ঢাকা ০৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চাঁদপুরে ৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড Logo বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে আউটসোর্সিং নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ Logo ১৪০ বছরের সোনাহাট সেতুর পাটাতন ভেঙে ভারী যান চলাচল বন্ধ Logo ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ হেক্টর ফসল, ৩৫ পয়েন্টে নদীভাঙন Logo সবুজ ক্যাম্পাস গড়তে প্লাস্টিক বর্জন ও বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে Logo নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মসজিদের খতিবের মৃত্যু Logo নোয়াখালীতে শিশু আসমা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় তৃতীয় দফায় পেছালো Logo নোয়াখালীতে সড়কে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং Logo নেত্রকোনায় পৌরশহরের রাস্তায় যানজট, সীমাহীন দুর্ভোগ Logo আদমদীঘিতে কীটনাশক ঔষধের দোকানে দু:সাহসিক চুরি

ত্যাগের রাজনীতিতে অবিচল: সোনাইমুড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় ফরহাদ

সোনাইমুড়ী (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৩১৪ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সোনাইমুড়ী উপজেলার রাজনীতিতে দীর্ঘ চার দশকের এক পরীক্ষিত নাম মাছুদুল আলম ফরহাদ। ছাত্র রাজনীতির রাজপথ থেকে উঠে আসা এই নেতা বর্তমানে সোনাইমুড়ী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে দলীয় সুযোগের অপেক্ষা ও জনসমর্থন নিয়ে তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে নিজের প্রার্থীতা ও সেবার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
রাজপথ থেকে নেতৃত্বে ১৯৮৬ সালে স্কুল জীবন থেকেই ছাত্রদলের হাত ধরে রাজনীতিতে হাতেখড়ি ফরহাদের। ১৯৮৭ সালে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে থানা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তৃণমূল পর্যায়ে দলকে সুসংগঠিত করেন তিনি। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় জেলা ছাত্রদল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল এবং উপজেলা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে তিনি প্রমাণ করেছেন নিজের সাংগঠনিক দক্ষতা।
আন্দোলন ও ত্যাগের খতিয়ানে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন, মাছুদুল আলম ফরহাদ কেবল পদধারী নেতা নন, বরং রাজপথের লড়াকু সৈনিক হিসেবে পরিচিত। ২০১৭ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেওয়ার প্রতিবাদে যখন অনেক নেতা আত্মগোপনে ছিলেন, তখন সোনাইমুড়ী বাজারে ঝুকি নিয়ে মিছিল করে পুলিশ ও প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হয়েছিলেন তিনি।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে অসংখ্য মামলার শিকার হতে হয়েছে। নিজের ব্যবসা ও সহায়-সম্পদ হারিয়েছেন, পরিবারকে সময় দিতে না পেরে বহু রাত অন্যের আঙিনায় কাটাতে হয়েছে ফেরারি হয়ে। তবুও শহীদ জিয়ার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি এই নেতা।
সন্ত্রাস ও দখলমুক্ত সোনাইমুড়ী গড়তে ব্যবসায়ী মাছুদুল আলম ফরহাদ জানান, তিনি রাজনীতি করেন সম্মানের জন্য, আখের গোছানোর জন্য নয়। তিনি বলেন, “আমাদের নেতা তারেক রহমানের দর্শন— ‘করবো কাজ, গড়বো দেশ’। দল আমাকে দায়িত্ব দিলে আমি সোনাইমুড়ীকে সন্ত্রাস, মাদক, দখলবাজ এবং চাঁদাবাজমুক্ত একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবো।”
সোনাইমুড়ী পৌরসভার ভানুয়াই (মিয়া বাড়ী) গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া মাছুদুল আলম ফরহাদ শিক্ষাজীবনে বি.এস.এস (১৯৯৪) ডিগ্রিধারী। তার পিতা মরহুম হাজী রফিক উল্যা এবং মাতা মরহুম হোসনেয়ারা বেগম বকুল। পারিবারিক ঐতিহ্যের ধারা মেনেই তিনি আজীবন জাতীয়তাবাদী আদর্শকে লালন করে আসছেন।
স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মতে, মাছুদুল আলম ফরহাদের মতো ত্যাগী ও অভিজ্ঞ নেতৃত্ব সোনাইমুড়ী উপজেলার সামগ্রিক উন্নয়নে এবং দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এখন দেখার বিষয়, আগামী দিনে সোনাইমুড়ীর সাধারণ মানুষ ও দল তার এই দীর্ঘ সংগ্রামের মূল্যায়ন কীভাবে করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ত্যাগের রাজনীতিতে অবিচল: সোনাইমুড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় ফরহাদ

