ঢাকা ০১:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কোনোভাবেই উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo পঞ্চগড়ে দিঘি থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার, হাতে মিলল চিরকুট Logo কাঁঠালিয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন Logo বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করে যাবে: ত্রাণমন্ত্রী Logo শ্রীপুরে জমি দখল ও হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন Logo আগামীকাল কুড়িগ্রামে এনসিপির কৃষক সমাবেশে যোগ দেবেন নাহিদ ইসলাম Logo ৭৩ বছর পর ছোনকা বিদ্যালয়ে বাণিজ্য বিভাগের অনুমোদন Logo নগরকান্দায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে সড়ক সংস্কার, স্বস্তি এলাকাবাসীর Logo দলিল লেখক মিন্টু হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনের যাবজ্জীবন Logo ঈশ্বরদীতে বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্পে ৮০ জনের ছানি অপারেশন

বালিয়াকান্দিতে গোলাম শওকত সিরাজকে ঘিরে নতুন স্বপ্ন

শাহাবুল আলম, ফরিদপুর
  • আপডেট সময় : ১২৫ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার রাজনীতিতে এখন বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। যদিও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়নি তবুও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ফিরছে একটিই নাম— গোলাম শওকত সিরাজ। তিনি কেবল একজন দক্ষ সংগঠকই নন, বরং বালিয়াকান্দির কিংবদন্তিতুল্য রাজনৈতিক পরিবারের এক আদর্শিক উত্তরাধিকার।
রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ও ঐতিহ্যের ধারক
গোলাম শওকত সিরাজের রক্তে মিশে আছে জনসেবার ইতিহাস। তাঁর পিতা প্রয়াত মোঃ সিরাজুল ইসলাম মৃধা ছিলেন গণমানুষের নেতা, সাবেক সংসদ সদস্য এবং বালিয়াকান্দি উপজেলার প্রথম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান। যাকে এলাকাবাসী আজও ‘রাজনৈতিক চারণ কবি’ হিসেবে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
শুধু তাই নয়, গোলাম শওকত সিরাজের মাতা শ্রদ্ধেয়া মাকসুদা সিরাজ স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী হিসেবে নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন। এই দম্পতির জ্যেষ্ঠ পুত্র হিসেবে গোলাম শওকত সিরাজ নিজেও ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলেন এবং সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এছাড়াও তিনি সফলভাবে উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন।
তারুণ্য ও উন্নয়নের কাণ্ডারিএলাকাবাসীর মতে, বালিয়াকান্দির সার্বিক স্থবিরতা কাটাতে গোলাম শওকত সিরাজের কোনো বিকল্প নেই। এবারের নির্বাচনে তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাওয়ার পেছনে জনতা বেশ কিছু যৌক্তিক প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন:
শিক্ষার মানোন্নয়ন: উপজেলার জরাজীর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর আধুনিকায়ন এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা।
স্বাস্থ্যসেবার আধুনিকায়ন: প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা পৌঁছে দেওয়া।
যুবসমাজের কর্মসংস্থান: বেকারত্ব দূরীকরণে স্থানীয় পর্যায়ে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি।
তথ্য-প্রযুক্তি (IT): ডিজিটাল বাংলাদেশ ও স্মার্ট আগামীর পথে হাঁটতে যুবকদের জন্য বিশেষ ‘তথ্য প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ কর্মশালা’ চালু করা।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা বালিয়াকান্দির সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা একজন অভিজ্ঞ ও সজ্জন ব্যক্তিত্বকে নেতৃত্বে দেখতে চান। তাদের দাবি, গোলাম শওকত সিরাজের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং তাঁর পরিবারের দীর্ঘদিনের সেবামূলক ঐতিহ্য বালিয়াকান্দিতে এক নতুন যুগের সূচনা করবে।
মোঃ আব্দুল জব্বার শেখ একজন স্থানীয় প্রবীণ নাগরিক বলেন, “মৃধা সাহেবের পরিবারের সাথে এ অঞ্চলের মানুষের নাড়ির টান। গোলাম শওকত সিরাজ যোগ্য বাবার যোগ্য সন্তান হিসেবে বালিয়াকান্দির শিক্ষা ও প্রযুক্তির উন্নয়নে বিপ্লব ঘটাতে পারবেন বলেই আমরা বিশ্বাস করি।”
আসন্ন নির্বাচনে এই জননন্দিত নেতাকে ঘিরেই এখন স্বপ্ন বুনছে বালিয়াকান্দির সর্বস্তরের মানুষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বালিয়াকান্দিতে গোলাম শওকত সিরাজকে ঘিরে নতুন স্বপ্ন

