জাজিরায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘর উড়ে নিহত ১
- আপডেট সময় : ৮৩ বার পড়া হয়েছে
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের মুলাই বেপারী কান্দী গ্রামে বৃহস্পতিবার ভোর রাতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায ১ জন নিহত ও ২ জন আহত হযেছে।
বিলাসপুর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান কুদ্দুস বেপারীর চাচাতো ভাই সাগর বেপারীর টিনের ঘরে একত্রে অসংখ্য ককটেল বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় ঘর উড়ে যায়। এসময় গ্রামের দেলোয়ার বেপারীর ছেলে সোহান বেপারী নিহত বোমায় কতবিক্ষত হয়ে নিহত হয়। আহত হয়েছে আরো ২জন। আহতদের মধ্যে নবীন সরদারের অবস্থা আশংকা জনক। জাজিরা থাসা পুলিশ সকালে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দুরত্বে কৃষি জমি থেকে সোহানের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তরে জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরন কর।
পুলিশ ও নাম নাপ্রকাশ্যে স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার ভোর রাতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে। বিলাসপুর ইউনিয়নের মুলাই বেপারী কান্দী গ্রামে এসে পৈত্রিক ওয়ারিশ সুত্রে পাওয়া জমিতে গত দুই মাস আগে দুচালা এক বারান্দা বিশিষ্ট টিনেরঘরটি নির্মাণ করে ইউপি চেয়ারম্যান কুদ্দুস বেপারীর চাচাতো ভাই সাগর বেপারী । বিদ্যুতের লাইনা পাওয়ায় পরিবার নিয়ে ঘরটিতে বসবাস করেনা সে । তবে বৃহস্পতিবার ভোর রাত আনুমানিক ৪ টার দিকে বিকট শব্দে বিষ্ফোরন হয় ককটেল বোমা গুলো। বিস্ফোরণে ঘরের চালা ও বেড়া উড়ে যায়। ঘরের মাঝে রক্ত পড়ে আছে। ধারনা করা হচ্ছে পাশের গ্রামের কয়েকজন রাতে ঘরে নিরিবিল সময় বোমা তৈরী করছিল । বোমা বিস্ফোরণের ঘনায় প্রায় এক কিলোমিটার দুরে কৃষি জমি থেকে ক্ষতবিক্ষত রক্তাক্ত সকালেনিহত সোহান বেপারীর লাশ উদ্ধার করে জাজিরা থানা পুলিশ । বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জেলা পুলিশের এডিশনাল পুলিশ সুপার মোঃ তানভীর হোসেন পিপিএমসহ পুলিশ কর্মকর্তারা । গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ।চরে আসছে। ২ দিন আগে ২ পক্ষের সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণে জাবেদ শেখ নামের একজনের হাতের কবজি উড়ে যায়। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে বোমা তৈরী হচ্চিল নাকি আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেকে নামকতার জন্য বোমা তৈরী হচ্চিল কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। শরীয়তপুর জেলা পুলিশের এ্যাডিশনাল পুলিশ সুপার (ক্রাইম সেবা) জানান, গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিলাসপুরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে।
ইউপি চেয়ারম্যান কুদ্দুস বেপারীর ও বিগত চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন জরিল মাদবরের সমর্থকদের মাঝে সেই ইউপি নির্বাচন থেকেই বিরোধ চলে আসছে।
ঘটনার পর থেকে গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েঝে। গ্রামবাসীর মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। গ্রামের নিরহ মানুষের দাবি যারা সন্ত্রাসী তান্ডপের সাথে জড়িত তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হউক। এঘটনার পর থেকে এলাকা পুরুষ শূন্য রয়েছে। ঘটনা স্থান পরিদর্শন করেছে রেব ৮ মাদারীপুর। দুষিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রশাসন।















