ঢাকা ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

২য় পদ্মা সেতু ও নদী শাসন ইসু প্রভাব ফেলবে গোয়ালন্দের ভোটের হিসেবে

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১৫ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চির চেনা পোস্টারের দাপট না থাকলেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আসন্ন। ভোট নিয়ে ঝড়তোলা উৎসব না থাকলেও পদ্মা পাড়ের রাজবাড়ী-১ আসনের প্রার্থীরা ভোটারদের দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর থেকে গুরুত্বহীন হয়ে পড়া রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের ভোটাররা চাইছেন ২য় পদ্মা সেতু ও পদ্মার তান্ডব থেকে রক্ষা পেতে দ্রুত নদী শাসন কাজের বাস্তবায়ন। ভোটাররা নানা ভাবে হিসেব কসছেন, কোন প্রার্থী তাদের এই কাঙ্খিত দুই প্রকল্পের কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে পারবেন।
রাজবাড়ী সদর ও গোয়ালন্দ উপজেলা নিয়ে রাজবাড়ী-১ আসন গঠিত। রাজবাড়ী-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৩০ হাজার ২১৫ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১৬ হাজার ১৪৯জন, নারী ভোটার ২ লাখ ১৪ হাজার ৫৮জন ও হিজরা ভোটার ৮জন। এর মধ্যে গোয়ালন্দ উপজেলায় ৫৩ হাজার ৪৫৪ জন পুরুষ, ৫২ হাজার ৭৪৭ জন নারী ও ২ জন হিজড়াসহ মোট ভোটার ১ লাখ ৭ হাজার ৩৫৩জন।
রাজবাড়ী-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চারজন প্রার্থী। ২০০১ সালের নির্বাচন ছাড়া প্রতিবারই আসনটিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামীলীগ জয়ী হয়েছে। এবারের নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী করেছে দলের জেলা আমির এ্যাড. নূরুল ইসলামকে। অন্যান্য প্রার্থী থাকলেও আওয়ামীলীগ না থাকায় মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা এদের মধ্যেই হবে বলে ভোটারদের ধারনা।
দৌলতদিয়া ঘাট কেন্দ্রীক পরিবহন ও অন্যান্য বিভাগে কাজ করা শ্রমিক এবং স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানাযায়, সারা দেশ তথা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জন্য পদ্মা সেতু আশির্বাদ হয়ে আসলেও দৌলতদিয়ায় কর্মরত মানুষের জন্য এসেছে অভিশাপ হয়ে। কারণ পদ্মা সেতু নির্মাণের ফলে দৌলতদিয়া ঘাট একেবারেই মরে গেছে। আগের তুলনায় ৪ ভাগের এক ভাগ যানবাহনও পারাপার হয় না। এক সময় ফেরির অপেক্ষায় যানবাহনের দীর্ঘ লাইন থাকত। এখন সেই দৃশ্য পরিবর্তন হয়ে গেছে। এখন বরং চলাচলকারী ফেরি গুলো যানবাহনের জন্য ঘাটে অপেক্ষা করে। আগের মত দৌলতদিয়া ঘাটে নেই হাজার হাজার মানুষের পদচরনা। তাই গুরুত্ব হারিয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রবেশদ্বার খ্যাত দৌলতদিয়া ঘাট। এতেকরে গোয়ালন্দে হাজার হাজার মানুষ বেকার হয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে।
অপরদিকে প্রতিবছর নদী ভাঙনের শিকার হচ্ছে পদ্মাপাড়ের শত শত পরিবার। গত কয়েক দশকের নদী ভাঙনে গোয়ালন্দ উপজেলা মানচিত্রের ৩ ভাগের ১ ভাগ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ইতিমধ্যে অন্তত ৮ হাজার পরিবার সহায় সম্বল হারিয়ে ভূমিহীন হয়ে গেছে। তারা অন্যের জায়গা অথবা রেললাইন, মহাসড়ক কিংবা রাস্তার পাশে আশ্র নিয়েছে। এসব কারণে এই অঞ্চরের মানুষের প্রাণের দাবি হয়ে উঠেছে ২য় পদ্মা সেতু ও নদী শাসন।
