ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কোস্টগার্ডের মাদক বিরোধী অভিযানে  ৭৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ Logo গলাচিপা পৌরসভায় ভাতা ভোগীদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে জনমনে ইতিবাচক সাড়া Logo তিন দিন ব্যাপী নাটোর কানাইখালী মাঠে আম প্রদর্শনী ও ফল মেলা শুরু Logo ঝিনাইদহে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ Logo ঝিনাইদহে ছয় লেন সড়ক নির্মাণে অধিগ্রহণকৃত জমির ন্যায্য মূল্য’র দাবিতে মানববন্ধন Logo হরিণাকুণ্ডুতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহায়তার চেক ও ফুটবল বিতরণ Logo ওয়ালটন প্লাজার দেশব্যাপী ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প, হটলাইন চালু Logo গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ডামুড্যায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo নলুয়াবাগী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আগ্রহ মুজিবুর রহমানের Logo সভাপতি মোশাররফ, সম্পাদক মিজান

দেড় লাখ ইভিএম’র নষ্ট ১ লাখ ১০ হাজার

গণমুক্তি রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ৫৪৬ বার পড়া হয়েছে

ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ফাইল ছবি

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মেয়াদ ১০ বছর হলেও পাঁচ বছরে মধ্যেই প্রায় দেড় লাখ মেশিন নষ্ট। যার দাম প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা। অপর ৪০ হাজারও অকেজো হওয়ার পথে।

২০১৮ সালে সাধারণ নির্বাচনের আগে দেড় লাখ ইভিএম। যার প্রতিটি মেশিনের দাম পড়ে ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) খরচ করে ৩ হাজার ৮ শ কোটি টাকা। সে বছর মাত্র ছয়টি আসনে ইভিএমে ভোট হয়েছিল।

২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে দেড় শ আসনে ইভিএমে ভোট করতে চেয়েছিল ইসি। বরাদ্দ চেয়েছিল প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু টাকাও পায়নি, ইভিএমে ভোটও হয়নি।

সরকারি সম্পদ, এই দেড় লাখ ইভিএম পড়ে রয়েছে অনাদরে-অবহেলায়। যেই মেশিনগুলো দিয়ে ১০ বছর ভোট নেওয়ার কথা থাকলেও পাঁচ বছরেই অচল হয়ে পড়েছে। দেড় লাখের মধ্যে এখন সচল মাত্র ৪০ হাজার ইভিএম। ক্ষতি প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

দেড় লাখ ইভিএম’র নষ্ট ১ লাখ ১০ হাজার

আপডেট সময় :

 

ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মেয়াদ ১০ বছর হলেও পাঁচ বছরে মধ্যেই প্রায় দেড় লাখ মেশিন নষ্ট। যার দাম প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা। অপর ৪০ হাজারও অকেজো হওয়ার পথে।

২০১৮ সালে সাধারণ নির্বাচনের আগে দেড় লাখ ইভিএম। যার প্রতিটি মেশিনের দাম পড়ে ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) খরচ করে ৩ হাজার ৮ শ কোটি টাকা। সে বছর মাত্র ছয়টি আসনে ইভিএমে ভোট হয়েছিল।

২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে দেড় শ আসনে ইভিএমে ভোট করতে চেয়েছিল ইসি। বরাদ্দ চেয়েছিল প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু টাকাও পায়নি, ইভিএমে ভোটও হয়নি।

সরকারি সম্পদ, এই দেড় লাখ ইভিএম পড়ে রয়েছে অনাদরে-অবহেলায়। যেই মেশিনগুলো দিয়ে ১০ বছর ভোট নেওয়ার কথা থাকলেও পাঁচ বছরেই অচল হয়ে পড়েছে। দেড় লাখের মধ্যে এখন সচল মাত্র ৪০ হাজার ইভিএম। ক্ষতি প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা।