কেশবপুরে বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন
- আপডেট সময় : ২১ বার পড়া হয়েছে
উদ্ভাবননির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বিজ্ঞানচর্চার আহ্বানে যশোরের কেশবপুরে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং ১০ম জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০২৬ উপলক্ষে বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। “উদ্ভাবননির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বুধবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ আয়োজন করা হয়।
কেশবপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরের তত্ত্বাবধানে এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় মেলার উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন। তিনি সভাপতিত্ব করেন এবং ফিতা কেটে বিজ্ঞান মেলার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন বলেন, বর্তমান বিশ্বে টিকে থাকতে হলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও সৃজনশীলতা বিকাশের জন্য এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বিজ্ঞানী, তাই তাদেরকে এখন থেকেই গবেষণা ও উদ্ভাবনে আগ্রহী করে তুলতে হবে। তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা ও উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ ফিরোজ হোসেন খান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বিজ্ঞান শিক্ষা কেবল বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, এর ব্যবহারিক প্রয়োগও জানতে হবে। এই বিজ্ঞান মেলা শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনে সহায়তা করবে এবং তাদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা গড়ে তুলবে। তিনি শিক্ষকদের প্রতি শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী কাজে উৎসাহ দেওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক এবং উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।
মেলায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রকল্পের মাধ্যমে বিভিন্ন স্টল সাজিয়েছে, যা দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করেছে। বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক মডেল, প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান এবং পরিবেশবান্ধব উদ্ভাবন মেলায় বিশেষভাবে নজর কাড়ে।
এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানভিত্তিক চিন্তা, উদ্ভাবনী দক্ষতা এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। একই সঙ্গে দেশের প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন ও টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনে নতুন প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।


















