ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

কেশবপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদ্বোধন

পুষ্টি বৈষম্য দূর করে স্বনির্ভর বাংলাদেশের অঙ্গীকার

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২৪ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পুষ্টি বৈষম্যের দিন শেষ, গড়বো স্বনির্ভর বাংলাদেশ,এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যশোরের কেশবপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২৬ এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ উপলক্ষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কেশবপুর, যশোরের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়, যা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ রেহনেওয়াজ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রেসিডেন্ট মেডিকেল অফিসার (RMO) ডা. সমরেশ কুমার দত্ত, চিকিৎসকবৃন্দ, সিনিয়র স্টাফ নার্স এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন বলেন, একটি দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য পুষ্টির কোনো বিকল্প নেই। অপুষ্টি শুধু ব্যক্তির স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায় না, এটি জাতীয় উন্নয়নকেও ব্যাহত করে। তাই পুষ্টি বৈষম্য দূর করে একটি সুস্থ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।তিনি আরও বলেন, গ্রাম পর্যায়ে পুষ্টি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এবং স্থানীয়ভাবে পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি সকল পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডা. মোঃ রেহনেওয়াজ বলেন, মা ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করা আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিরাপদ খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন নিশ্চিত করতে পারলেই আমরা অপুষ্টিজনিত নানা রোগ প্রতিরোধ করতে পারবো। তিনি সকলকে পুষ্টি বিষয়ক সঠিক তথ্য জানার এবং তা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পুষ্টি বৈষম্য দূর করতে হলে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং স্থানীয়ভাবে পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
সপ্তাহব্যাপী এ কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম, পুষ্টি বিষয়ক পরামর্শ প্রদান, মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা জোরদার এবং গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কেশবপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদ্বোধন

পুষ্টি বৈষম্য দূর করে স্বনির্ভর বাংলাদেশের অঙ্গীকার

আপডেট সময় :

পুষ্টি বৈষম্যের দিন শেষ, গড়বো স্বনির্ভর বাংলাদেশ,এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যশোরের কেশবপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২৬ এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ উপলক্ষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কেশবপুর, যশোরের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়, যা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ রেহনেওয়াজ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রেসিডেন্ট মেডিকেল অফিসার (RMO) ডা. সমরেশ কুমার দত্ত, চিকিৎসকবৃন্দ, সিনিয়র স্টাফ নার্স এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন বলেন, একটি দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য পুষ্টির কোনো বিকল্প নেই। অপুষ্টি শুধু ব্যক্তির স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায় না, এটি জাতীয় উন্নয়নকেও ব্যাহত করে। তাই পুষ্টি বৈষম্য দূর করে একটি সুস্থ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।তিনি আরও বলেন, গ্রাম পর্যায়ে পুষ্টি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এবং স্থানীয়ভাবে পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি সকল পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডা. মোঃ রেহনেওয়াজ বলেন, মা ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করা আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিরাপদ খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন নিশ্চিত করতে পারলেই আমরা অপুষ্টিজনিত নানা রোগ প্রতিরোধ করতে পারবো। তিনি সকলকে পুষ্টি বিষয়ক সঠিক তথ্য জানার এবং তা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পুষ্টি বৈষম্য দূর করতে হলে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং স্থানীয়ভাবে পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
সপ্তাহব্যাপী এ কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম, পুষ্টি বিষয়ক পরামর্শ প্রদান, মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা জোরদার এবং গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।