ঢাকা ০২:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কোনোভাবেই উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo পঞ্চগড়ে দিঘি থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার, হাতে মিলল চিরকুট Logo কাঁঠালিয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন Logo বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করে যাবে: ত্রাণমন্ত্রী Logo শ্রীপুরে জমি দখল ও হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন Logo আগামীকাল কুড়িগ্রামে এনসিপির কৃষক সমাবেশে যোগ দেবেন নাহিদ ইসলাম Logo ৭৩ বছর পর ছোনকা বিদ্যালয়ে বাণিজ্য বিভাগের অনুমোদন Logo নগরকান্দায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে সড়ক সংস্কার, স্বস্তি এলাকাবাসীর Logo দলিল লেখক মিন্টু হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনের যাবজ্জীবন Logo ঈশ্বরদীতে বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্পে ৮০ জনের ছানি অপারেশন

নওগাঁয় কৃষক রক্ষায় পর্যাপ্ত হিমাগার স্থাপন করা পরামর্শ বাসদের

নওগাঁ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নওগাঁয় সমাজতান্ত্রিক ক্ষেত মজুর ও কৃষক ফ্রন্টের প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার বিকেলে নওগাঁ শহরের চকদেব কলেজপাড়ায় বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) অফিসে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিনিধি সভায় মঙ্গল কিসকুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক ক্ষেত মজুর ও কৃষক ফ্রন্টের সহ সভাপতি কমরেড ওয়াজেদ পারভেজ, জয়নাল আবেদীন মুকুল, সাধারন সম্পাদক কমরেড আব্দুল কুদ্দুস।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, রবিউল টুডু, স্বপন মন্ডল, জোৎস্না পাহান, ফারুক হোসেন, নীলিমা কর্মকার, অমল মহন্ত, ভদলু লাকড়াসহ প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, সার, বীজ ও কীটনাশকসহ কৃষি উপকরণের দাম বেশী, বিক্রি করতে গেলে দাম কম। আলু চাষিরা আলুর দাম না পেয়ে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। অপর দিকে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে লুটপাট প্রক্রিয়া চালু রেখেছে। কৃষকদের ন্যায্য দাবী আদায়ে কমিটি করে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
সমাজতান্ত্রিক ক্ষেত মজুর ও কৃষক ফ্রন্টের সহ সভাপতি কমরেড ওয়াজেদ পারভেজ বলেন- কৃষি উপকরণের দাম বেশি হওয়ার কারণে শস্য উৎপাদন করতে গিয়ে কৃষকদের খরচ বেশি পড়ছে। বিশেষ করে যেকোন শস্য উৎপাদনের ভর মৌসুমে সারের প্রয়োজন হয়। এসময় চাহিদা থাকায় সংকট দেখা দেয়। ডিলার পর্যায়ে সার থাকে না। কিন্তু খুচরা পর্যায়ে কৃষকদের বেশি দামে সার কিনতে হয়। বেশি দামে সার কিনে আবাদ করতে গিয়ে উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। আবার সেই ফসল যখন বাজারে বিক্রি করতে যায় কৃষক দাম পাইনা।
সরকারি হিমাগার না থাকা এবং সরকারি ভাবে ক্রয়ের ব্যবস্থা না থাকায় মধ্যস্বত্তভোগীরা কৃষকদের কাছ থেকে কম দামে কিনে পরবর্তীতে তারা বেশি দামে বিক্রি করে।
তিনি বলেন- সরকার ধানের চেয়ে চাল বেশি ক্রয় করে। গত মৌসুমে সরকার যেদামে ধান ক্রয় করেছে, খোলা বাজারে কৃষক অন্তত ৪০০ টাকা কম দামে বিক্রি করেছে। সরকার চাল বেশি কেনার কারণে কৃষকরা ব্যবসায়িদের কাছে কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হয়।
এখন আলুর মৌসুম চলছে। কৃষকদের উৎপাদন খরচই উঠছে না। কৃষকদের সংরক্ষণের ব্যবস্থা নাই এবং বাজারজাতও ঠিক না। এতে মাঝারি কৃষক প্রান্তিকে পরিণত হয়। আর প্রান্তিক পর্যায়ে বছরে প্রায় ১১ লাখ কৃষক ভূমিহীনে পরিনত হয়। ফলে সরকারের পলিসির কারণে মধ্যস্বত্তভোগীরা লাভবান হচ্ছে। এ থেকে উত্তোরণ পেতে হলে কৃষকদের ভর্তুকির মাধ্যমে সার, বীজ ও কীটনাশক সরবারহ করতে হবে। এছাড়াও পর্যাপ্ত পরিমানে হিমাগার স্থাপন করতে হবে, যেখানে কৃষকরা স্বল্প খরচে শস্য মজুত করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নওগাঁয় কৃষক রক্ষায় পর্যাপ্ত হিমাগার স্থাপন করা পরামর্শ বাসদের

