ঢাকা ১১:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

বাবা-মায়ের একমাত্র অবলম্বন ছিলেন অগ্নিসেনা নয়ন

গণমুক্তি ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ২১৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

সচিবালয়ে আগুন নেভানোর কাজে গিয়ে ট্রাকচাপায় মৃত্যু ফায়ার ফাইটার সোহানুর জাহান নয়ন ছিলেন পরিবারের একমাত্র অবলম্বন। তার মৃত্যু কেড়ে নিয়েছে, কৃষক বাবা আক্তারুজ্জামানের সব স্বপ্ন। অনেক স্বপ্ন ছিল ছেলের চাকরি দিয়ে অনাগত দিনগুলো সুখে শান্তিতে কাটাবেন। কিন্তু সেই আশা পূরণ হওয়ার আগেই ঘাতক ট্রাক কেড়ে নিলো সব।

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বড়বালা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ছড়ান আটকুনিয়া গ্রামের আক্তারুজ্জামান ও নার্গিস দম্পতির একমাত্র ছেলে সোহানুর জাহান নয়ন। এক বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে ছোট নয়ন। বড় বোনের বিয়ে হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য জিয়াউল হক জুয়েল সাংবাদিকদের জানান, নয়নের পরিবার নদীভাঙনের শিকার। নিজস্ব জমিজমা বলতে তেমন কিছু নেই। অনেক কষ্টে একমাত্র ছেলেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত লেখাপড়া করিয়েছেন। ২০২২ সালে তার চাকরি হয়। ছেলের চাকরিতে পরিবারে একটু সচ্ছলতা ফিরতে শুরু করেছিল। কিন্তু সেই সুখ বেশিদিন টিকলো না। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে এখন পরিবারটি দিশাহারা।

ইউপি চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম সরকার বলেন, নয়নের পরিবার অনেক গরিব। এভাবে অকালে তার চলে যাওয়াটা কষ্টের। সরকারিভাবে পরিবারের জন্য কিছু একটা করার জন্য জোর দাবি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বাবা-মায়ের একমাত্র অবলম্বন ছিলেন অগ্নিসেনা নয়ন

আপডেট সময় :

 

সচিবালয়ে আগুন নেভানোর কাজে গিয়ে ট্রাকচাপায় মৃত্যু ফায়ার ফাইটার সোহানুর জাহান নয়ন ছিলেন পরিবারের একমাত্র অবলম্বন। তার মৃত্যু কেড়ে নিয়েছে, কৃষক বাবা আক্তারুজ্জামানের সব স্বপ্ন। অনেক স্বপ্ন ছিল ছেলের চাকরি দিয়ে অনাগত দিনগুলো সুখে শান্তিতে কাটাবেন। কিন্তু সেই আশা পূরণ হওয়ার আগেই ঘাতক ট্রাক কেড়ে নিলো সব।

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বড়বালা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ছড়ান আটকুনিয়া গ্রামের আক্তারুজ্জামান ও নার্গিস দম্পতির একমাত্র ছেলে সোহানুর জাহান নয়ন। এক বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে ছোট নয়ন। বড় বোনের বিয়ে হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য জিয়াউল হক জুয়েল সাংবাদিকদের জানান, নয়নের পরিবার নদীভাঙনের শিকার। নিজস্ব জমিজমা বলতে তেমন কিছু নেই। অনেক কষ্টে একমাত্র ছেলেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত লেখাপড়া করিয়েছেন। ২০২২ সালে তার চাকরি হয়। ছেলের চাকরিতে পরিবারে একটু সচ্ছলতা ফিরতে শুরু করেছিল। কিন্তু সেই সুখ বেশিদিন টিকলো না। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে এখন পরিবারটি দিশাহারা।

ইউপি চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম সরকার বলেন, নয়নের পরিবার অনেক গরিব। এভাবে অকালে তার চলে যাওয়াটা কষ্টের। সরকারিভাবে পরিবারের জন্য কিছু একটা করার জন্য জোর দাবি জানান।