ঢাকা ০৮:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

ঘন কুয়াশা ও শীতে কাঁপছে কুড়িগ্রাম

শ্যামল ভৌমিক, কুড়িগ্রাম
  • আপডেট সময় : ২৫৫ বার পড়া হয়েছে

oplus_0

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুড়িগ্রামে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। আজ সকাল ১০টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মেলেনি। ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন ছিল পুরো জেলা।
স্থানীয় কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার জেলায় সকাল ৬ টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ভোর থেকেই কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌপথে চলাচলে ব্যাঘাত ঘটে। শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন দিনমজুর, খেটে খাওয়া মানুষ ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলো। অনেকেই প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের অভাবে কাজে যেতে পারছেন না।
শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে ঠান্ডাজনিত রোগের ঝুঁকি বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। জেলার বিভিন্ন এলাকায় দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্রের চাহিদা বাড়লেও পর্যাপ্ত সহায়তা এখনও পৌঁছায়নি
জেলার কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র জানান, আগামী কয়েকদিন শীত ও কুয়াশার প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে এবং একটু মৃদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা আব্দুল মতিন জানান,জেলায় শীত নিবারণের জন্য ৫৪ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। যা ইতিমধ্যে ৯ উপজেলায় ভাগ করে দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বিতরণ কাজ চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ঘন কুয়াশা ও শীতে কাঁপছে কুড়িগ্রাম

আপডেট সময় :

কুড়িগ্রামে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। আজ সকাল ১০টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মেলেনি। ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন ছিল পুরো জেলা।
স্থানীয় কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার জেলায় সকাল ৬ টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ভোর থেকেই কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌপথে চলাচলে ব্যাঘাত ঘটে। শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন দিনমজুর, খেটে খাওয়া মানুষ ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলো। অনেকেই প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের অভাবে কাজে যেতে পারছেন না।
শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে ঠান্ডাজনিত রোগের ঝুঁকি বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। জেলার বিভিন্ন এলাকায় দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্রের চাহিদা বাড়লেও পর্যাপ্ত সহায়তা এখনও পৌঁছায়নি
জেলার কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র জানান, আগামী কয়েকদিন শীত ও কুয়াশার প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে এবং একটু মৃদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা আব্দুল মতিন জানান,জেলায় শীত নিবারণের জন্য ৫৪ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। যা ইতিমধ্যে ৯ উপজেলায় ভাগ করে দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বিতরণ কাজ চলছে।