সৌদি আরবে জিম্মি করে টাকা আদায়, শামীমের সন্ধান চায় পরিবার
- আপডেট সময় : ৪৯ বার পড়া হয়েছে
কাজের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে নিয়ে মুক্তিপন আদায়ের অভিযোগ উঠেছে সেখানে বসবাসরত আল-আমিন মিয়া-নামীয় এক যুবকের বিরুদ্ধে। তিনি কমলগঞ্জ উপজেলার ১নং রহিমপুর ইউনিয়ন এর কাঠালতলী গ্রামের হারুন মিয়ার পুত্র। ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনার বিবরণ উল্লেখ করে বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা, মৌলভীবাজার জেলা শাখা কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ভুক্তভোগী পরিবার এর মোছাঃ কারিমা বেগম অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তার পুত্র মো: শামীম আহমদ-কে মোট ৭লক্ষ ৩০ হাজার টাকা সাব্যস্ত করে কতেক স্বাক্ষীর উপস্থিতিতে বিগত ০২/১২/২০২৫ইং, আল-আমিন মিয়া-এর পিতা হারুন মিয়া এর মাধ্যমে শামীম-কে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব পাটান। কাজে যোগদান করতে হলে আরো দেড় লক্ষ টাকা দাবী করেন আল-আমিন। ভুক্তভোগী শামীমের পরিবার নিরুপায় হয়ে আরো ১লক্ষ ৩০ হাজার টাকা পাটান। কিন্তু পরবর্তীতে তাকে কাজে না লাগিয়ে সেখানে যাওয়ার পর সৌদি আরব প্রবাসী আল-আমিন আরো ৩ হাজার সৌদি রিয়াল দাবী করেন। শামীম সেই টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করার কারণে আল-আমিন তাকে নির্যাতন শুরু করেন। শুরু হয় তার মানবেতর জীবন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী পরিবার এর মোছাঃ কারিমা বেগম জানান- আমার পুত্রকে বিদেশে নিয়ে গিয়ে অনেক নির্যাতন শুরু করে। এ সংক্রান্ত একাধিক তথ্যচিত্র আমাদের কাছে রয়েছে। আল-আমিন মিয়া-এর পিতা হারুন মিয়াগংদের মাধ্যমে দেশ থেকে টাকা পাটানোর জন্য চাপ সৃষ্টি করে। বর্তমানে ছেলে শামীম এর কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি বাংলাদেশে অবস্থানরত আল-আমিন মিয়া-এর পিতা হারুন মিয়াসহ অন্যান্যদের অবগত করা হলেও উনারা এ বিষয়ে কোন সদুত্তর প্রদান করেন নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে, বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা, মৌলভীবাজার জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মশাহিদ আহমদ জানান- কাজের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে নিয়ে মুক্তিপন আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি যেহেতু, স্পর্শকাতর, তাই বাংলাদেশে বসবাসরত উভয় পরিবারকে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। ঘটনাটির বিন্দুমাত্র সত্যতা পাওয় গেলে- অভিযোগটি তদন্ত পূর্বক আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আদালতের মাধ্যমে আইনী পদক্ষেপের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।




















