জনদুর্ভোগের নাম ‘১৪ নম্বর বাস স্ট্যান্ড’
- আপডেট সময় : ১২০ বার পড়া হয়েছে
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার রাঘদী ইউনিয়নের তপারকান্দি (১৪ নম্বর বাস স্ট্যান্ড) এলাকাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সংযোগস্থল। প্রতিদিন এই স্থান দিয়ে কয়েক হাজার মানুষ ঢাকা, বরিশাল, মাদারীপুর ও ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াত করেন। অথচ জনগুরুত্বপূর্ণ এই স্থানটিতে আজ অবধি কোনো যাত্রী ছাউনী নির্মিত হয়নি, যা এলাকাবাসীর জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আবহাওয়ার কবলে যাত্রী সাধারণ: প্রখর রোদে পুড়তে হওয়া কিংবা মুষলধারে বৃষ্টিতে ভেজা—এই স্ট্যান্ডের যাত্রীদের নিত্যদিনের সঙ্গী। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ এবং অসুস্থ রোগীদের জন্য খোলা আকাশের নিচে বাসের অপেক্ষা করা দুঃসহ হয়ে পড়ে।
মহাসড়কের পাশে কোনো সুনির্দিষ্ট অপেক্ষালয় বা নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকায় যাত্রীরা দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে থাকেন। দ্রুতগামী যানবাহনের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা জীবনের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
রাত্রিকালীন ভোগান্তি: পর্যাপ্ত আলো ও বসার জায়গা না থাকায় রাতে যাতায়াতকারী যাত্রী, বিশেষ করে নারীদের জন্য এই স্থানটি অত্যন্ত অনিরাপদ ও অস্বস্তিকর।
তপারকান্দি তথা ১৪ নম্বর বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার ও জনবসতি রয়েছে। এলাকার সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী এবং ব্যবসায়ীদের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম এই স্ট্যান্ড। এখানে একটি আধুনিক যাত্রী ছাউনী
যাত্রীরা রোদ-বৃষ্টি থেকে রক্ষা পাবেন।
মহাসড়কে বিশৃঙ্খলভাবে দাঁড়িয়ে না থেকে নির্দিষ্ট স্থানে অপেক্ষার ফলে সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস পাবে।
একটি নির্দিষ্ট বিশ্রামস্থল থাকলে দূরপাল্লার যাত্রীদের যাতায়াত সহজতর হবে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের নিকট এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আকুল আবেদন—জনস্বার্থ বিবেচনা করে অতিদ্রুত মুকসুদপুরের রাঘদী ইউনিয়নের তপারকান্দি (১৪ নম্বর বাস স্ট্যান্ড) এলাকায় একটি স্থায়ী যাত্রী ছাউনী নির্মাণ এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার উদ্যোগ গ্রহণ করুন।
উন্নয়নের জোয়ারে এই ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ দাবিটি পূরণ হলে হাজারো মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে।














