ঢাকা ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কোনোভাবেই উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo পঞ্চগড়ে দিঘি থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার, হাতে মিলল চিরকুট Logo কাঁঠালিয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন Logo বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করে যাবে: ত্রাণমন্ত্রী Logo শ্রীপুরে জমি দখল ও হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন Logo আগামীকাল কুড়িগ্রামে এনসিপির কৃষক সমাবেশে যোগ দেবেন নাহিদ ইসলাম Logo ৭৩ বছর পর ছোনকা বিদ্যালয়ে বাণিজ্য বিভাগের অনুমোদন Logo নগরকান্দায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে সড়ক সংস্কার, স্বস্তি এলাকাবাসীর Logo দলিল লেখক মিন্টু হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনের যাবজ্জীবন Logo ঈশ্বরদীতে বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্পে ৮০ জনের ছানি অপারেশন

‘মুছাপুর রেগুলেটরের কাজ অচিরেই দৃশ্যমান হবে’

কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২৪ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রস্তাবিত মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদী অববাহিকায় সমন্বিত বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শনে এসে পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি বলেন, মুছাপুর রেগুলেটরের পুনঃ নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু হবে এবং অচিরেই দৃশ্যমান হবে ।
মঙ্গলবার দুপুরে মুছাপুর রেগুলেটর এলাকায় এ অনুষ্ঠানে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমি গতকালও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে মুছাপুর রেগুলেটর পুনঃ নির্মাণ প্রকল্প বিষয়ে কথা বলেছি। তিনি বিষয়টি জানেন, ২৪ এর বন্যা এবং রেগুলেটরের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে অবগত বলেই আমাকে প্রধানমন্ত্রী পরিদর্শনে পাঠিয়েছেন। প্রকল্পটি আগামী একনেকে এগিয়ে নেয়া হবে। আশা করি, অতিদ্রুত কাজ শুরু এবং দৃশ্যমান কাজ শুরু করা হবে।
তিনি বলেন, মুছাপুর রেগুলেটর শুধু মুছাপুর এলাকার সমস্যা নয়। এটি বৃহত্তর নোয়াখালীবাসীর জন্য সমস্যা। এ সমস্যা ২০০৩ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া চিহ্নিত করেছিলেন বলেই ২০০৫ সালে তিনি নিজেই মুছাপুর রেগুলেটর প্রকল্পের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, মুছাপুর রেগুলেটর ২০২৪ সালে ভারতীয় নদীর উজানের ঢলের পানির তীব্র স্রোতে রেগুলেটরটি বিলীন হয়ে যায়। এরপর থেকে আবার এ উপকূলে সংগ্রাম শুরু হয়ে যায়। মানুষ ঘর বাড়ি নিয়ে লড়াই শুরু করে। আমরা ভয়ে আছি আগামী মে মাসে বর্ষায় কি হবে। এ মুছাপুর রেগুলেটরের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আমার ধারনা ছিলোনা। আমাকে বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু ভাই ও স্থানীয় এমপি ফখরুল ইসলাম রেগুলেটরটি বিলীন হয়ে যাওয়ায় মানুষের যে দূর্ভোগ সে বিষয়টি জানিয়েছেন।
এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এমপি, নোয়াখালী-৫ আসনের এমপি মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুন অর রশিদ আজাদ প্রমূখ।
নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য নুরুল আলম সিকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মোঃ এনায়েত উল্লাহ, অতিরিক্ত মহাপরিচালক( পূর্ব) মোঃ মাহবুবর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী কুমিল্লা (পূর্বাঞ্চল) মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক, ফেনী পানি উন্নয়ন সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ, নোয়াখালী পুলিশ সুপার টি. এম. মোশারফ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।
পরে পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এমপি, নোয়াখালী-৫ আসনের এমপি মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বামনী ক্লোজারের কাজ উদ্ধোধন করেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

‘মুছাপুর রেগুলেটরের কাজ অচিরেই দৃশ্যমান হবে’

আপডেট সময় :

প্রস্তাবিত মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদী অববাহিকায় সমন্বিত বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শনে এসে পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি বলেন, মুছাপুর রেগুলেটরের পুনঃ নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু হবে এবং অচিরেই দৃশ্যমান হবে ।
মঙ্গলবার দুপুরে মুছাপুর রেগুলেটর এলাকায় এ অনুষ্ঠানে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমি গতকালও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে মুছাপুর রেগুলেটর পুনঃ নির্মাণ প্রকল্প বিষয়ে কথা বলেছি। তিনি বিষয়টি জানেন, ২৪ এর বন্যা এবং রেগুলেটরের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে অবগত বলেই আমাকে প্রধানমন্ত্রী পরিদর্শনে পাঠিয়েছেন। প্রকল্পটি আগামী একনেকে এগিয়ে নেয়া হবে। আশা করি, অতিদ্রুত কাজ শুরু এবং দৃশ্যমান কাজ শুরু করা হবে।
তিনি বলেন, মুছাপুর রেগুলেটর শুধু মুছাপুর এলাকার সমস্যা নয়। এটি বৃহত্তর নোয়াখালীবাসীর জন্য সমস্যা। এ সমস্যা ২০০৩ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া চিহ্নিত করেছিলেন বলেই ২০০৫ সালে তিনি নিজেই মুছাপুর রেগুলেটর প্রকল্পের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, মুছাপুর রেগুলেটর ২০২৪ সালে ভারতীয় নদীর উজানের ঢলের পানির তীব্র স্রোতে রেগুলেটরটি বিলীন হয়ে যায়। এরপর থেকে আবার এ উপকূলে সংগ্রাম শুরু হয়ে যায়। মানুষ ঘর বাড়ি নিয়ে লড়াই শুরু করে। আমরা ভয়ে আছি আগামী মে মাসে বর্ষায় কি হবে। এ মুছাপুর রেগুলেটরের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আমার ধারনা ছিলোনা। আমাকে বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু ভাই ও স্থানীয় এমপি ফখরুল ইসলাম রেগুলেটরটি বিলীন হয়ে যাওয়ায় মানুষের যে দূর্ভোগ সে বিষয়টি জানিয়েছেন।
এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এমপি, নোয়াখালী-৫ আসনের এমপি মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুন অর রশিদ আজাদ প্রমূখ।
নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য নুরুল আলম সিকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মোঃ এনায়েত উল্লাহ, অতিরিক্ত মহাপরিচালক( পূর্ব) মোঃ মাহবুবর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী কুমিল্লা (পূর্বাঞ্চল) মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক, ফেনী পানি উন্নয়ন সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ, নোয়াখালী পুলিশ সুপার টি. এম. মোশারফ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।
পরে পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এমপি, নোয়াখালী-৫ আসনের এমপি মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বামনী ক্লোজারের কাজ উদ্ধোধন করেন।