ঢাকা ০২:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কোনোভাবেই উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo পঞ্চগড়ে দিঘি থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার, হাতে মিলল চিরকুট Logo কাঁঠালিয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন Logo বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করে যাবে: ত্রাণমন্ত্রী Logo শ্রীপুরে জমি দখল ও হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন Logo আগামীকাল কুড়িগ্রামে এনসিপির কৃষক সমাবেশে যোগ দেবেন নাহিদ ইসলাম Logo ৭৩ বছর পর ছোনকা বিদ্যালয়ে বাণিজ্য বিভাগের অনুমোদন Logo নগরকান্দায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে সড়ক সংস্কার, স্বস্তি এলাকাবাসীর Logo দলিল লেখক মিন্টু হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনের যাবজ্জীবন Logo ঈশ্বরদীতে বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্পে ৮০ জনের ছানি অপারেশন

টেকনাফে শিশু কন্যা ধর্ষণের শিকার এলাকায় তীব্র ক্ষোভ!

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২৯২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজারের টেকনাফে এক শিশু কন্যা (৯) ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। টেকনাফ পৌরসভার কেকে খাল সংলগ্ন পুরাতন রোহিঙ্গা ছৈয়দ করিমের মালিকানাধীন ফিশারীতে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগী শিশুটি টেকনাফ সদরের নতুন পল্লান পাড়া এলাকার অসহায় পরিবারের সন্তান বলে জানা যায়। সংযত কারনে নাম ঠিকানা গোপন রাখা হল।
সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (১৪ মার্চ) অনুমান বিকাল ৩:১০ ঘটিকায় ছৈয়দ করিমের মাছের ফিশারী হতে রক্তাক্ত ও প্রায় বিবস্ত্র অবস্থায় শিশু কন্যাটি বের হয়ে আসতে দেখে লোকজন জিজ্ঞাসাবাদ করলে তাকে ধর্ষণ করেছে বলে স্বীকার করেন। পরবর্তীতে ভিকটিমকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসবাদ শেষে চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
উল্লেখ থাকে যে, এলাকাটি মাদক পাচারসহ নানাবিধ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য আগে থেকেই চিহ্নিত। সেখানে আইন-শৃঙ্খলার শিথিলতা এবং অপরাধীদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যাওয়ায় এই ধরণের ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটানোর সাহস পাচ্ছে দুষ্কৃতিকারীরা। অরক্ষিত ও অসহায় শিশুদের নিরাপত্তার অভাব নিয়ে এখন এলাকায় তোলপাড় চলছে।
ঘটনার বিষয়ে কায়ুকখালী ঘাট বোট-মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। বিষয়টি টেকনাফ মডেল থানায় অবহিত করা হয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে ভিকটিমকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং জড়িত অজ্ঞাতনামা দুশ্চরিত্রব্যক্তিকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে আমরা আইনশৃংখলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছি।এলাকাবাসী ও সচেতন মহল এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অপরাধীকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি তুলেছেন। তারা বলছেন, অপরাধপ্রবণ এই এলাকায় শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরণের অঘটন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, ভিকটিম শিশুর পরিবার এবং স্থানীয়রা বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সাফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি অবগত আছেন এবং ঘটনায় জড়িতকে সনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেনি বলেও জানান তিনি। অভিযোগ পেলে যথাযত আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

টেকনাফে শিশু কন্যা ধর্ষণের শিকার এলাকায় তীব্র ক্ষোভ!

আপডেট সময় :

কক্সবাজারের টেকনাফে এক শিশু কন্যা (৯) ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। টেকনাফ পৌরসভার কেকে খাল সংলগ্ন পুরাতন রোহিঙ্গা ছৈয়দ করিমের মালিকানাধীন ফিশারীতে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগী শিশুটি টেকনাফ সদরের নতুন পল্লান পাড়া এলাকার অসহায় পরিবারের সন্তান বলে জানা যায়। সংযত কারনে নাম ঠিকানা গোপন রাখা হল।
সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (১৪ মার্চ) অনুমান বিকাল ৩:১০ ঘটিকায় ছৈয়দ করিমের মাছের ফিশারী হতে রক্তাক্ত ও প্রায় বিবস্ত্র অবস্থায় শিশু কন্যাটি বের হয়ে আসতে দেখে লোকজন জিজ্ঞাসাবাদ করলে তাকে ধর্ষণ করেছে বলে স্বীকার করেন। পরবর্তীতে ভিকটিমকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসবাদ শেষে চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
উল্লেখ থাকে যে, এলাকাটি মাদক পাচারসহ নানাবিধ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য আগে থেকেই চিহ্নিত। সেখানে আইন-শৃঙ্খলার শিথিলতা এবং অপরাধীদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যাওয়ায় এই ধরণের ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটানোর সাহস পাচ্ছে দুষ্কৃতিকারীরা। অরক্ষিত ও অসহায় শিশুদের নিরাপত্তার অভাব নিয়ে এখন এলাকায় তোলপাড় চলছে।
ঘটনার বিষয়ে কায়ুকখালী ঘাট বোট-মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। বিষয়টি টেকনাফ মডেল থানায় অবহিত করা হয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে ভিকটিমকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং জড়িত অজ্ঞাতনামা দুশ্চরিত্রব্যক্তিকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে আমরা আইনশৃংখলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছি।এলাকাবাসী ও সচেতন মহল এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অপরাধীকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি তুলেছেন। তারা বলছেন, অপরাধপ্রবণ এই এলাকায় শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরণের অঘটন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, ভিকটিম শিশুর পরিবার এবং স্থানীয়রা বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সাফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি অবগত আছেন এবং ঘটনায় জড়িতকে সনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেনি বলেও জানান তিনি। অভিযোগ পেলে যথাযত আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।