ঢাকা ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

কৃষি অফিসের সামনে থেকে প্রণোদনার সার-বীজ পাচার

ইসলামপুরে সক্রিয় কালোবাজারি চক্র!

ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৯৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় ২০২৫-২৬ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে সরিষা বীজ ১ কেজি, ডিএপি সার ১০ কেজি ও এমওপি সার ১০ কেজি করে বিতরণের কার্যক্রম চলছে। তবে এই প্রণোদনার সার ও বীজ ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
আজ রোববার অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিকরা কৃষি ফিসে সরেজমিনে গেলে দেখা যায় কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার ও বীজ স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী কিনে রিকশায় করে বাইরে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। বিষয়টি সামনে আসতেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল বলেন, আমার অফিসের সামনে থেকে সার-বীজ বিক্রি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া সার-বীজ বিতরণের আগে মাস্টাররোলে স্বাক্ষর নেওয়া সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত।
কিন্তু পলবান্ধা ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আইয়ুব আলী এর বক্তব্য ভিন্ন। তিনি জানান, আমাদের সুবিধার্থে আমরা মাস্টাররোল স্বাক্ষর/টিপসই নিয়ে স্লিপ বিতরণ করি।
দু’জন কর্মকর্তার বক্তব্যে অসঙ্গতি দেখা দিলে বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
পরে কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল তার অফিসের সামনেই সার-বীজসহ একজন কালোবাজারিকে হাতেনাতে আটক করেন। তবে প্রশাসনিক কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে কিছুক্ষণ পরই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় যা নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
এ বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তার সাথে কথা হলে তিনি জানান এসিল্যান্ড সাহেব আসছে তারপর বক্তব্য দেব।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান জানান, বিষয়টি অবহিত হয়েছি। কালোবাজারিদেরকে ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।
স্থানীয় কৃষকদের দাবি, প্রণোদনার সার-বীজ যাতে প্রকৃত কৃষকের হাতে পৌঁছায়, সে বিষয়ে প্রশাসনকে আরও কঠোর নজরদারি চালাতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কৃষি অফিসের সামনে থেকে প্রণোদনার সার-বীজ পাচার

ইসলামপুরে সক্রিয় কালোবাজারি চক্র!

আপডেট সময় :

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় ২০২৫-২৬ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে সরিষা বীজ ১ কেজি, ডিএপি সার ১০ কেজি ও এমওপি সার ১০ কেজি করে বিতরণের কার্যক্রম চলছে। তবে এই প্রণোদনার সার ও বীজ ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
আজ রোববার অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিকরা কৃষি ফিসে সরেজমিনে গেলে দেখা যায় কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার ও বীজ স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী কিনে রিকশায় করে বাইরে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। বিষয়টি সামনে আসতেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল বলেন, আমার অফিসের সামনে থেকে সার-বীজ বিক্রি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া সার-বীজ বিতরণের আগে মাস্টাররোলে স্বাক্ষর নেওয়া সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত।
কিন্তু পলবান্ধা ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আইয়ুব আলী এর বক্তব্য ভিন্ন। তিনি জানান, আমাদের সুবিধার্থে আমরা মাস্টাররোল স্বাক্ষর/টিপসই নিয়ে স্লিপ বিতরণ করি।
দু’জন কর্মকর্তার বক্তব্যে অসঙ্গতি দেখা দিলে বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
পরে কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল তার অফিসের সামনেই সার-বীজসহ একজন কালোবাজারিকে হাতেনাতে আটক করেন। তবে প্রশাসনিক কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে কিছুক্ষণ পরই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় যা নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
এ বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তার সাথে কথা হলে তিনি জানান এসিল্যান্ড সাহেব আসছে তারপর বক্তব্য দেব।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান জানান, বিষয়টি অবহিত হয়েছি। কালোবাজারিদেরকে ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।
স্থানীয় কৃষকদের দাবি, প্রণোদনার সার-বীজ যাতে প্রকৃত কৃষকের হাতে পৌঁছায়, সে বিষয়ে প্রশাসনকে আরও কঠোর নজরদারি চালাতে হবে।