আপডেট সময় :

সোনাইমুড়ী উপজেলার রাজনীতিতে দীর্ঘ চার দশকের এক পরীক্ষিত নাম মাছুদুল আলম ফরহাদ। ছাত্র রাজনীতির রাজপথ থেকে উঠে আসা এই নেতা বর্তমানে সোনাইমুড়ী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে দলীয় সুযোগের অপেক্ষা ও জনসমর্থন নিয়ে তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে নিজের প্রার্থীতা ও সেবার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
রাজপথ থেকে নেতৃত্বে ১৯৮৬ সালে স্কুল জীবন থেকেই ছাত্রদলের হাত ধরে রাজনীতিতে হাতেখড়ি ফরহাদের। ১৯৮৭ সালে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে থানা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তৃণমূল পর্যায়ে দলকে সুসংগঠিত করেন তিনি। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় জেলা ছাত্রদল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল এবং উপজেলা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে তিনি প্রমাণ করেছেন নিজের সাংগঠনিক দক্ষতা।
আন্দোলন ও ত্যাগের খতিয়ানে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন, মাছুদুল আলম ফরহাদ কেবল পদধারী নেতা নন, বরং রাজপথের লড়াকু সৈনিক হিসেবে পরিচিত। ২০১৭ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেওয়ার প্রতিবাদে যখন অনেক নেতা আত্মগোপনে ছিলেন, তখন সোনাইমুড়ী বাজারে ঝুকি নিয়ে মিছিল করে পুলিশ ও প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হয়েছিলেন তিনি।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে অসংখ্য মামলার শিকার হতে হয়েছে। নিজের ব্যবসা ও সহায়-সম্পদ হারিয়েছেন, পরিবারকে সময় দিতে না পেরে বহু রাত অন্যের আঙিনায় কাটাতে হয়েছে ফেরারি হয়ে। তবুও শহীদ জিয়ার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি এই নেতা।
সন্ত্রাস ও দখলমুক্ত সোনাইমুড়ী গড়তে ব্যবসায়ী মাছুদুল আলম ফরহাদ জানান, তিনি রাজনীতি করেন সম্মানের জন্য, আখের গোছানোর জন্য নয়। তিনি বলেন, “আমাদের নেতা তারেক রহমানের দর্শন— ‘করবো কাজ, গড়বো দেশ’। দল আমাকে দায়িত্ব দিলে আমি সোনাইমুড়ীকে সন্ত্রাস, মাদক, দখলবাজ এবং চাঁদাবাজমুক্ত একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবো।”
সোনাইমুড়ী পৌরসভার ভানুয়াই (মিয়া বাড়ী) গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া মাছুদুল আলম ফরহাদ শিক্ষাজীবনে বি.এস.এস (১৯৯৪) ডিগ্রিধারী। তার পিতা মরহুম হাজী রফিক উল্যা এবং মাতা মরহুম হোসনেয়ারা বেগম বকুল। পারিবারিক ঐতিহ্যের ধারা মেনেই তিনি আজীবন জাতীয়তাবাদী আদর্শকে লালন করে আসছেন।
স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মতে, মাছুদুল আলম ফরহাদের মতো ত্যাগী ও অভিজ্ঞ নেতৃত্ব সোনাইমুড়ী উপজেলার সামগ্রিক উন্নয়নে এবং দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এখন দেখার বিষয়, আগামী দিনে সোনাইমুড়ীর সাধারণ মানুষ ও দল তার এই দীর্ঘ সংগ্রামের মূল্যায়ন কীভাবে করে।