নালিতাবাড়ী ভোগাই নদীর তীর ধ্বসে পড়ায় আমন ফসল হুমকির মুখে
- আপডেট সময় : ১৬৩ বার পড়া হয়েছে
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের ঘাকপাড়া ফুলপুর এলাকায় ভোগাই নদীর দুই তীর ঘেষে বালু খেকোরা বালু উত্তোলনের ফলে নদীর তীর ভেঙ্গে নদী গর্ভে বিলিন হওয়ায় হুমকির মূখে পড়েছে আমন ফসল উৎপাদনকারী দিশেহারা কৃষকেরা।
বৃষ্টিপাতে ধ্বসে যাচ্ছে নদীর তীরের মাটি আতংকে দিন কাটাচ্ছে নদীর তীরবর্তী বসবাস কারীরা।
ঘাকপাড়া,ফুলপুর,এলাকায় ভোগাই নদীর তীরে বসতবাড়ি গুলোতে পায়ে হেঁটে যাওয়ার মত রাস্তা টুকুও ধ্বসে বিলীন হয়ে যাচ্ছে নদী গর্ভে।
এছাড়াও কালাকুমা হাতিপাগাড় ডাক্তার গোপ ও কেরেঙ্গাপাড়া সহ ভোগাই নদীর দুই তীর ঘেষে ২৪ ও ২৫ সালে বেপরোয়া বালু খেকোদের বালু উত্তোলনের ফলে নদীর দুই তীর ধ্বসে যেতে পারে। উপজেলা প্রশাসন একাধিকবার অভযান চালালেও থামাতে পারেনি বালু খেকোদের বালু উত্তোলনে।
ভারী বৃষ্টিপাত হলে পাহাড়ি ঢল নেমে আসলে যে কোন সময় নদীর তীর ভেঙ্গে ঘটতে পারে বন্যা আমন আবাদি ফসলি মাঠ হুমকির মূখে।
পাহাড়ী ঢলে বন্যা হওয়ার শন্কায় নদীর তীরের বসবাসকারীরা ঘরের আসবাপত্র সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে অন্যত্র।
ঘাকপাড়া গ্রামের এলাকার ভোক্তভোগী মতিন মিয়া জানান তার রোজগারের একমাত্র সম্বল হলো অটোরিকশা। নদীর তীর ভাঙ্গনের ফলে আজ থেকে প্রায় ৬ দিন যাবত তার অটো বেড় করে রোজগার করতে পারছেনা নদীর তীরের রাস্তা ধ্বসে যাওয়ার ফলে।
আরেক ভুক্তভোগি মিয়া হোসেন জানান তার সহায় সম্বলহীন বৃদ্ধা এক মাত্র মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল নদীর তীরবর্তী ছোট্ট দুটি ঘর। সেই ঘর দুটি বিলীন হতে যাচ্ছে যে কোন সময় ঘর দুটি বিলীন হয়ে যাবে নদী গর্বে। অসহায় মানুষ গুলোর পাশে দাঁড়ানোর মত কেউ নেই।
নাম প্রকাশ নাকরার শর্তে এক ভোক্তভোগী জানান বালু খেকোরা নদী থেকে বালু উত্তোলন করে রাতারাতি হয়ে গেছে কোটি কোটি টাকার মালিক। বালু খেকোদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলার সাহস পায়না।
নদীর তীর ধ্বসের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন কৃষক শ্রমিক সহ এলাকার সচেতন মহল।

















