হাঁটছে সরকার। জনগণের রায় মূল্যায়ন না করলে, রাজপথে আন্দোলনের বিকল্প নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গণভোটের ১৩৩টি অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন নিয়ে সংসদের ভেতরে-বাইরে উত্তাপ

সংসদ না রাজপথ

আপডেট সময় :

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে রাষ্ট্রপতির জারিকৃত ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি চলতি অধিবেশনে অনুমোদন না পাওয়া বা কার্যত বাতিল হওয়ার পথে। বিষয়টি ঘিরে জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের তীব্র প্রতিবাদ দেখা দিয়েছে। যদিও সংসদের ভেতরে এ নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান আসেনি, তবে বিরোধী দল তাদের শরিকদের নিয়ে রাজপথে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং গণভোটের ফল অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে। শনিবার বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে আয়োজিত সমাবেশে জোটের শীর্ষ নেতারা সরকারের সমালোচনা করে দ্রুত রাজনৈতিক সমাধানের দাবি জানান। অধ্যাদেশ বাতিলের ইস্যু ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক মেরুকরণ স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

দেখা যায়, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে রাষ্ট্রপতির জারিকৃত সর্বমোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে গণভোট, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার, দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশসহ ১৬টি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, অর্থাত্ ত্রয়োদশ সংসদের চলতি প্রথম অধিবেশনে অনুমোদন করা হচ্ছে না। অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাইয়ে সংসদ কর্তৃক গঠিত ‘বিশেষ কমিটি’র গতকাল বৃহস্পতিবার সংসদে দেওয়া প্রতিবেদনে এই ১৬টি অধ্যাদেশের ক্ষেত্রে সংসদে এখনই বিল আকারে উত্থাপন না করে পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই করে অধিকতর শক্তিশালী করে নতুন করে বিল উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে।

আর সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ ও সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশসহ চারটি অধ্যাদেশ সম্পূর্ণ বাতিলের বা রহিত করার সুপারিশ করেছে বিশেষ কমিটি। অন্যদিকে, জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে করা জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশসহ ৯৮টি অধ্যাদেশ হুবহু বিল আকারে উত্থাপনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। ফলে, মোট ২০টি অধ্যাদেশ চলতি অধিবশনে অনুমোদন পাচ্ছে না। এছাড়া, ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধিত আকারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংসদে বিল তোলার জন্য সুপারিশ করেছে বিশেষ কমিটি।

সবমিলিয়ে মোট ২০টি অধ্যাদেশ চলতি অধিবেশনে অনুমোদন না পাওয়ায় সংবিধানে বেঁধে দেওয়া সময়সীমা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় শেষে এগুলোর আর কোনো কার্যকারিতা থাকছে না। অর্থাত্ এই ২০টি অধ্যাদেশ বাতিল বা তামাদি হয়ে যাচ্ছে। সংবিধানের ৯৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ না থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতির জারিকৃত অধ্যাদেশসমূহ সংসদের অধিবেশন বসার পর প্রথম বৈঠকেই উত্থাপনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। একই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘সংসদ বসার পর ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন না পেলে অধ্যাদেশগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। তবে, সংসদ চাইলে আইন হিসেবে পাস করতে পারে বা বাতিল করতে পারে।’ সংবিধানের এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে যেসব অধ্যাদেশ আইন আকারে সংসদে পাস না হবে সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে তামিল বা বাতিল হয়ে যাবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে রাজপথে নামার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, তারা ক্ষমতায় ছিল তখন অধ্যাদেশ করেছে, ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিএনপিকে ক্ষমতায় এনেছে। নাহিদ ইসলাম বলেন, গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিলের বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ পরিস্থিতিতে ড. ইউনূসের নীরব থাকা উচিত নয় এবং তাকে রাজপথে নেমে আন্দোলনে অংশ নেওয়া উচিত।

বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, দলটি দীর্ঘদিন আন্দোলন করলেও জনগণের ব্যাপক সমর্থন পায়নি। মানুষের কাছে তাদের নেতৃত্বে আস্থার ঘাটতি ছিল বলেও দাবি করেন তিনি। নাহিদ আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সংসদে কার্যকর সমাধান না পাওয়ায় তাদের রাজপথে অবস্থান নিতে হচ্ছে। তবে এখনো সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং অধ্যাদেশগুলোকে আইনে পরিণত করার দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ ও সমঝোতার আহ্বান জানান।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সঙ্গে গণভোটের কোনো সম্পর্ক নেই বলে মন্তব্য করেছেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান। মন্ত্রী বলেন, জুলাই সদন বাস্তবায়ন করা হবে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে। জুলাই সনদ নিজেই স্বতন্ত্র, স্বকীয় ও কার্যকরী। জুলাই সনদ কার্যকর করতে পারবে এই পার্লামেন্ট। জুলাই সনদ কীভাবে কার্যকর হবে সেটা জুলাই সনদের মধ্যেই বলে দেওয়া আছে। সুতরাং, জুলাই সনদ হওয়া না হওয়া নিয়ে গণভোট বাতিল হওয়া নির্ভর করে না। এটা আমরা পার্লামেন্টে সুস্পষ্টভাবে বলেছি।

বিক্ষোভ সমাবেশে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা বলেন, সরকারি দল সংসদ পরিচালনায় ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। বর্তমান সরকার শেখ হাসিনার মতোই ফ্যাসিবাদী পথে হাঁটছে উল্লেখ করেছে। জনস্বার্থ রক্ষায় রাজপথের আন্দোলন ছাড়া ১১ দলের আর কোনো বিকল্প নেই। তারা বলেন, সংবিধান সংশোধন নয়, সংস্কারই করতে হবে। সংবিধান সংশোধনের মধ্যদিয়ে আওয়ামী লীগের পথেই হাঁটছে সরকার। জনগণের রায় মূল্যায়ন না করলে, রাজপথে আন্দোলনের বিকল্প নেই।