পূর্বশত্রুতার জেরে কাউন্সিলর ও তার ছেলেকে কুপিয়ে জখম
- আপডেট সময় : ২০ বার পড়া হয়েছে
পাবনার ঈশ্বরদীতে সাবেক সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর ফরিদা ইয়াসমিন ও তার ছেলে ফিরোজ মাহমুদকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। পূর্বশত্রুতার জেরে হামলাটি হয়েছে বলে অভিযোগ এ ঘটনায় মো. বকুল সরদারের বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী থানায় মামলা করেছেন ফরিদা ইয়াসমিনের স্বামী মো. আব্দুস সামাদ। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে হামলায় ফিরোজ মাহমুদের মাথা বাম হাত এবং ফরিদা ইয়াসমিনের বাম হাতের কনুই ও কব্জিতে জখম হয়। হামলার সময় ফরিদা ইয়াসমিনের গলায় থাকা প্রায় ১০ আনা ওজনের একটি সোনার চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। তাঁদের চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এলে হামলাকারী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। আহত ফিরোজ মাহমুদ বলেন, আমরা হামলাকারীকে চিনতাম, তবে তাঁর সঙ্গে আগে কোনো শত্রুতা ছিল বলে আমার জানা নেই। আমরা মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ তিনি অটোরিকশা থামিয়ে ধারালো হাসুয়া দিয়ে আমাদের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা করেন। আমি প্রতিরোধের চেষ্টা করলে আমার হাতে ও মাথায় কোপ লাগে। মাথায় ছয় থেকে আটটি সেলাই দিতে হয়েছে। চিকিৎসার বিষয়ে ফিরোজ মাহমুদ বলেন, হামলার পর স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর মায়ের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাবনার শিমলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করা হলেও এখনো ফরিদা ইয়াসমিনের জ্ঞান ফেরেনি। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঈশ্বরদী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জামাল উদ্দিন বলেন, এঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামি পলাতক তবে তাঁর ব্যবহৃত অটোরিকশাটি জব্দ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে তিনি জানান।