পদ্মা পাড়ের গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের কাউলজানি গ্রামের নছরউদ্দিন সরদার (৬৫) জানান, তারা বারবার নদী ভাঙনের শিকার হয়েছেন আর নদী শাসনের আশ্রাস পেয়েছেন। দশকের পর দশক এভাবেই চলছে। ভোট আসলে সবাই তাদেরকে নদী শাসনের প্রতিশ্রুতি দেয়, কেউ কথা রাখে না। তাই এবার তারা ভেবেচিন্তে যার দিয়ে কাজ হবে তাকেই ভোট দিবেন।
গোয়ালন্দ উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি সুলতান নুর ইসলাম মুন্নু বলেন, ‘আমাদের নেতা আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম দীর্ঘদিন ধরে গোয়ালন্দ পদ্মা সেতু নির্মাণ আন্দোলন করে আসছেন। তার নেতৃত্বে পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন কমিটির উদ্যোগে এই দাবিতে অবরোধসহ হরতালের মত কর্মসূচীও পালন করা হয়েছে। এই নির্বাচনে তিনি এমপি নির্বাচিত এবং বিএনপি সরকার গঠন করলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ২য় পদ্মা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজের প্রকল্প গ্রহন করা হবে।’
রাজবাড়ী-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও রাজবাড়ী জেলা জামায়াতের আমীর এ্যাড. নুরুল ইসলাম জানান, জনগণের ভোটে তিনি নির্বাচিত হলে এবং জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে দূর্ণিতিমুক্ত সমাজ, ন্যায় ও ইসাফের ভিত্তিতে শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পাশাপশি এই অঞ্চলের কর্মহীন মানুষের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। সেই সাথে আমাদের প্রাণের দাবি দৌলতদিয়ায় ২য় পদ্মা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহন করা হবে।
রাজবাড়ী-১ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে গণতন্ত্রের জন্য লড়াইয়ের পাশাপাশি এই এলাকার উন্নয়নে জন্য সংগ্রাম করেছি। তার ফলশ্রুতিতে রাজবাড়ী সদর ও গোয়ালন্দ উপজেলা মানুষ ধানের শীসের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। আমাদের নেতা তারেক রহমান ইতিমধ্যে পদ্মা ব্যারেজ ও ২য় পদ্মা সেতু নির্মাণের ব্যাপারে ইতিবাচক সারা দিয়েছেন। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দ্রুত সময়ের মধ্যে এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের লক্ষে দৌলতদিয়ায় ২য় পদ্মা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, রাজবাড়ী সদর ও গোয়ালন্দ উপজেলা নিয়ে রাজবাড়ী-১ সংসদীয় আসন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেখানে প্রার্থীর সংখ্যা মোট চার জন। এর মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনিত প্রার্থী সাবেক এমপি আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. নুরুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির খোন্দকার হাবিবুর রহমান (লাঙ্গল) ও জাকের পার্টির মোহাম্মদ আলী বিশ্বাস (গোলাপ ফুল)