আপডেট সময় :

রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার রাজনীতিতে এখন বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। যদিও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়নি তবুও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ফিরছে একটিই নাম— গোলাম শওকত সিরাজ। তিনি কেবল একজন দক্ষ সংগঠকই নন, বরং বালিয়াকান্দির কিংবদন্তিতুল্য রাজনৈতিক পরিবারের এক আদর্শিক উত্তরাধিকার।
রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ও ঐতিহ্যের ধারক
গোলাম শওকত সিরাজের রক্তে মিশে আছে জনসেবার ইতিহাস। তাঁর পিতা প্রয়াত মোঃ সিরাজুল ইসলাম মৃধা ছিলেন গণমানুষের নেতা, সাবেক সংসদ সদস্য এবং বালিয়াকান্দি উপজেলার প্রথম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান। যাকে এলাকাবাসী আজও ‘রাজনৈতিক চারণ কবি’ হিসেবে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
শুধু তাই নয়, গোলাম শওকত সিরাজের মাতা শ্রদ্ধেয়া মাকসুদা সিরাজ স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী হিসেবে নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন। এই দম্পতির জ্যেষ্ঠ পুত্র হিসেবে গোলাম শওকত সিরাজ নিজেও ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলেন এবং সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এছাড়াও তিনি সফলভাবে উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন।
তারুণ্য ও উন্নয়নের কাণ্ডারিএলাকাবাসীর মতে, বালিয়াকান্দির সার্বিক স্থবিরতা কাটাতে গোলাম শওকত সিরাজের কোনো বিকল্প নেই। এবারের নির্বাচনে তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাওয়ার পেছনে জনতা বেশ কিছু যৌক্তিক প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন:
শিক্ষার মানোন্নয়ন: উপজেলার জরাজীর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর আধুনিকায়ন এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা।
স্বাস্থ্যসেবার আধুনিকায়ন: প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা পৌঁছে দেওয়া।
যুবসমাজের কর্মসংস্থান: বেকারত্ব দূরীকরণে স্থানীয় পর্যায়ে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি।
তথ্য-প্রযুক্তি (IT): ডিজিটাল বাংলাদেশ ও স্মার্ট আগামীর পথে হাঁটতে যুবকদের জন্য বিশেষ ‘তথ্য প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ কর্মশালা’ চালু করা।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা বালিয়াকান্দির সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা একজন অভিজ্ঞ ও সজ্জন ব্যক্তিত্বকে নেতৃত্বে দেখতে চান। তাদের দাবি, গোলাম শওকত সিরাজের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং তাঁর পরিবারের দীর্ঘদিনের সেবামূলক ঐতিহ্য বালিয়াকান্দিতে এক নতুন যুগের সূচনা করবে।
মোঃ আব্দুল জব্বার শেখ একজন স্থানীয় প্রবীণ নাগরিক বলেন, “মৃধা সাহেবের পরিবারের সাথে এ অঞ্চলের মানুষের নাড়ির টান। গোলাম শওকত সিরাজ যোগ্য বাবার যোগ্য সন্তান হিসেবে বালিয়াকান্দির শিক্ষা ও প্রযুক্তির উন্নয়নে বিপ্লব ঘটাতে পারবেন বলেই আমরা বিশ্বাস করি।”
আসন্ন নির্বাচনে এই জননন্দিত নেতাকে ঘিরেই এখন স্বপ্ন বুনছে বালিয়াকান্দির সর্বস্তরের মানুষ।