ঢাকা ০৫:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে জাতীয় ঐকমত্যের ডাক দিলেন তানিয়া রব

রামগতি (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২০৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, বরং রাষ্ট্রের আমূল সংস্কার ও অংশীদারিত্বের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠাই এখন সময়ের প্রধান দাবি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে প্রণীত ‘জুলাই সনদ’ কোনো সাধারণ রাজনৈতিক দলিল নয়, এটি ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত গণআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। এই সনদ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক ও সামাজিক সকল পক্ষের মধ্যে বৃহত্তর জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা জরুরি।
গত শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে নোয়াখালী টাউন হল সংলগ্ন পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে ঐতিহাসিক ২রা মার্চ ‘পতাকা উত্তোলন দিবস’ ও ২৬শে মার্চ ‘মহান স্বাধীনতা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেএসডি কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মিসেস তানিয়া রব এসব কথা বলেন। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) নোয়াখালী জেলা শাখা এই সভার আয়োজন করে।
তানিয়া রব তাঁর বক্তব্যে বলেন, “জুলাই সনদের মূল লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রের গুণগত ও গণতান্ত্রিক রূপান্তর এবং নাগরিক অধিকারকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুরক্ষিত করা। রাজনৈতিক বিভাজন ও রেষারেষির কারণে এই মহৎ উদ্যোগ আজ অনিশ্চয়তার মুখে। সংকীর্ণ রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে আমরা যদি যৌথ দায়িত্ববোধ তৈরি করতে না পারি, তবে ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ বৃথা যাবে।” তিনি আরও যোগ করেন, ২রা মার্চ পতাকা উত্তোলন দিবসসহ মুক্তিযুদ্ধের প্রতিটি গৌরবময় অধ্যায়কে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা এখন সময়ের দাবি।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজ মিয়া বলেন, ২রা মার্চের পতাকা উত্তোলনই সশস্ত্র সংগ্রামকে অনিবার্য করে তুলেছিল। ইতিহাসের এই বাঁকবদলকারী অধ্যায়গুলো সঠিকভাবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
নোয়াখালী জেলা জেএসডির সভাপতি মো. ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নূর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেএসডি নেতা কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী, মনিরুজ্জামান চৌধুরী, অধ্যাপিকা রেহানা জিলানী, আব্দুল্লাহ আল তারেক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোতালেব মাস্টার, এ টি মোশারেফ হোসেন মন্টু, আবু নাছের মঞ্জু ও নাসির উদ্দিন বাদলসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
সভার শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বক্তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে রাজপথে ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে জাতীয় ঐকমত্যের ডাক দিলেন তানিয়া রব

আপডেট সময় :

কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, বরং রাষ্ট্রের আমূল সংস্কার ও অংশীদারিত্বের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠাই এখন সময়ের প্রধান দাবি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে প্রণীত ‘জুলাই সনদ’ কোনো সাধারণ রাজনৈতিক দলিল নয়, এটি ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত গণআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। এই সনদ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক ও সামাজিক সকল পক্ষের মধ্যে বৃহত্তর জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা জরুরি।
গত শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে নোয়াখালী টাউন হল সংলগ্ন পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে ঐতিহাসিক ২রা মার্চ ‘পতাকা উত্তোলন দিবস’ ও ২৬শে মার্চ ‘মহান স্বাধীনতা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেএসডি কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মিসেস তানিয়া রব এসব কথা বলেন। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) নোয়াখালী জেলা শাখা এই সভার আয়োজন করে।
তানিয়া রব তাঁর বক্তব্যে বলেন, “জুলাই সনদের মূল লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রের গুণগত ও গণতান্ত্রিক রূপান্তর এবং নাগরিক অধিকারকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুরক্ষিত করা। রাজনৈতিক বিভাজন ও রেষারেষির কারণে এই মহৎ উদ্যোগ আজ অনিশ্চয়তার মুখে। সংকীর্ণ রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে আমরা যদি যৌথ দায়িত্ববোধ তৈরি করতে না পারি, তবে ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ বৃথা যাবে।” তিনি আরও যোগ করেন, ২রা মার্চ পতাকা উত্তোলন দিবসসহ মুক্তিযুদ্ধের প্রতিটি গৌরবময় অধ্যায়কে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা এখন সময়ের দাবি।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজ মিয়া বলেন, ২রা মার্চের পতাকা উত্তোলনই সশস্ত্র সংগ্রামকে অনিবার্য করে তুলেছিল। ইতিহাসের এই বাঁকবদলকারী অধ্যায়গুলো সঠিকভাবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
নোয়াখালী জেলা জেএসডির সভাপতি মো. ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নূর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেএসডি নেতা কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী, মনিরুজ্জামান চৌধুরী, অধ্যাপিকা রেহানা জিলানী, আব্দুল্লাহ আল তারেক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোতালেব মাস্টার, এ টি মোশারেফ হোসেন মন্টু, আবু নাছের মঞ্জু ও নাসির উদ্দিন বাদলসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
সভার শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বক্তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে রাজপথে ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।