ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ঝিনাইদহে সংরক্ষিত নারী আসনে তহুরা  খাতুনকে ঘিরে তৃণমূলের প্রত্যাশা Logo নওগাঁর ঠাকুরমান্দার ২শ বছরের পূরনো রাজখাড়া দেবত্তোর ষ্টেটের শ্রী শ্রী জয় কালি মাতা মন্দির ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের পরিদর্শন Logo সদর মডেল থানা ও রামু থানায় ১৪ ছিনতাইকারী গ্রেফতার Logo এপেক্স বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন নুরুল আমিন চৌধুরী Logo জনভোগান্তি কমাতে প্রশাসনের জোর তৎপরতা, সচেতনতার আহ্বান Logo ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে জাতীয় ঐকমত্যের ডাক দিলেন তানিয়া রব Logo মানিকগঞ্জে পেটে লাথি মেরে ভ্রূণ হত্যার অভিযোগ Logo তারাকান্দায় বসতবাড়ি সংলগ্ন মাটি খনন করায় বসতবাড়ি ধসে যাওয়ার শঙ্কা Logo বলাৎকারের খবর প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের নামে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের মামলা Logo তারাকান্দায় ফখরুদ্দিন হত্যার জেরে ধরে বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট

দেড় লাখ ইভিএম’র নষ্ট ১ লাখ ১০ হাজার

গণমুক্তি রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ৫০৮ বার পড়া হয়েছে

ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ফাইল ছবি

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মেয়াদ ১০ বছর হলেও পাঁচ বছরে মধ্যেই প্রায় দেড় লাখ মেশিন নষ্ট। যার দাম প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা। অপর ৪০ হাজারও অকেজো হওয়ার পথে।

২০১৮ সালে সাধারণ নির্বাচনের আগে দেড় লাখ ইভিএম। যার প্রতিটি মেশিনের দাম পড়ে ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) খরচ করে ৩ হাজার ৮ শ কোটি টাকা। সে বছর মাত্র ছয়টি আসনে ইভিএমে ভোট হয়েছিল।

২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে দেড় শ আসনে ইভিএমে ভোট করতে চেয়েছিল ইসি। বরাদ্দ চেয়েছিল প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু টাকাও পায়নি, ইভিএমে ভোটও হয়নি।

সরকারি সম্পদ, এই দেড় লাখ ইভিএম পড়ে রয়েছে অনাদরে-অবহেলায়। যেই মেশিনগুলো দিয়ে ১০ বছর ভোট নেওয়ার কথা থাকলেও পাঁচ বছরেই অচল হয়ে পড়েছে। দেড় লাখের মধ্যে এখন সচল মাত্র ৪০ হাজার ইভিএম। ক্ষতি প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

দেড় লাখ ইভিএম’র নষ্ট ১ লাখ ১০ হাজার

আপডেট সময় :

 

ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মেয়াদ ১০ বছর হলেও পাঁচ বছরে মধ্যেই প্রায় দেড় লাখ মেশিন নষ্ট। যার দাম প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা। অপর ৪০ হাজারও অকেজো হওয়ার পথে।

২০১৮ সালে সাধারণ নির্বাচনের আগে দেড় লাখ ইভিএম। যার প্রতিটি মেশিনের দাম পড়ে ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) খরচ করে ৩ হাজার ৮ শ কোটি টাকা। সে বছর মাত্র ছয়টি আসনে ইভিএমে ভোট হয়েছিল।

২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে দেড় শ আসনে ইভিএমে ভোট করতে চেয়েছিল ইসি। বরাদ্দ চেয়েছিল প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু টাকাও পায়নি, ইভিএমে ভোটও হয়নি।

সরকারি সম্পদ, এই দেড় লাখ ইভিএম পড়ে রয়েছে অনাদরে-অবহেলায়। যেই মেশিনগুলো দিয়ে ১০ বছর ভোট নেওয়ার কথা থাকলেও পাঁচ বছরেই অচল হয়ে পড়েছে। দেড় লাখের মধ্যে এখন সচল মাত্র ৪০ হাজার ইভিএম। ক্ষতি প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা।