ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চাঁদপুরে ৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড Logo বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে আউটসোর্সিং নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ Logo ১৪০ বছরের সোনাহাট সেতুর পাটাতন ভেঙে ভারী যান চলাচল বন্ধ Logo ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ হেক্টর ফসল, ৩৫ পয়েন্টে নদীভাঙন Logo সবুজ ক্যাম্পাস গড়তে প্লাস্টিক বর্জন ও বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে Logo নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মসজিদের খতিবের মৃত্যু Logo নোয়াখালীতে শিশু আসমা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় তৃতীয় দফায় পেছালো Logo নোয়াখালীতে সড়কে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং Logo নেত্রকোনায় পৌরশহরের রাস্তায় যানজট, সীমাহীন দুর্ভোগ Logo আদমদীঘিতে কীটনাশক ঔষধের দোকানে দু:সাহসিক চুরি

নেত্রকোনায় পৌরশহরের রাস্তায় যানজট, সীমাহীন দুর্ভোগ

নেত্রকোনা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২৫ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নেত্রকোনা পৌরসহরের একটি মাত্র রাস্তা যেখানে অপরিকল্পিতভাবে চলাচল করছে ব্যাটরী চালিত রিকশা, ইজিবাইক ও মিশুকের মতো ব্যাটারিচালিত যানবাহন। এতে করে স্কুল কলেজের শিক্ষক- শিক্ষার্থী পথচারীদের প্রতিনিয়ত চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়।
নেত্রকোনা পৌর শহরের মোক্তারপাড়া এলাকায় রয়েছে দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়, নেত্রকোনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, আঞ্জুমান আদর্শ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, নেত্রকোনা সরকারি মহিলা কলেজ। ওই সমস্ত স্কুল- কলেজ ছুটি হলে যানজটের কারণে ছাত্র ছাত্রীরা স্কুল থেকে বাহির হতে পারে না। ফুটপাত দিয়েও চলাচল করা যায় না। ফুটপাতে রয়েছে অবৈধ দোকানপাট। এ ব্যাপারে প্রশাসন তেমন কোনো দায়িত্ব গ্রহণ করছে না। স্কুলের ছেলে মেয়েরা প্রায় প্রতিদিন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। গতবছর এক্সিডেন্ট করে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার স্কুল ছুটি হলে প্রায় ৩০ মিনিট যানজট লেগে ছিল। এইভাবে প্রতিদিনই চলছে এ অবস্থা। এরপরও প্রশাসনের টনক নড়েনা।
পৌর শহরের মূল রাস্তার দুই পাশের ফুটপাত দখল করে বসেছে দোকানপাট। কোথাও কোথাও ফুটপাত ছাড়িয়ে মূল সড়কের ওপর বসে গেছে পণ্যের পসরা।
অপরদিকে রাস্তার দখল নিয়েছে ইজিবাইক। চালকদের কোনও সিগন্যাল জ্ঞান না থাকায় যেভাবে খুশি সেভাবে ইজিবাইক চলাচল, যত্রতত্র পার্কিং ও যাত্রী উঠানামা এবং ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় অতিমাত্রায় বেড়েছে যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনা। কিন্তু বছরের পর বছর এ রকম চললেও সমস্যা সমাধানে তেমন কোনও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। কোনও কোনও সময় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে প্রশাসনিকভাবে অভিযান পরিচালনা করলেও তা আবার অভিযান শেষ করে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আগের অবস্থায় ফেরত যাচ্ছে। যার দরুন সমস্যা থেকেই যাচ্ছে যেমন তেমনই। তাই এলাকাবাসী চায় স্থায়ী সমাধান।
নেত্রকোনা পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভা থেকে ২৪০০ শত ব্যাটারিচালিত ইজি বাইক ও ১৩০০ মিশুক ও ১১০০ রিকশার লাইসেন্স দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ ২০২৪ সালের হিসাব অনুযায়ী। যেগুলো পৌরশহরে চলাচল করবে এবং দুই শিফটে ভাগ করা হয়েছে একদিন হলুদ রংয়ের অন্যদিন লাল রংয়ের। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে পৌর শহরের আশপাশ এলাকার অটোরিকশা, মিশুক ও রিকশা পৌরশহরে প্রবেশ করে চলাচল করছে। যার কোন নিয়ন্ত্রন নেই পৌরকর্তৃপক্ষের। এর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে যানযট বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে নেত্রকোনা পৌরশহরে। এছাড়াও লাইসেন্সবিহীন যানবাহনের সংখ্যাও কম নয়।
দিনের বেলায় পৌরশহরের ভেতর দিয়ে চলাচল করছে লড়ি, ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরণের বড় বড় যানবাহন। যার দরুণ বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই পৌরশহরের সংকুচিত একমাত্র রাস্তাটি ব্যস্ত থেকে মহাব্যস্ততায় রুপ নেয় অল্পেতেই। সৃষ্টি হয় কঠিন যানজটের। কিন্তু এসব সমস্যা সমাধানে ট্রাফিক পুলিশের তেমন কোনও তৎপরতা চোখে পরে না। শহরের কয়েকটা পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন থাকলেও তারা যানজট নিরসনে কার্যকর তেমন কোনও ভূমিকা রাখতে পারছেন না।
নেত্রকোনা পৌরবাসী তীব্র যানজটে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। যানজটের কারণে অনেকেই সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছতে পারছেন না। অনেকেই মাঝ পথে দীর্ঘ সময় ধরে জ্যামে আটকে থাকেন। তাতে অসুস্থ রোগী, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবীদের পড়তে হয় বিপাকে। ফলে ভোগান্তি পৌঁছেছে চরম পর্যায়ে। শহরের রাজুর বাজার, আখড়ার মোড়, তেরী বাজার, থানার মোড়, ছোটবাজার, মেছুয়া বাজার, বড় বাজার, চক মসজিদ মোড়, মালনী রোড, মোক্তারপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় জ্যাম একটি নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সব পয়েন্টগুলোতে ছোট জানের মাঝারি দীর্ঘ লাইন চোখে পড়ার মত।
এলাকাগুলোর মধ্যে বেশ কিছু পয়েন্টে ব্যস্ত রাস্তার ফুটপাত দখল করে নিয়েছে ব্যবসায়ীরা। যার ফলে কোটি কোটি টাকা খরচ করে পথচারীদের জন্যে ফুটপাত নির্মাণ করা হলেও তার সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ, আর অবৈধভাবে সুবিধা লুটছেন ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ। ফুটপাত দখল করে ফল, কাপড়, জুতা, কাঁচামালসহ বিভিন্ন পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন তারা। এতে করে একদিকে যেমন সংকুচিত হয়েছে রাস্তা অপরদিকে পথচারীদের হাঁটতে হচ্ছে মুল রাস্তা ধরে। ফলে দিনদিন বাড়ছে দুর্ঘটনা। প্রায় প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথাচারীরা। সচেতন সমাজ ও সাধারণ পথচারীরা এসব সমস্যা নিরসনে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
নেত্রকোনা পৌরশহরকে যানজটমুক্ত রাখতে সীমিত সংখ্যক ইজিবাইক চলাচল ও ফুটপাতগুলোকে দখল মুক্ত রাখার দাবি পৌরবাসীর। এছাড়া জেলা শহরের বড় বাজার, চক মসজিদ মালনী রোড, তেরি বাজার মোড় থেকে ওয়ান-ওয়ে রিকশা চলাচল করলে যানজট কমে আসবে বলে সচেতন মহলের ধারণা। এ ব্যাপারে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।
নেত্রকোনা পৌরসভার প্রশাসক ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক আরিফুল ইসলাম সরদার বলেন, পৌরশহরের যানজট নিরসনে কাজ করা হচ্ছে। অতিরিক্ত যানজটের বিষয়টি সামনের জুলাই মাসে অটো মিশুকের লাইসেন্স নবায়ন হলে কমিয়ে আনা হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নেত্রকোনায় পৌরশহরের রাস্তায় যানজট, সীমাহীন দুর্ভোগ

আপডেট সময় :

নেত্রকোনা পৌরসহরের একটি মাত্র রাস্তা যেখানে অপরিকল্পিতভাবে চলাচল করছে ব্যাটরী চালিত রিকশা, ইজিবাইক ও মিশুকের মতো ব্যাটারিচালিত যানবাহন। এতে করে স্কুল কলেজের শিক্ষক- শিক্ষার্থী পথচারীদের প্রতিনিয়ত চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়।
নেত্রকোনা পৌর শহরের মোক্তারপাড়া এলাকায় রয়েছে দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়, নেত্রকোনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, আঞ্জুমান আদর্শ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, নেত্রকোনা সরকারি মহিলা কলেজ। ওই সমস্ত স্কুল- কলেজ ছুটি হলে যানজটের কারণে ছাত্র ছাত্রীরা স্কুল থেকে বাহির হতে পারে না। ফুটপাত দিয়েও চলাচল করা যায় না। ফুটপাতে রয়েছে অবৈধ দোকানপাট। এ ব্যাপারে প্রশাসন তেমন কোনো দায়িত্ব গ্রহণ করছে না। স্কুলের ছেলে মেয়েরা প্রায় প্রতিদিন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। গতবছর এক্সিডেন্ট করে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার স্কুল ছুটি হলে প্রায় ৩০ মিনিট যানজট লেগে ছিল। এইভাবে প্রতিদিনই চলছে এ অবস্থা। এরপরও প্রশাসনের টনক নড়েনা।
পৌর শহরের মূল রাস্তার দুই পাশের ফুটপাত দখল করে বসেছে দোকানপাট। কোথাও কোথাও ফুটপাত ছাড়িয়ে মূল সড়কের ওপর বসে গেছে পণ্যের পসরা।
অপরদিকে রাস্তার দখল নিয়েছে ইজিবাইক। চালকদের কোনও সিগন্যাল জ্ঞান না থাকায় যেভাবে খুশি সেভাবে ইজিবাইক চলাচল, যত্রতত্র পার্কিং ও যাত্রী উঠানামা এবং ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় অতিমাত্রায় বেড়েছে যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনা। কিন্তু বছরের পর বছর এ রকম চললেও সমস্যা সমাধানে তেমন কোনও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। কোনও কোনও সময় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে প্রশাসনিকভাবে অভিযান পরিচালনা করলেও তা আবার অভিযান শেষ করে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আগের অবস্থায় ফেরত যাচ্ছে। যার দরুন সমস্যা থেকেই যাচ্ছে যেমন তেমনই। তাই এলাকাবাসী চায় স্থায়ী সমাধান।
নেত্রকোনা পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভা থেকে ২৪০০ শত ব্যাটারিচালিত ইজি বাইক ও ১৩০০ মিশুক ও ১১০০ রিকশার লাইসেন্স দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ ২০২৪ সালের হিসাব অনুযায়ী। যেগুলো পৌরশহরে চলাচল করবে এবং দুই শিফটে ভাগ করা হয়েছে একদিন হলুদ রংয়ের অন্যদিন লাল রংয়ের। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে পৌর শহরের আশপাশ এলাকার অটোরিকশা, মিশুক ও রিকশা পৌরশহরে প্রবেশ করে চলাচল করছে। যার কোন নিয়ন্ত্রন নেই পৌরকর্তৃপক্ষের। এর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে যানযট বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে নেত্রকোনা পৌরশহরে। এছাড়াও লাইসেন্সবিহীন যানবাহনের সংখ্যাও কম নয়।
দিনের বেলায় পৌরশহরের ভেতর দিয়ে চলাচল করছে লড়ি, ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরণের বড় বড় যানবাহন। যার দরুণ বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই পৌরশহরের সংকুচিত একমাত্র রাস্তাটি ব্যস্ত থেকে মহাব্যস্ততায় রুপ নেয় অল্পেতেই। সৃষ্টি হয় কঠিন যানজটের। কিন্তু এসব সমস্যা সমাধানে ট্রাফিক পুলিশের তেমন কোনও তৎপরতা চোখে পরে না। শহরের কয়েকটা পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন থাকলেও তারা যানজট নিরসনে কার্যকর তেমন কোনও ভূমিকা রাখতে পারছেন না।
নেত্রকোনা পৌরবাসী তীব্র যানজটে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। যানজটের কারণে অনেকেই সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছতে পারছেন না। অনেকেই মাঝ পথে দীর্ঘ সময় ধরে জ্যামে আটকে থাকেন। তাতে অসুস্থ রোগী, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবীদের পড়তে হয় বিপাকে। ফলে ভোগান্তি পৌঁছেছে চরম পর্যায়ে। শহরের রাজুর বাজার, আখড়ার মোড়, তেরী বাজার, থানার মোড়, ছোটবাজার, মেছুয়া বাজার, বড় বাজার, চক মসজিদ মোড়, মালনী রোড, মোক্তারপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় জ্যাম একটি নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সব পয়েন্টগুলোতে ছোট জানের মাঝারি দীর্ঘ লাইন চোখে পড়ার মত।
এলাকাগুলোর মধ্যে বেশ কিছু পয়েন্টে ব্যস্ত রাস্তার ফুটপাত দখল করে নিয়েছে ব্যবসায়ীরা। যার ফলে কোটি কোটি টাকা খরচ করে পথচারীদের জন্যে ফুটপাত নির্মাণ করা হলেও তার সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ, আর অবৈধভাবে সুবিধা লুটছেন ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ। ফুটপাত দখল করে ফল, কাপড়, জুতা, কাঁচামালসহ বিভিন্ন পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন তারা। এতে করে একদিকে যেমন সংকুচিত হয়েছে রাস্তা অপরদিকে পথচারীদের হাঁটতে হচ্ছে মুল রাস্তা ধরে। ফলে দিনদিন বাড়ছে দুর্ঘটনা। প্রায় প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথাচারীরা। সচেতন সমাজ ও সাধারণ পথচারীরা এসব সমস্যা নিরসনে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
নেত্রকোনা পৌরশহরকে যানজটমুক্ত রাখতে সীমিত সংখ্যক ইজিবাইক চলাচল ও ফুটপাতগুলোকে দখল মুক্ত রাখার দাবি পৌরবাসীর। এছাড়া জেলা শহরের বড় বাজার, চক মসজিদ মালনী রোড, তেরি বাজার মোড় থেকে ওয়ান-ওয়ে রিকশা চলাচল করলে যানজট কমে আসবে বলে সচেতন মহলের ধারণা। এ ব্যাপারে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।
নেত্রকোনা পৌরসভার প্রশাসক ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক আরিফুল ইসলাম সরদার বলেন, পৌরশহরের যানজট নিরসনে কাজ করা হচ্ছে। অতিরিক্ত যানজটের বিষয়টি সামনের জুলাই মাসে অটো মিশুকের লাইসেন্স নবায়ন হলে কমিয়ে আনা হবে।