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

২য় পদ্মা সেতু ও নদী শাসন ইসু প্রভাব ফেলবে গোয়ালন্দের ভোটের হিসেবে

আপডেট সময় :

চির চেনা পোস্টারের দাপট না থাকলেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আসন্ন। ভোট নিয়ে ঝড়তোলা উৎসব না থাকলেও পদ্মা পাড়ের রাজবাড়ী-১ আসনের প্রার্থীরা ভোটারদের দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর থেকে গুরুত্বহীন হয়ে পড়া রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের ভোটাররা চাইছেন ২য় পদ্মা সেতু ও পদ্মার তান্ডব থেকে রক্ষা পেতে দ্রুত নদী শাসন কাজের বাস্তবায়ন। ভোটাররা নানা ভাবে হিসেব কসছেন, কোন প্রার্থী তাদের এই কাঙ্খিত দুই প্রকল্পের কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে পারবেন।
রাজবাড়ী সদর ও গোয়ালন্দ উপজেলা নিয়ে রাজবাড়ী-১ আসন গঠিত। রাজবাড়ী-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৩০ হাজার ২১৫ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১৬ হাজার ১৪৯জন, নারী ভোটার ২ লাখ ১৪ হাজার ৫৮জন ও হিজরা ভোটার ৮জন। এর মধ্যে গোয়ালন্দ উপজেলায় ৫৩ হাজার ৪৫৪ জন পুরুষ, ৫২ হাজার ৭৪৭ জন নারী ও ২ জন হিজড়াসহ মোট ভোটার ১ লাখ ৭ হাজার ৩৫৩জন।
রাজবাড়ী-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চারজন প্রার্থী। ২০০১ সালের নির্বাচন ছাড়া প্রতিবারই আসনটিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামীলীগ জয়ী হয়েছে। এবারের নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী করেছে দলের জেলা আমির এ্যাড. নূরুল ইসলামকে। অন্যান্য প্রার্থী থাকলেও আওয়ামীলীগ না থাকায় মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা এদের মধ্যেই হবে বলে ভোটারদের ধারনা।
দৌলতদিয়া ঘাট কেন্দ্রীক পরিবহন ও অন্যান্য বিভাগে কাজ করা শ্রমিক এবং স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানাযায়, সারা দেশ তথা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জন্য পদ্মা সেতু আশির্বাদ হয়ে আসলেও দৌলতদিয়ায় কর্মরত মানুষের জন্য এসেছে অভিশাপ হয়ে। কারণ পদ্মা সেতু নির্মাণের ফলে দৌলতদিয়া ঘাট একেবারেই মরে গেছে। আগের তুলনায় ৪ ভাগের এক ভাগ যানবাহনও পারাপার হয় না। এক সময় ফেরির অপেক্ষায় যানবাহনের দীর্ঘ লাইন থাকত। এখন সেই দৃশ্য পরিবর্তন হয়ে গেছে। এখন বরং চলাচলকারী ফেরি গুলো যানবাহনের জন্য ঘাটে অপেক্ষা করে। আগের মত দৌলতদিয়া ঘাটে নেই হাজার হাজার মানুষের পদচরনা। তাই গুরুত্ব হারিয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রবেশদ্বার খ্যাত দৌলতদিয়া ঘাট। এতেকরে গোয়ালন্দে হাজার হাজার মানুষ বেকার হয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে।
অপরদিকে প্রতিবছর নদী ভাঙনের শিকার হচ্ছে পদ্মাপাড়ের শত শত পরিবার। গত কয়েক দশকের নদী ভাঙনে গোয়ালন্দ উপজেলা মানচিত্রের ৩ ভাগের ১ ভাগ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ইতিমধ্যে অন্তত ৮ হাজার পরিবার সহায় সম্বল হারিয়ে ভূমিহীন হয়ে গেছে। তারা অন্যের জায়গা অথবা রেললাইন, মহাসড়ক কিংবা রাস্তার পাশে আশ্র নিয়েছে। এসব কারণে এই অঞ্চরের মানুষের প্রাণের দাবি হয়ে উঠেছে ২য় পদ্মা সেতু ও নদী শাসন।
পদ্মা পাড়ের গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের কাউলজানি গ্রামের নছরউদ্দিন সরদার (৬৫) জানান, তারা বারবার নদী ভাঙনের শিকার হয়েছেন আর নদী শাসনের আশ্রাস পেয়েছেন। দশকের পর দশক এভাবেই চলছে। ভোট আসলে সবাই তাদেরকে নদী শাসনের প্রতিশ্রুতি দেয়, কেউ কথা রাখে না। তাই এবার তারা ভেবেচিন্তে যার দিয়ে কাজ হবে তাকেই ভোট দিবেন।
গোয়ালন্দ উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি সুলতান নুর ইসলাম মুন্নু বলেন, ‘আমাদের নেতা আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম দীর্ঘদিন ধরে গোয়ালন্দ পদ্মা সেতু নির্মাণ আন্দোলন করে আসছেন। তার নেতৃত্বে পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন কমিটির উদ্যোগে এই দাবিতে অবরোধসহ হরতালের মত কর্মসূচীও পালন করা হয়েছে। এই নির্বাচনে তিনি এমপি নির্বাচিত এবং বিএনপি সরকার গঠন করলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ২য় পদ্মা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজের প্রকল্প গ্রহন করা হবে।’
রাজবাড়ী-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও রাজবাড়ী জেলা জামায়াতের আমীর এ্যাড. নুরুল ইসলাম জানান, জনগণের ভোটে তিনি নির্বাচিত হলে এবং জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে দূর্ণিতিমুক্ত সমাজ, ন্যায় ও ইসাফের ভিত্তিতে শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পাশাপশি এই অঞ্চলের কর্মহীন মানুষের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। সেই সাথে আমাদের প্রাণের দাবি দৌলতদিয়ায় ২য় পদ্মা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহন করা হবে।
রাজবাড়ী-১ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে গণতন্ত্রের জন্য লড়াইয়ের পাশাপাশি এই এলাকার উন্নয়নে জন্য সংগ্রাম করেছি। তার ফলশ্রুতিতে রাজবাড়ী সদর ও গোয়ালন্দ উপজেলা মানুষ ধানের শীসের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। আমাদের নেতা তারেক রহমান ইতিমধ্যে পদ্মা ব্যারেজ ও ২য় পদ্মা সেতু নির্মাণের ব্যাপারে ইতিবাচক সারা দিয়েছেন। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দ্রুত সময়ের মধ্যে এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের লক্ষে দৌলতদিয়ায় ২য় পদ্মা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, রাজবাড়ী সদর ও গোয়ালন্দ উপজেলা নিয়ে রাজবাড়ী-১ সংসদীয় আসন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেখানে প্রার্থীর সংখ্যা মোট চার জন। এর মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনিত প্রার্থী সাবেক এমপি আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. নুরুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির খোন্দকার হাবিবুর রহমান (লাঙ্গল) ও জাকের পার্টির মোহাম্মদ আলী বিশ্বাস (গোলাপ ফুল)