আপডেট সময় :

নওগাঁয় সমাজতান্ত্রিক ক্ষেত মজুর ও কৃষক ফ্রন্টের প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার বিকেলে নওগাঁ শহরের চকদেব কলেজপাড়ায় বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) অফিসে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিনিধি সভায় মঙ্গল কিসকুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক ক্ষেত মজুর ও কৃষক ফ্রন্টের সহ সভাপতি কমরেড ওয়াজেদ পারভেজ, জয়নাল আবেদীন মুকুল, সাধারন সম্পাদক কমরেড আব্দুল কুদ্দুস।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, রবিউল টুডু, স্বপন মন্ডল, জোৎস্না পাহান, ফারুক হোসেন, নীলিমা কর্মকার, অমল মহন্ত, ভদলু লাকড়াসহ প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, সার, বীজ ও কীটনাশকসহ কৃষি উপকরণের দাম বেশী, বিক্রি করতে গেলে দাম কম। আলু চাষিরা আলুর দাম না পেয়ে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। অপর দিকে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে লুটপাট প্রক্রিয়া চালু রেখেছে। কৃষকদের ন্যায্য দাবী আদায়ে কমিটি করে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
সমাজতান্ত্রিক ক্ষেত মজুর ও কৃষক ফ্রন্টের সহ সভাপতি কমরেড ওয়াজেদ পারভেজ বলেন- কৃষি উপকরণের দাম বেশি হওয়ার কারণে শস্য উৎপাদন করতে গিয়ে কৃষকদের খরচ বেশি পড়ছে। বিশেষ করে যেকোন শস্য উৎপাদনের ভর মৌসুমে সারের প্রয়োজন হয়। এসময় চাহিদা থাকায় সংকট দেখা দেয়। ডিলার পর্যায়ে সার থাকে না। কিন্তু খুচরা পর্যায়ে কৃষকদের বেশি দামে সার কিনতে হয়। বেশি দামে সার কিনে আবাদ করতে গিয়ে উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। আবার সেই ফসল যখন বাজারে বিক্রি করতে যায় কৃষক দাম পাইনা।
সরকারি হিমাগার না থাকা এবং সরকারি ভাবে ক্রয়ের ব্যবস্থা না থাকায় মধ্যস্বত্তভোগীরা কৃষকদের কাছ থেকে কম দামে কিনে পরবর্তীতে তারা বেশি দামে বিক্রি করে।
তিনি বলেন- সরকার ধানের চেয়ে চাল বেশি ক্রয় করে। গত মৌসুমে সরকার যেদামে ধান ক্রয় করেছে, খোলা বাজারে কৃষক অন্তত ৪০০ টাকা কম দামে বিক্রি করেছে। সরকার চাল বেশি কেনার কারণে কৃষকরা ব্যবসায়িদের কাছে কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হয়।
এখন আলুর মৌসুম চলছে। কৃষকদের উৎপাদন খরচই উঠছে না। কৃষকদের সংরক্ষণের ব্যবস্থা নাই এবং বাজারজাতও ঠিক না। এতে মাঝারি কৃষক প্রান্তিকে পরিণত হয়। আর প্রান্তিক পর্যায়ে বছরে প্রায় ১১ লাখ কৃষক ভূমিহীনে পরিনত হয়। ফলে সরকারের পলিসির কারণে মধ্যস্বত্তভোগীরা লাভবান হচ্ছে। এ থেকে উত্তোরণ পেতে হলে কৃষকদের ভর্তুকির মাধ্যমে সার, বীজ ও কীটনাশক সরবারহ করতে হবে। এছাড়াও পর্যাপ্ত পরিমানে হিমাগার স্থাপন করতে হবে, যেখানে কৃষকরা স্বল্প খরচে শস্য মজুত করতে পারে।