ঢাকা ০২:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কোনোভাবেই উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo পঞ্চগড়ে দিঘি থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার, হাতে মিলল চিরকুট Logo কাঁঠালিয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন Logo বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করে যাবে: ত্রাণমন্ত্রী Logo শ্রীপুরে জমি দখল ও হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন Logo আগামীকাল কুড়িগ্রামে এনসিপির কৃষক সমাবেশে যোগ দেবেন নাহিদ ইসলাম Logo ৭৩ বছর পর ছোনকা বিদ্যালয়ে বাণিজ্য বিভাগের অনুমোদন Logo নগরকান্দায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে সড়ক সংস্কার, স্বস্তি এলাকাবাসীর Logo দলিল লেখক মিন্টু হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনের যাবজ্জীবন Logo ঈশ্বরদীতে বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্পে ৮০ জনের ছানি অপারেশন

পারিবারিক আয় বৃদ্ধিতে শর্তসাপেক্ষ অর্থ সহায়তা কর্মসূচি

ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১৪৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পারিবারিক আয় বৃদ্ধি ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে পারিবারিক আয় বৃদ্ধিতে শর্তসাপেক্ষ অর্থ সহায়তা কর্মসূচি-২০২৬ সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) দুপুরে পারি অফিসে এ কর্মসূচির কার্যক্রম পরিচালিত হয় ২৫ ও ২৯ মার্চ পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। অংশগ্রহণ করেন ইউপিজি উপকারভোগীরা।
এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে পারি ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্ট এবং অর্থায়ন প্রদান করে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ। কর্মসূচির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি তাদের আয়বর্ধক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
বিকাশ ওয়ালেট এর মাধ্যমে মোট ১৬০ জন উপকারভোগীকে ৮ হাজার ১৬০ টাকা করে প্রদান করা হবে। এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে প্রাথমিকভাবে ৪০ জন উপকারভোগীর মধ্যে অর্থ বিতরণ করা হয়।
এ সময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল আলিম, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এপি ম্যানেজার সেবাষ্টিন সাগর আরেং, পারি ইসলামপুর এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার অঞ্জন কুমার রুরাম, ইসলামপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ লিটনসহ আরো অনেকে।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন যে, এই ধরনের উদ্যোগ উপকারভোগীদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলবে এবং তাদের পরিবারের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। পারিবারিক আয়ের বৃদ্ধির জন্য প্রাপ্ত অর্থ নিম্নলিখিত শর্তে ব্যবহার করতে হবে:
অর্থটি পরিকল্পনা অনুযায়ী গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি বা ক্ষুদ্র ব্যবসায় বিনিয়োগ করতে হবে। প্রাপ্ত অর্থ ৫–১০ দিনের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে। উপার্জিত অর্থ শিশুদের কল্যাণে ব্যয় করতে হবে। কোন অবস্থাতেই বাল্যবিবাহ বা শিশু শ্রম গ্রহণযোগ্য নয়।
প্রকল্পের সকল নিয়ম ও শর্ত মেনে চলা বাধ্যতামূলক।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই নীতি অনুসরণ করলে পরিবারগুলো কেবল আর্থিকভাবে শক্তিশালী হবে না, বরং শিশুদের নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পারিবারিক আয় বৃদ্ধিতে শর্তসাপেক্ষ অর্থ সহায়তা কর্মসূচি

আপডেট সময় :

পারিবারিক আয় বৃদ্ধি ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে পারিবারিক আয় বৃদ্ধিতে শর্তসাপেক্ষ অর্থ সহায়তা কর্মসূচি-২০২৬ সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) দুপুরে পারি অফিসে এ কর্মসূচির কার্যক্রম পরিচালিত হয় ২৫ ও ২৯ মার্চ পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। অংশগ্রহণ করেন ইউপিজি উপকারভোগীরা।
এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে পারি ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্ট এবং অর্থায়ন প্রদান করে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ। কর্মসূচির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি তাদের আয়বর্ধক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
বিকাশ ওয়ালেট এর মাধ্যমে মোট ১৬০ জন উপকারভোগীকে ৮ হাজার ১৬০ টাকা করে প্রদান করা হবে। এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে প্রাথমিকভাবে ৪০ জন উপকারভোগীর মধ্যে অর্থ বিতরণ করা হয়।
এ সময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল আলিম, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এপি ম্যানেজার সেবাষ্টিন সাগর আরেং, পারি ইসলামপুর এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার অঞ্জন কুমার রুরাম, ইসলামপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ লিটনসহ আরো অনেকে।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন যে, এই ধরনের উদ্যোগ উপকারভোগীদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলবে এবং তাদের পরিবারের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। পারিবারিক আয়ের বৃদ্ধির জন্য প্রাপ্ত অর্থ নিম্নলিখিত শর্তে ব্যবহার করতে হবে:
অর্থটি পরিকল্পনা অনুযায়ী গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি বা ক্ষুদ্র ব্যবসায় বিনিয়োগ করতে হবে। প্রাপ্ত অর্থ ৫–১০ দিনের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে। উপার্জিত অর্থ শিশুদের কল্যাণে ব্যয় করতে হবে। কোন অবস্থাতেই বাল্যবিবাহ বা শিশু শ্রম গ্রহণযোগ্য নয়।
প্রকল্পের সকল নিয়ম ও শর্ত মেনে চলা বাধ্যতামূলক।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই নীতি অনুসরণ করলে পরিবারগুলো কেবল আর্থিকভাবে শক্তিশালী হবে না, বরং শিশুদের নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত হবে।