ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

খাগড়াছড়ির জঙ্গল থেকে এমপি আজিম হত্যার ২ আসাম গ্রেপ্তার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ৩৯১ বার পড়া হয়েছে

ডিবি কর্মকর্তা হারুন অর রশীদের নেতৃত্বে পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করা হয় ছবি: সংগৃহীত

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বুধবার (২৬ জুন) ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদের নেতৃত্বে খাগড়াছড়ির পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে কলকতায় এমপি আজিম হত্যার অন্যতম দুই আসাম ফয়সাল ও মোস্তাফিজকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

হেলিকপ্টারযোগে সাড়াশি অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের হেলিকপ্টারযোগে তাদের ঢাকায় আনা হচ্ছে।

ডিবি সূত্র বলছে, সন্দেহভাজন আসামিদের মধ্যে মোস্তাফিজুর ও ফয়সাল সংসদ সদস্য খুন হওয়ার আগে গত ২ মে কলকাতায় যান। তারা দেশে ফিরে আসেন ১৯ মে। এই দুজনের বাড়ি খুলনার ফুলতলায়। খুনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নকারী হিসেবে চিহ্নিত শিমুল ভূঁইয়ার বাড়িও একই এলাকায়।

পলাতক এই দুই আসামির কাছে এমপি আনার হত্যাকান্ডের অনেক তথ্য-উপাত্ত রয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে অনেক তথ্য পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন ডিবির তদন্ত কর্মকর্তারা।

গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে যান সংসদ সদস্য আনার। ওঠেন পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগর থানার মন্ডলপাড়া লেনে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে। পরদিন ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন তিনি। এরপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন আনোয়ারুল আজিম।

বাড়ি থেকে বেরোনোর পাঁচ দিন পর ১৮ মে বরাহনগর থানায় আনার নিখোঁজের বিষয়ে একটি জিডি করেন বন্ধু গোপাল বিশ্বাস। এরপরও খোঁজ মেলেনি তিনবারের এ সংসদ সদস্যের।

২২ মে হঠাৎ খবর ছড়ায়, কলকাতার পাশের নিউটাউন এলাকায় সাঞ্জিভা গার্ডেনস নামে একটি বহুতল আবাসিক ভবনের বিইউ ৫৬ নম্বর রুমে সংসদ সদস্য আনার খুন হয়েছেন। ঘরের ভেতর পাওয়া যায় রক্তের ছাপ। তবে ঘরে মেলেনি মরদেহ।

২৮ মে সন্ধ্যায় সঞ্জিভা গার্ডেনসের সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহের খন্ডাংশ উদ্ধার করা হয়। নেপালে আটক সিয়ামকে নিয়ে অভিযানে গিয়ে বেশকিছু হাড়গোড় পায় কলাকাতা পুলিশ। তবে এগুলো আনারের মরদেহের খন্ডাংশ কি না সেটা এখনও নিশ্চিত করেনি পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

খাগড়াছড়ির জঙ্গল থেকে এমপি আজিম হত্যার ২ আসাম গ্রেপ্তার

আপডেট সময় :

 

বুধবার (২৬ জুন) ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদের নেতৃত্বে খাগড়াছড়ির পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে কলকতায় এমপি আজিম হত্যার অন্যতম দুই আসাম ফয়সাল ও মোস্তাফিজকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

হেলিকপ্টারযোগে সাড়াশি অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের হেলিকপ্টারযোগে তাদের ঢাকায় আনা হচ্ছে।

ডিবি সূত্র বলছে, সন্দেহভাজন আসামিদের মধ্যে মোস্তাফিজুর ও ফয়সাল সংসদ সদস্য খুন হওয়ার আগে গত ২ মে কলকাতায় যান। তারা দেশে ফিরে আসেন ১৯ মে। এই দুজনের বাড়ি খুলনার ফুলতলায়। খুনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নকারী হিসেবে চিহ্নিত শিমুল ভূঁইয়ার বাড়িও একই এলাকায়।

পলাতক এই দুই আসামির কাছে এমপি আনার হত্যাকান্ডের অনেক তথ্য-উপাত্ত রয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে অনেক তথ্য পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন ডিবির তদন্ত কর্মকর্তারা।

গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে যান সংসদ সদস্য আনার। ওঠেন পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগর থানার মন্ডলপাড়া লেনে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে। পরদিন ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন তিনি। এরপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন আনোয়ারুল আজিম।

বাড়ি থেকে বেরোনোর পাঁচ দিন পর ১৮ মে বরাহনগর থানায় আনার নিখোঁজের বিষয়ে একটি জিডি করেন বন্ধু গোপাল বিশ্বাস। এরপরও খোঁজ মেলেনি তিনবারের এ সংসদ সদস্যের।

২২ মে হঠাৎ খবর ছড়ায়, কলকাতার পাশের নিউটাউন এলাকায় সাঞ্জিভা গার্ডেনস নামে একটি বহুতল আবাসিক ভবনের বিইউ ৫৬ নম্বর রুমে সংসদ সদস্য আনার খুন হয়েছেন। ঘরের ভেতর পাওয়া যায় রক্তের ছাপ। তবে ঘরে মেলেনি মরদেহ।

২৮ মে সন্ধ্যায় সঞ্জিভা গার্ডেনসের সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহের খন্ডাংশ উদ্ধার করা হয়। নেপালে আটক সিয়ামকে নিয়ে অভিযানে গিয়ে বেশকিছু হাড়গোড় পায় কলাকাতা পুলিশ। তবে এগুলো আনারের মরদেহের খন্ডাংশ কি না সেটা এখনও নিশ্চিত করেনি পুলিশ।