ঢাকা ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

সুবর্ণচরে বিধবার ঘরে চুরি, নগদ টাকা ও দলিল লুট

সুবর্ণচর (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০৪ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার ৫নং চর জুবিলী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে এক অসহায় বিধবা নারীর ঘরে চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার গভীর রাতে উত্তর কচ্ছপিয়া বান্দেরহাট সংলগ্ন বাবুল সারেং-এর বসতঘরে এ চুরি সংঘটিত হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত বিধবা আমেনা বেগম জানান, “গত রাতে আমি ছেলেমেয়েদের নিয়ে পাশের বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলাম। সকালে আমার মেয়ে বাড়ির হাঁস-মুরগি ছাড়া জন্য এলে দেখে ঘরের দরজা খোলা। ভিতরে ঢুকে দেখে সব জামাকাপড় এলোমেলো অবস্থায় পড়ে আছে। আমাকে খবর দিলে আমি এসে পাশের দোকান ও প্রতিবেশীদের ডাক দিই। ঘর তল্লাশি করে দেখি আমার দুই লাখ টাকা এবং বাড়ির দলিলপত্র চুরি হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, মেয়ের বিয়ের খরচ ও বসতঘর মেরামতের উদ্দেশ্যে লাকিসের ভিতরে পুরোনো কাপড়ের নিচে টাকা রাখেছিলেন। পরে সেই লাকিসটি পাওয়া যায় পাশের বাড়ি জসিম বদ্দার ঘরের পেছনে।
জসিম বদ্দার বাড়ির পরিবার জানায়, সকালে জামাই বাথরুমে গেলে ঘরের পিছনে লাকিসটি দেখতে পান। তিনি জানানোর পর তারা লাকিস নাড়াচাড়া না করতে নিষেধ করেন এবং দোকানের লোকজনকে ডেকে আনেন। পরে উপস্থিত লোকজন লাকিস খুলে চুরি হওয়া মালামাল শনাক্ত করে ভুক্তভোগীকে ফেরত দেন।
ঘটনাস্থলে দোকান থেকে এসে উপস্থিত ছিলেন—আবদুল কাইয়ুম, মোহাম্মদ সাঈদ আহাম্মদ, আলমগীর হোসেন, জামসেদ, ছালা উদ্দিন, জসিম উদ্দিন, কামাল উদ্দিন, ইউছুপ, জামাল উদ্দিনসহ অনেকে। তারা জানান, ঘরের দরজার শিফ কাটা ছিল এবং ভিতরের সবকিছু এলোমেলো অবস্থায় পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ দুলাল মিয়া বলেন, “ফোনে আমাকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আমি জিজ্ঞেস করেছি চোর ধরতে পেরেছে কিনা বা কারো প্রতি সন্দেহ আছে কিনা। তারা জানিয়েছে, এখনো কারও প্রতি সন্দেহ নেই।”

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সুবর্ণচরে বিধবার ঘরে চুরি, নগদ টাকা ও দলিল লুট

আপডেট সময় :

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার ৫নং চর জুবিলী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে এক অসহায় বিধবা নারীর ঘরে চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার গভীর রাতে উত্তর কচ্ছপিয়া বান্দেরহাট সংলগ্ন বাবুল সারেং-এর বসতঘরে এ চুরি সংঘটিত হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত বিধবা আমেনা বেগম জানান, “গত রাতে আমি ছেলেমেয়েদের নিয়ে পাশের বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলাম। সকালে আমার মেয়ে বাড়ির হাঁস-মুরগি ছাড়া জন্য এলে দেখে ঘরের দরজা খোলা। ভিতরে ঢুকে দেখে সব জামাকাপড় এলোমেলো অবস্থায় পড়ে আছে। আমাকে খবর দিলে আমি এসে পাশের দোকান ও প্রতিবেশীদের ডাক দিই। ঘর তল্লাশি করে দেখি আমার দুই লাখ টাকা এবং বাড়ির দলিলপত্র চুরি হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, মেয়ের বিয়ের খরচ ও বসতঘর মেরামতের উদ্দেশ্যে লাকিসের ভিতরে পুরোনো কাপড়ের নিচে টাকা রাখেছিলেন। পরে সেই লাকিসটি পাওয়া যায় পাশের বাড়ি জসিম বদ্দার ঘরের পেছনে।
জসিম বদ্দার বাড়ির পরিবার জানায়, সকালে জামাই বাথরুমে গেলে ঘরের পিছনে লাকিসটি দেখতে পান। তিনি জানানোর পর তারা লাকিস নাড়াচাড়া না করতে নিষেধ করেন এবং দোকানের লোকজনকে ডেকে আনেন। পরে উপস্থিত লোকজন লাকিস খুলে চুরি হওয়া মালামাল শনাক্ত করে ভুক্তভোগীকে ফেরত দেন।
ঘটনাস্থলে দোকান থেকে এসে উপস্থিত ছিলেন—আবদুল কাইয়ুম, মোহাম্মদ সাঈদ আহাম্মদ, আলমগীর হোসেন, জামসেদ, ছালা উদ্দিন, জসিম উদ্দিন, কামাল উদ্দিন, ইউছুপ, জামাল উদ্দিনসহ অনেকে। তারা জানান, ঘরের দরজার শিফ কাটা ছিল এবং ভিতরের সবকিছু এলোমেলো অবস্থায় পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ দুলাল মিয়া বলেন, “ফোনে আমাকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আমি জিজ্ঞেস করেছি চোর ধরতে পেরেছে কিনা বা কারো প্রতি সন্দেহ আছে কিনা। তারা জানিয়েছে, এখনো কারও প্রতি সন্দেহ নেই।”