কলাপাড়ায় বিভিন্ন দাবিতে ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ মানববন্ধন
- আপডেট সময় : ২২ বার পড়া হয়েছে
ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা মহাসড়ক সিক্সলেনে ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত, কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্রকে আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র, পায়রা বন্দরকে পূর্নাঙ্গরুপে চালু এবং নদী ভাঙ্গনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ, প্রস্তাবিত স্থানে বিমানবন্দর নির্মাণ করাসহ বিভিন্ন দাবিতে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ মানববন্ধন করা হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা নাগরিক সমাজের উদ্যোগে গতকাল বুধবার সকাল দশটা থেকে প্রায় দেড় ঘন্টাব্যাপী এই কর্মসূচি পালিত হয়। কলাপাড়া সিক্সলেন থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত দীর্ঘ এ মানববন্ধনে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক সংগঠন, শিক্ষার্থী ও সর্বস্তরের হাজার হাজার সাধারণ মানুষ অংশগ্রহন করেন।
মানববন্ধনে অন্তত ৩০ টি স্পটে অবস্থানকারীরা বক্তব্য রাখেন। নাগরিক সমাজের নেতৃত্ব দেন কলাপাড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটা, পায়রা সমুদ্র বন্দর এবং ১৩২০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুইটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা কলাপাড়ায় স্থাপিত হয়েছে। সারা বছরই এ সড়কে যানবাহনের চাপ লেগেই থাকে। মহাসড়কটি সরু হওয়ায় প্রায় সময় যানজট ও দুর্ঘটনা ঘটে। ফলে পর্যটন শিল্প , ব্যবসা-বাণিজ্য এবং দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাঁধা সৃষ্টি হচ্ছে। ছয় লেনের মহাসড়ক নির্মিত হলে রাজধানীর সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ আরও সহজ, নিরাপদ ও গতিশীল হবে। তাই জনস্বার্থে কুয়াকাটা- ভাঙ্গা মহাসড়ককে দ্রুত ছয় লেনে উন্নীত করা সময়ের দাবি।
বিভিন্ন স্পটে আরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু, পৌর বিএনপির সভাপতি গাজী মো ফারুক, সাধারণ সম্পাদক মুসা তাওহীদ নান্নু মুন্সি, বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট খোন্দকার নাসির উদ্দিন, নাগরিক সমাজের নেতা স্থপতি ইয়াকুব খান, গণমাধ্যম কর্মী মেজবাহউদ্দিন মাননু কলাপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি কবির তালুকদার প্রমুখ।
নাগরিক সমাজের অন্যান্য বক্তারা আরও বলেন, পায়রা বন্দরকে পূর্নাঙ্গরুপে চালু করলে এই বন্দর দেশের অর্থনীতি চাঙা করতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখবে। এছাড়া পর্যটন শিল্প, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত প্রকল্পটি অনুমোদন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে একই দাবিতে মানববন্ধন ও কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। মানববন্ধনে শত শত ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে হাজার হাজার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।














