গোয়ালন্দে সরকারি খালে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান
- আপডেট সময় : ১৮ বার পড়া হয়েছে
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নে সরকারি খালের উপর অবৈধভাবে গড়ে উঠা মুরগির খামারের কারণে পরিবেশ দুষনের পাশাপাশি ব্যাহত হচ্ছিল খাল খনন কর্মসূচী। বারবার বলার পরও না সরানোর কারণে আংশিক ভেঙে ফেললো উপজেলা প্রশাসন।
গতকাল বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর একটার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্টেট সাথী দাস এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। দুই ঘন্টা ব্যাপী অভিযানে খামারের আংশিক ভেঙে ফেলানো হয় এবং খামারে মুরগী থাকায় মানবিক কারণে সন্ধ্যা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়।
অভিযান পরিচালনার সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মুনতাসির হাসান খান, গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি তদন্ত রাশেদুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রায়হানুল হায়দার, উপজেলা প্রকৌশলী ফয়সাল জাহাঙ্গীর স্বপ্নীল, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ আবু বকর, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবলু,
উজান চর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলজার হোসেন মৃধা সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিক বিন্দু।
এর আগে গত ১২ মে বিকালে উপজেলার উজান চর ইউনিয়নের মরা পদ্মায় এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন রাজবাড়ী ১ আসনের সাংসদ ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
গোয়ালন্দ নাজিরুদ্দিন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় হতে বিশ্বনাথপাড়া বেড়িবাঁধ পর্যন্ত প্রায় ১.৬ কিলোমিটার দৈর্ঘ খাল খননের ব্যায় ধরা হয়
২১ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকা। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইজিপিপি কর্মসূচির আওতায়এই খাল কর্মসূচী বাস্তবায়ন করবে।
এরপর থেকেই উপজেলা প্রশাসন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক সহ সম্পূর্ণ এলাকা পরিদর্শন শেষে খালের উপর থেকে অবৈধভাবে গড়ে উঠা মুরগির খামার সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। বারবার বলার পর বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যানকে জানান তিনি ব্যার্থ হওয়ার পর আজকে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ সময় খামারীর মালিক, হাবিবুর রহমান বারবার উপজেলা প্রশাসন সতর্ক করার বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি জানান হ্যাচারীটি ১০/১২ জনের ভাগের তাছাড়া এই আর এস ও এস এ অনুযায়ী আমাদের নিজের তবে বিএস রেকর্ড অনুযায়ী সরকারের।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাথী দাস বলেন, খাল খনন কর্মসূচী চলমান রয়েছে এই হ্যাচারীর কারণে খাল খনন বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল তাছাড়া সরকারি জমির উপর অবৈধভাবে ঘর তুলে মুরগির খামার করা বেআইনি। বিষয়টি তাদেরকে বারবার বললেও তারা খামার সরায়নি আজকে আংশিক ভেঙে ফেলানো হয়েছে খামারে মুরগী থাকায় মানবিক কারণে তাদেরকে আজ সময় দেওয়া হচ্ছে আশা করি এরমধ্যে তারা মুরগী সরিয়ে সরকারি জমির অংশ থেকে খামার সরিয়ে নেবে।














