ঢাকা ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬

রাজনৈতিক নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব, চাঁদাবাজি আর ভাগাভাগির জের

দাগনভূঞার একের পর এক প্রকল্প ভেস্তে যাচ্ছে

দাগনভূঞা (ফেনী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দাগনভূঞা রাজনৈতিক নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব, চাঁদাবাজি আর ভাগাভাগির জেরে পৌরসভার একের পর এক প্রকল্প যাচ্ছে ভেস্তে। এসব দেখার যেন নেই কেউ!
পুরান থানা সড়কসহ কুয়েত ফান্ডের ৪ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করতে না পারায় পৌরসভা থেকে পাঠানো আরো ৭ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব এরইমধ্যে নাকচ করে দিয়েছে দাতা সংস্থা। ফেরত চলে গেছে কোভিডসহ আরো কয়েকটি বিদেশি প্রকল্পও। উল্লেখ্য
পৌরশহরে সড়কের সংস্কার কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় কজে নিয়োজিত শ্রমিকদের মারধর ও হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইইউজিআইপি প্রকল্প-৩ এর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী মো. হাসান দাগনভূএর থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। গত ২৪ এপ্রিল রাত সাড়ে ১০টার দিকে দাগনভূঞা পৌর শহনের নার্সারী রোড সংলগ্ন সুইপার কলোনির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ভাড়া করা গোডউনে এ গটনা ঘটে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২৩ এপ্রিল রাত ১০টার দিকে ১০-১৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি মুখে মাক্স পরিহিত অবস্থায় লেবার শেড ও গুদামঘরে অবৈধভাবে প্রবেশ করে। তারা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চলমান কাজ বব্দ করার জন্য হুমকি প্রদান করে। শ্রমিকদের থাকার শেডে তালাবদ্ধ করে বাইরে থেকে পেট্রোস ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতার বর্ণিত ঘটনা স্থলে অভিযোগের তারিখ ও সময়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা পুনরায় অন্যায় পরিকল্পভাবে লেবার শেড ও গুদামঘরে প্রবেশ করে এবং কোনো প্রকার আলোচনা ছাড়াই নির্মাণ কাজে বাধা প্রদান করে ও সেখনে সংরক্ষিত মালামাল ভাংচুর করে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। তার শ্রমিকদের হত্যা চেষ্টার উদ্দেশ্যে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি আগাত করে গুরুতর জখম করে এতে কয়েকজন শ্রমিক ওরুতর আহত হয়। বর্তমানে লেবার শেড ও গুদামঘরে অনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা মূল্যের নির্মাণ সামগ্রী মজুদ রয়েছে, যা নিয়ে সম নিরাপওা ঝুঁকিতে আহে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পুনরায় হামলা, লুটপাট বা অগ্নিসংযোগের শঙ্কায় কথাও অভিযোগে উল্লেখ
করা হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী মো. হাসান জড়িতদের দ্রুত সনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক লেবার শেড ও গুদামঘরে জরুরি ভিত্তিতে পুলিশি নিরাপত্তা প্রদানের দাবি জানান। গত ২৭ এপ্রিল দাগনভূঞা থানায় প্রকৌশলী মো. হাসম এ অভিযোগ করেন।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম জানান, এ ঘটনায় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইইউজিআইপি প্রকল্পে চার প্যাকেজে প্রায় ৪০ কোটি টাকার কাজের টেন্ডার হলেও নেই কোনো অগ্রগতি। চাঁদা দাবির মুখে সব কাজই থমকে আছে। নার্সারি সড়কে প্রকল্পের ৩ নং প্যাকেজের ঠিকাদারের লেবার শেড ও গুদামঘরে গত ২৩ এপ্রিল রাতে দুর্বৃত্তরা হামলা করে ভাংচুর চালিয়েছে। মারধর করা হয় ঠিকাদারের লোকজনদের। এমন কি শ্রমিকদের আগুনে পুড়িয়ে মারারও হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ঠিকাদার থানায় জিডি করেছেন। ঠিকাদার অভিযোগ করেন, তার কাছে ১০ লাখ টাকা নতুবা কাজের ১% চাঁদা দাবি করা হয়। প্রকল্প সাইটে রাখা প্রায় আড়াই কোটির মালামাল নিয়ে তিনি এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও উৎকন্ঠার মধ্যে রয়েছেন বলে জানান।
এদিকে চাঁদাবাজির কারণে আইইউজিআইপির ২০০ কোটি টাকার প্রকল্পটিও হয়তো শেষমেশ ভেস্তে যাবে এমন আশংকা সংশ্লিষ্টদের। ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্লান্ট নিয়েও দেখা দিয়েছে ঘোর অনিশ্চয়তা।
পৌর সভার চারটি সড়কের কাজ পেয়েছে লাকি এন্টারপ্রাইজ। অনেক বাধার মুখে শুধু মাত্র ৯ নং ওয়ার্ডের বাশ তলার রোড়ের কাজ শেষ করতে পেরেছে। কিন্তু বাকি রাস্তার কাজ এখনও শুরুও করতে পারেনি। খোদ মন্ত্রীর একান্ত সচিব রাজুর বাড়ির সামনের রোড়ের কাজ করতে গেলে বাধার সৃষ্টি। টিকাদারের কাছে দাবি করা হয় ৫ থেকে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। এই ঠিকাদারের পুরান থানার রোড়ে কাজও বন্ধ করে দিয়েছে চাঁদার কারনে।
এই দিকে বিএনপির দুগ্রুপের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ থাকলেও পৌরসভা, এডিব ও এলজিআরডি বিভিন্ন সড়কের কাজগুলো এর মধ্যে ভাগাভাগি করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
পৌরবাসীর অভিযোগ, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না থাকায় মব ও চাঁদাবাজির ঘটনায় কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি। কিন্তু বর্তমানে নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকারের সময়ে তা-ও আবার যেখানে একজন ডাকসাইটে এমপি ও মন্ত্রী রয়েছেন তাঁর এলাকায় এসব অন্যায়-অবিচার কী মেনে নেওয়া যায়?
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম জানান, চাদাবাজী বা কাজ বন্ধের ব্যপারে আমাদের কাছে আসে কিন্তু অভিযোগ গুলোতে অপরাধীদের কোন নাম পরিচয় থাকে না। অভিযোগ দেওয়া অজ্ঞাত নামা হিসেবে। কারো নাম দেওয়া না থাকলে অপরাধিদের খুঁজে বের করা আমাদের পক্ষে কষ্ট সাধ্য হয়ে যায়। আমাদের কাছে কাজ বন্ধ বা কাজে বাধা দেওয়া সম্পর্কে যে সকল অভিযোগ এসেছে সেগুলো তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দাগনভূঞা পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীদুল ইসলাম বলেন, পৌরসভার উন্নয়ন কাজের ব্যাপারে আমরা উদ্দোতন কর্তৃপক্ষকে সমস্যাগুলো জানিয়েছি। এই এলাকার এমপি ও বন ও পরিবেশ মন্ত্রীর সাথে পৌরসভার প্রকল্পগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি সমস্যা গুলো সমাধানের ব্যাপারে পদক্ষেপ নিবেন বলে জানিয়েছেন। সকল রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করে সকলের সহযোগিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছি। সকলের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে এবং তারা সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। এ সকল প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন করতে আমরা বদ্ধপরিকর।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রাজনৈতিক নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব, চাঁদাবাজি আর ভাগাভাগির জের

দাগনভূঞার একের পর এক প্রকল্প ভেস্তে যাচ্ছে

আপডেট সময় :

দাগনভূঞা রাজনৈতিক নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব, চাঁদাবাজি আর ভাগাভাগির জেরে পৌরসভার একের পর এক প্রকল্প যাচ্ছে ভেস্তে। এসব দেখার যেন নেই কেউ!
পুরান থানা সড়কসহ কুয়েত ফান্ডের ৪ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করতে না পারায় পৌরসভা থেকে পাঠানো আরো ৭ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব এরইমধ্যে নাকচ করে দিয়েছে দাতা সংস্থা। ফেরত চলে গেছে কোভিডসহ আরো কয়েকটি বিদেশি প্রকল্পও। উল্লেখ্য
পৌরশহরে সড়কের সংস্কার কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় কজে নিয়োজিত শ্রমিকদের মারধর ও হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইইউজিআইপি প্রকল্প-৩ এর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী মো. হাসান দাগনভূএর থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। গত ২৪ এপ্রিল রাত সাড়ে ১০টার দিকে দাগনভূঞা পৌর শহনের নার্সারী রোড সংলগ্ন সুইপার কলোনির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ভাড়া করা গোডউনে এ গটনা ঘটে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২৩ এপ্রিল রাত ১০টার দিকে ১০-১৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি মুখে মাক্স পরিহিত অবস্থায় লেবার শেড ও গুদামঘরে অবৈধভাবে প্রবেশ করে। তারা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চলমান কাজ বব্দ করার জন্য হুমকি প্রদান করে। শ্রমিকদের থাকার শেডে তালাবদ্ধ করে বাইরে থেকে পেট্রোস ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতার বর্ণিত ঘটনা স্থলে অভিযোগের তারিখ ও সময়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা পুনরায় অন্যায় পরিকল্পভাবে লেবার শেড ও গুদামঘরে প্রবেশ করে এবং কোনো প্রকার আলোচনা ছাড়াই নির্মাণ কাজে বাধা প্রদান করে ও সেখনে সংরক্ষিত মালামাল ভাংচুর করে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। তার শ্রমিকদের হত্যা চেষ্টার উদ্দেশ্যে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি আগাত করে গুরুতর জখম করে এতে কয়েকজন শ্রমিক ওরুতর আহত হয়। বর্তমানে লেবার শেড ও গুদামঘরে অনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা মূল্যের নির্মাণ সামগ্রী মজুদ রয়েছে, যা নিয়ে সম নিরাপওা ঝুঁকিতে আহে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পুনরায় হামলা, লুটপাট বা অগ্নিসংযোগের শঙ্কায় কথাও অভিযোগে উল্লেখ
করা হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী মো. হাসান জড়িতদের দ্রুত সনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক লেবার শেড ও গুদামঘরে জরুরি ভিত্তিতে পুলিশি নিরাপত্তা প্রদানের দাবি জানান। গত ২৭ এপ্রিল দাগনভূঞা থানায় প্রকৌশলী মো. হাসম এ অভিযোগ করেন।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম জানান, এ ঘটনায় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইইউজিআইপি প্রকল্পে চার প্যাকেজে প্রায় ৪০ কোটি টাকার কাজের টেন্ডার হলেও নেই কোনো অগ্রগতি। চাঁদা দাবির মুখে সব কাজই থমকে আছে। নার্সারি সড়কে প্রকল্পের ৩ নং প্যাকেজের ঠিকাদারের লেবার শেড ও গুদামঘরে গত ২৩ এপ্রিল রাতে দুর্বৃত্তরা হামলা করে ভাংচুর চালিয়েছে। মারধর করা হয় ঠিকাদারের লোকজনদের। এমন কি শ্রমিকদের আগুনে পুড়িয়ে মারারও হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ঠিকাদার থানায় জিডি করেছেন। ঠিকাদার অভিযোগ করেন, তার কাছে ১০ লাখ টাকা নতুবা কাজের ১% চাঁদা দাবি করা হয়। প্রকল্প সাইটে রাখা প্রায় আড়াই কোটির মালামাল নিয়ে তিনি এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও উৎকন্ঠার মধ্যে রয়েছেন বলে জানান।
এদিকে চাঁদাবাজির কারণে আইইউজিআইপির ২০০ কোটি টাকার প্রকল্পটিও হয়তো শেষমেশ ভেস্তে যাবে এমন আশংকা সংশ্লিষ্টদের। ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্লান্ট নিয়েও দেখা দিয়েছে ঘোর অনিশ্চয়তা।
পৌর সভার চারটি সড়কের কাজ পেয়েছে লাকি এন্টারপ্রাইজ। অনেক বাধার মুখে শুধু মাত্র ৯ নং ওয়ার্ডের বাশ তলার রোড়ের কাজ শেষ করতে পেরেছে। কিন্তু বাকি রাস্তার কাজ এখনও শুরুও করতে পারেনি। খোদ মন্ত্রীর একান্ত সচিব রাজুর বাড়ির সামনের রোড়ের কাজ করতে গেলে বাধার সৃষ্টি। টিকাদারের কাছে দাবি করা হয় ৫ থেকে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। এই ঠিকাদারের পুরান থানার রোড়ে কাজও বন্ধ করে দিয়েছে চাঁদার কারনে।
এই দিকে বিএনপির দুগ্রুপের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ থাকলেও পৌরসভা, এডিব ও এলজিআরডি বিভিন্ন সড়কের কাজগুলো এর মধ্যে ভাগাভাগি করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
পৌরবাসীর অভিযোগ, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না থাকায় মব ও চাঁদাবাজির ঘটনায় কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি। কিন্তু বর্তমানে নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকারের সময়ে তা-ও আবার যেখানে একজন ডাকসাইটে এমপি ও মন্ত্রী রয়েছেন তাঁর এলাকায় এসব অন্যায়-অবিচার কী মেনে নেওয়া যায়?
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম জানান, চাদাবাজী বা কাজ বন্ধের ব্যপারে আমাদের কাছে আসে কিন্তু অভিযোগ গুলোতে অপরাধীদের কোন নাম পরিচয় থাকে না। অভিযোগ দেওয়া অজ্ঞাত নামা হিসেবে। কারো নাম দেওয়া না থাকলে অপরাধিদের খুঁজে বের করা আমাদের পক্ষে কষ্ট সাধ্য হয়ে যায়। আমাদের কাছে কাজ বন্ধ বা কাজে বাধা দেওয়া সম্পর্কে যে সকল অভিযোগ এসেছে সেগুলো তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দাগনভূঞা পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীদুল ইসলাম বলেন, পৌরসভার উন্নয়ন কাজের ব্যাপারে আমরা উদ্দোতন কর্তৃপক্ষকে সমস্যাগুলো জানিয়েছি। এই এলাকার এমপি ও বন ও পরিবেশ মন্ত্রীর সাথে পৌরসভার প্রকল্পগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি সমস্যা গুলো সমাধানের ব্যাপারে পদক্ষেপ নিবেন বলে জানিয়েছেন। সকল রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করে সকলের সহযোগিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছি। সকলের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে এবং তারা সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। এ সকল প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন করতে আমরা বদ্ধপরিকর।